1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. backupadmin@wordpress.com : backupadmin :
  3. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  4. system@openreplay.com : wp-backup :
ফাইল আটকে থাকেনি, শিক্ষাঙ্গনে ছিল গতি ‘দক্ষ, সক্রিয় ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা’ মনিকা পারভীনের বদলিতে প্রশ্ন সচেতন মহলে - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ময়মনসিংহের ডিসির মানবিকতায় খুশী ক্রিকেটার শান্ত নেত্রকোনার কলমাকান্দায় ইউএনও’র বদলিসহ ছয় দফা দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ময়মনসিংহের কুষ্টিয়ায় গ্রাম আদালত সক্রিয়করণে আলোচনা সভা ও ভিডিও প্রদর্শনী রাজশাহীতে বন্যার্তদের পাশে আরডিএ চেয়ারম্যান সুইট হেফাজতে ইসলাম নারায়ণগঞ্জ জেলার সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলেন মাওলানা জহিরুল ইসলাম ফারুকী ফাইল আটকে থাকেনি, শিক্ষাঙ্গনে ছিল গতি ‘দক্ষ, সক্রিয় ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা’ মনিকা পারভীনের বদলিতে প্রশ্ন সচেতন মহলে ফুলপুরের পয়ারীতে রিফাতের পক্ষে গণজোয়ার তার পক্ষে কাজ করার আগ্রহ এলাকাবাসীর রাজ্জাক হোটেলে সাংবাদিক নির্যাতন: অনুসন্ধানে গিয়ে হামলার অভিযোগ, ছিনিয়ে নেওয়া হয় ক্যামেরা-মোবাইল ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধের আহ্বান, আক্রান্তদের পাশে মানবিকতার হাত বাড়ালেন আলহাজ্ব সাজ্জাদুর রহমান মামুন

ফাইল আটকে থাকেনি, শিক্ষাঙ্গনে ছিল গতি ‘দক্ষ, সক্রিয় ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা’ মনিকা পারভীনের বদলিতে প্রশ্ন সচেতন মহলে

reporter নিজস্ব প্রতিবেদক
calendar প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩৬ অপরাহ্ণ

ময়মনসিংহ সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে দায়িত্ব পালনের সময়ে কোনো ফাইল অযথা পড়ে থাকেনি, বিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রমে ছিল গতি এবং শিক্ষক-অভিভাবকদের সমস্যার বিষয়ে দ্রুত সাড়া মিলেছে—এমন মূল্যায়ন সদর উপজেলার শিক্ষক ও অভিভাবকদের একটি অংশের। তাঁদের ভাষায়, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মনিকা পারভীন ছিলেন একজন ‘ডায়নামিক ও পারফরম্যান্স-ফোকাসড অফিসার’। তাঁর হঠাৎ বদলিতে তাই সদর উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় তৈরি হওয়া কার্যকর ধারাবাহিকতা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন তাঁরা।
২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন মনিকা পারভীন।
শিক্ষক-অভিভাবকদের ভাষ্য, একজন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দায়িত্ব শুধু দাপ্তরিক ফাইল নিষ্পত্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বিদ্যালয় পরিদর্শন, শিক্ষকদের সঙ্গে সমন্বয়, প্রশাসনিক জটিলতা দ্রুত নিষ্পত্তি, শিক্ষক বদলি ও সংযুক্তি-সংক্রান্ত প্রস্তাব প্রক্রিয়াকরণ, বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত সমস্যা চিহ্নিত করা, শিক্ষা কার্যক্রমের তদারকি এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কার্যকর সমন্বয়—এসব ক্ষেত্রেও কর্মকর্তার সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। তাঁদের দাবি, এসব দায়িত্ব পালনে মনিকা পারভীন ছিলেন দৃশ্যমানভাবে সক্রিয়।
তিনি যে কারণে ময়মনসিংহ জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা অফিসার হিসেবে সম্মাননা পেয়েছেন।

‘ফাইল পড়ে থাকেনি’

সদর উপজেলার কয়েকজন শিক্ষক বলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসে কোনো প্রশাসনিক ফাইল নিয়ে গেলে অযথা দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়নি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঠিক থাকলে দ্রুত সিদ্ধান্ত বা পরবর্তী প্রক্রিয়ায় পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।
একজন প্রধান শিক্ষক বলেন, “আমাদের কাছে একজন শিক্ষা কর্মকর্তার বড় যোগ্যতা হলো—তিনি শিক্ষকদের কথা শুনবেন, সমস্যাটি বুঝবেন এবং প্রয়োজনীয় জায়গায় দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন। মনিকা পারভীনের ক্ষেত্রে আমরা সেটিই দেখেছি। তাঁর সময়ে ফাইল পড়ে থাকার সংস্কৃতি ছিল না।”
আরেক শিক্ষক বলেন, “বিদ্যালয়ের কোনো প্রশাসনিক সমস্যা নিয়ে গেলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যেতেন না। কীভাবে সমাধান করা যায়, সেটি জানতে চাইতেন। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। এতে মাঠপর্যায়ে কাজের গতি তার সময়ে অনেক বেড়েছিল।”

