মোঃ মাহবুবুর রহমান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধ: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে উপজেলার গাউছিয়ায় সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে আজ কলম বিরতি ও মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ করেছে সাংবাদিকরা। ১৬ নভেম্বর কালবেলা পত্রিকার সাংবাদিক জাহাঙ্গীর মাহমুদের উপর সন্ত্রাসীরা সংবাদ প্রকাশের জের ও চাঁদা না দেয়ায় শরীরের বিভিন্ন অংশ ও মাথা থেতলে দেয় এবং দ্বিতীয় দফার এক তারিখ রোববার তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা গুলি চালায়। ২৯ নভেম্বর দৈনিক নয়া দিগন্তের সাংবাদিক মোঃ শফিকুল ইসলাম মীরকে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়। বিক্ষোভ ও মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে রূপগঞ্জ উপজেলার রূপগঞ্জ প্রেস ক্লাব ও রূপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সকল সাংবাদিকবৃন্দ। এছাড়াও পার্শ্ববর্তী সোনারগাঁ থানা ,সিদ্ধিরগঞ্জ থানা, ডেমরা থানা ,আড়াইহাজা উপজেলা প্রেস ক্লাবের প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দরা মানববন্ধনে অংশ নিয়েছেন। রূপগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি লায়নীর আব্দুল আলীম বলেন, আমরা সব সময় নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন করেছি। রূপগঞ্জে অন্যায় দুর্নীতি সন্ত্রাস মাদক ও অস্ত্রের ঝঞ্ঝানির বিরুদ্ধে কলম ধরেছে। তাই পূর্বের মতো এখনো আমরা সন্ত্রাসীদের হামলা শিকার হচ্ছি। আমরা জানতে পেরেছি ইদানিং নতুন করে৫১ টি অস্ত্র গোলাকান্দা এলাকায় আনা হয়েছে। আমরা দাবি করছি প্রশাসন এই অস্ত্রগুলো উদ্ধার করবে। নয়তোবা এই অস্ত্রের ঝঞ্জনানি শুধু সাংবাদিকদের বিপক্ষে নয় বরং সাধারণ মানুষ এমনকি যারা তাদেরকে আশ্রয় প্রশ্রয় দিচ্ছে একটা সময় তারাও তাদেরকে আক্রমণ করবে। যমুনা টিভি সাংবাদিক জয়নাল আবদীন জয় বলেন, আমরা সব সময় নির্যাতিত মানুষের সংবাদ তুলে ধরি ,আজ আমরাই নির্যাতিত। আমরা আজ খুব লজ্জিত। রূপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এম এ মোমেন বলেন, আমরা সব সময় সাধারণ মানুষদের বা অন্যদের মানববন্ধনের সংবাদ প্রচার করে থাকি। কিন্তু আজকে নির্যাতনের শিকার হয়ে আমাদের নিজেদেরকে আজকে মানববন্ধন করতে হচ্ছে। এছাড়ো মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন রূপগঞ্জ প্রেসক্লাব ও রূপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অস্ত্র উদ্ধার না করা হলে এবং আসামিদেরকে গ্রেফতার করা না হলে এমনকি তাদেরকে দল থেকে বহিষ্কার করা না হলে আমরা রাজপথ অবরোধ করতে বাধ্য হব।