পলাশে বিএনপি’র রাজনীতিতে নেমেছে ‘তুফান’। কারণ? প্রবাসীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট কাণ্ডে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক কাওছার ভূঁইয়া খোয়ালেন দলের পদ আর ‘ভবিষ্যৎ আশা’।
ঘটনার নায়ক কাওছার, চরসিন্দুর ইউনিয়নের মালিতা গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে, আর রাজনৈতিকভাবে তিনি ছিলেন পলাশ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের ‘দেখে শুনে চলা’ সাধারণ সম্পাদক। কিন্তু এবার তিনি চললেন একটু বেশিই দেখে-শুনে—অন্যের বাড়ি!
২৫ মে দুপুরে, জমি সংক্রান্ত ঝামেলায় আরজু ভূঁইয়ার বাড়িতে দলবল নিয়ে চড়াও হন তিনি। আর এরপর…
হামলা, ভাঙচুর আর লুটপাটের ত্রিমাত্রিক হিট শো!
প্রবাসে থাকা আরজু ভূঁইয়ার পরিবার দেশে পেয়ে গেল এক ‘স্মরণীয় আতিথেয়তা’। ফলে, থানায় গিয়ে কাওছারসহ ৬ জনের নাম এবং অজানা ১৫ জনের কল্পকাহিনি যোগ করে মামলা ঠুকে দেন তারা।
আর এরপরই বিএনপি’র ‘উচ্চ পর্যায়ের সিগন্যাল’—
“কাওছার, তোমাকে আর রাখা যাচ্ছে না!”
বুধবার রাতে ড. আবদুল মঈন খান নিজে বিষয়টি দেখে বলেন, ‘দলীয় শৃঙ্খলা প্রথম। কাওছার গেল।’
পলাশ উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুস সাত্তারও সংবাদটি নিশ্চিত করেন। তবে কে যেন বলেছে, “মাথা ব্যথা তো, মাথা কাট!”
অন্যদিকে, স্বেচ্ছাসেবক দলের উপজেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট বাছেদ মিয়ার কানে খবর এখনো ঢোকেনি। তিনি বলেন, “অব্যাহতির বিষয়টি আমার জানা নেই!”
এখন প্রশ্ন হলো, খবরটা কি কাওছারের চেয়ে বাছেদের কাছেই বেশি ‘স্বেচ্ছাসেবী’ হয়ে গেল?
রাজনীতি মানেই ‘জনসেবা’, কিন্তু কখনও কখনও সেটা হয়ে দাঁড়ায় ‘জবরদখল সেবা’। দল থেকে বিদায় কাওছার, এবার হয়তো নিজের ‘ভাঙচুরকৃত’ ইমেজটা গুছানোর সময়।