বিদ্যালয় পরিদর্শন ও মাঠপর্যায়ে যোগাযোগ

শিক্ষক-অভিভাবকদের মতে, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো মাঠপর্যায়ের বিদ্যালয়গুলোর বাস্তব পরিস্থিতি জানা। শুধু অফিসে বসে নথি নিষ্পত্তি না করে বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও ব্যবস্থাপনার বাস্তব চিত্র দেখা প্রয়োজন।
সচেতন মহলের কয়েকজনের ভাষ্য, মনিকা পারভীন এ জায়গায়ও সক্রিয় ছিলেন। বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক সমস্যা, শিক্ষকদের প্রয়োজন, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা কিংবা শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তিনি মাঠপর্যায়ের তথ্য নেওয়ার চেষ্টা করতেন।

এক অভিভাবক বলেন, “শিক্ষা অফিসার যদি শুধু অফিসে বসে থাকেন, তাহলে বিদ্যালয়ের প্রকৃত সমস্যা বোঝা কঠিন। মনিকা পারভীনের ক্ষেত্রে আমরা মাঠের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টি লক্ষ্য করেছি। একজন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছ থেকে আমরা এমন দায়িত্বশীলতাই প্রত্যাশা করি।”

শিক্ষক-প্রশাসন সমন্বয়ে গুরুত্ব

শিক্ষকরা বলছেন, প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় প্রশাসন ও শিক্ষকদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষক বদলি, সংযুক্তি, ছুটি, প্রশাসনিক অনুমোদন, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কিংবা বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে উপজেলা শিক্ষা অফিসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করতে হয়।
শিক্ষকদের দাবি, মনিকা পারভীনের সময়ে এ সমন্বয়ের জায়গাটি অত্যন্ত কার্যকর ছিল।

একজন শিক্ষক বলেন, “তিনি শুধু নির্দেশ দেওয়ার জায়গা থেকে বিষয়টি দেখতেন না; অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষকদের বক্তব্য শুনে তারপর সিদ্ধান্তের দিকে যেতেন। ফলে মাঠপর্যায়ে প্রশাসনের সঙ্গে দূরত্ব কম ছিল।”

অভিভাবকদের কাছেও ‘অ্যাক্সেসিবল’ কর্মকর্তা
সচেতন অভিভাবকদের কয়েকজনের মতে, একজন শিক্ষা কর্মকর্তার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ গুণ হলো সাধারণ মানুষ ও অভিভাবকদের কথা শোনার মানসিকতা।

একজন অভিভাবকের ভাষায়, “প্রাথমিক বিদ্যালয় শুধু শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের বিষয় নয়; এখানে আমাদের সন্তানরা পড়ে। তাই অভিভাবকদের সমস্যার কথাও শোনা দরকার। মনিকা পারভীনকে আমরা এ ক্ষেত্রে সহযোগিতাপ্রবণ কর্মকর্তা হিসেবে পেয়েছি।”

অন্য একজন বলেন, “কোনো সমস্যার কথা জানালে অন্তত সেটি শোনা হয়েছে—এটিও গুরুত্বপূর্ণ। সব সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান সম্ভব নয়, কিন্তু সমস্যাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা একজন কর্মকর্তার বড় গুণ।”

‘ডায়নামিক অফিসার’ হিসেবে পরিচিতি

শিক্ষক ও সচেতন মহলের বক্তব্যে বারবার উঠে এসেছে ‘ডায়নামিক’ শব্দটি। তাঁদের মতে, মনিকা পারভীনের কাজের ধরনে ছিল দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সমন্বয় এবং দায়িত্বের প্রতি সক্রিয় মনোযোগ।
একজন শিক্ষক বলেন, “মনিকা পারভীনকে আমরা একজন ডায়নামিক অফিসার হিসেবেই দেখেছি। কাজ ফেলে রাখার প্রবণতা তাঁর মধ্যে ছিল না। অফিসের কাজের পাশাপাশি বিদ্যালয়ের বিষয়গুলো নিয়েও তিনি খোঁজ রাখতেন।”
সচেতন মহলের একজন বলেন, “একজন ভালো প্রশাসনিক কর্মকর্তার মূল্যায়ন শুধু তিনি কতগুলো ফাইলে স্বাক্ষর করেছেন, তা দিয়ে হয় না। তিনি কত দ্রুত সমস্যার জায়গায় পৌঁছেছেন, সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কতটা সমন্বয় করেছেন এবং সেবা কতটা সহজ করেছেন—এসবও গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের অভিজ্ঞতায় মনিকা পারভীন এসব ক্ষেত্রে খুবই সক্রিয় ছিলেন।”

ঘুষের অভিযোগের ঘটনায় দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ

মনিকা পারভীনের বদলি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগকে কেন্দ্র করেও।
‘ঘুষ.সাইট’-এর উদ্যোক্তা ১৭ বছর বয়সী শাহেদ শরীফ আহমেদের অভিযোগের পর সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের হিসাব সহকারী এ এইচ এম নাদিরুল হাসান সবুজ এবং অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মো. মুজিবুর রহমানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।
প্রথম আলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে মনিকা পারভীনের বক্তব্যও ছিল—অভিযোগের বিষয়ে দুই কর্মচারীকে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
পরে অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদন ৬ সেপ্টেম্বর জমা দেওয়ার কথা জানানো হলেও এর ফলাফল প্রকাশ্যে আসেনি।

এর তিন দিন পর ৯ সেপ্টেম্বর মনিকা পারভীনকে ময়মনসিংহ সদর থেকে নান্দাইল উপজেলায় বদলি করা হয়। একই আদেশে নান্দাইলের উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফজিলাতুন নেছাকে ময়মনসিংহ সদরে পদায়ন করা হয়। সাম্প্রতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে বদলির আদেশে কারণ হিসেবে ‘জনস্বার্থ’ উল্লেখ থাকার কথা বলা হয়েছে।

বদলির কারণ নিয়ে প্রশ্ন

প্রশাসনিক নিয়মে নির্দিষ্ট সময় পর কর্মকর্তাদের বদলি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হতে পারে। মনিকা পারভীনও তিন বছরের বেশি সময় সদর উপজেলায় দায়িত্ব পালন করেছেন বলে জানিয়েছেন।
তবে শিক্ষক-অভিভাবকদের প্রশ্ন, একজন কর্মকর্তার কর্মদক্ষতা ও মাঠপর্যায়ের কাজের ধারাবাহিকতাও কি বদলির সিদ্ধান্তে বিবেচিত হওয়ার বিষয় নয়?

একজন শিক্ষক বলেন, “বদলি প্রশাসনের এখতিয়ার। কিন্তু একজন কর্মকর্তা যদি ভালোভাবে কাজ করেন, তাহলে তাঁকে নিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকদের যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, সেটিও কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় থাকা উচিত।”
নাগরিক সমাজের একজন বলেন, “প্রশাসনিক বদলি নিয়ে আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু একজন কর্মকর্তার কাজের মূল্যায়ন হওয়া দরকার তাঁর কর্মদক্ষতা দিয়ে। মনিকা পারভীনের ক্ষেত্রে শিক্ষক-অভিভাবকদের যে ইতিবাচক অভিজ্ঞতা তৈরি হয়েছে, সেটি উপেক্ষা করা উচিত নয়।”

‘কাজের গতি থেমে যাবে কি না’—উদ্বেগ

শিক্ষক-অভিভাবকদের একাংশের আশঙ্কা, দীর্ঘ সময় ধরে তৈরি হওয়া প্রশাসনিক সমন্বয়ের ধারাবাহিকতা হঠাৎ বদল হলে মাঠপর্যায়ে তার প্রভাব পড়তে পারে।
তাঁদের মতে, নতুন কর্মকর্তা দায়িত্ব নেবেন, নতুনভাবে কাজ করবেন—এটাই স্বাভাবিক। তবে একজন কর্মকর্তার সঙ্গে বিদ্যালয়গুলোর যে প্রশাসনিক যোগাযোগ ও কাজের সমন্বয় তৈরি হয়, তা সময়সাপেক্ষ।

একজন প্রধান শিক্ষক বলেন, “আমরা ব্যক্তিকে নয়, কাজের ধারাবাহিকতাকে গুরুত্ব দিচ্ছি। মনিকা পারভীনের সময়ে অফিসের কাজের গতি ছিল—এটি আমাদের অভিজ্ঞতা। তাই বদলির আগে এই বিষয়গুলোও বিবেচনা করা দরকার ছিল বলে আমরা মনে করি।”

শিক্ষক-অভিভাবকদের দাবি

শিক্ষক ও সচেতন অভিভাবকদের একটি অংশ মনিকা পারভীনের বদলি পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, প্রশাসনিক প্রয়োজন থাকলে বদলি হতে পারে; তবে কর্মদক্ষতা, মাঠপর্যায়ের গ্রহণযোগ্যতা এবং চলমান কাজের ধারাবাহিকতাও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।
তাঁদের মতে, একজন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সাফল্য তখনই দৃশ্যমান হয়, যখন বিদ্যালয়ের কাজ এগোয়, শিক্ষকরা প্রশাসনিক সহায়তা পান, অভিভাবকদের কথা শোনা হয় এবং প্রয়োজনীয় ফাইল ও সিদ্ধান্ত অযথা আটকে থাকে না।
সদর উপজেলার শিক্ষক-অভিভাবকদের একটি অংশের ভাষ্যে, মনিকা পারভীনের সময়ে এই কর্মগতির একটি দৃশ্যমান ধারাবাহিকতা তৈরি হয়েছিল। এখন তাঁদের প্রত্যাশা—প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের পাশাপাশি সেই কর্মধারাটিও যেন অব্যাহত থাকে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com