1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. backupadmin@wordpress.com : backupadmin :
  3. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  4. system@openreplay.com : wp-backup :
দুর্গাপুরে ওয়ার্ক অর্ডার ছাড়াই ১১.৫ কোটি টাকার সড়ক নির্মাণ কাজ চলমান প্রশ্নবিদ্ধ- এলজিইডি - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
ময়মনসিংহের কুষ্টিয়ায় গ্রাম আদালত সক্রিয়করণে আলোচনা সভা ও ভিডিও প্রদর্শনী রাজশাহীতে বন্যার্তদের পাশে আরডিএ চেয়ারম্যান সুইট হেফাজতে ইসলাম নারায়ণগঞ্জ জেলার সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলেন মাওলানা জহিরুল ইসলাম ফারুকী ফাইল আটকে থাকেনি, শিক্ষাঙ্গনে ছিল গতি ‘দক্ষ, সক্রিয় ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা’ মনিকা পারভীনের বদলিতে প্রশ্ন সচেতন মহলে ফুলপুরের পয়ারীতে রিফাতের পক্ষে গণজোয়ার তার পক্ষে কাজ করার আগ্রহ এলাকাবাসীর রাজ্জাক হোটেলে সাংবাদিক নির্যাতন: অনুসন্ধানে গিয়ে হামলার অভিযোগ, ছিনিয়ে নেওয়া হয় ক্যামেরা-মোবাইল ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধের আহ্বান, আক্রান্তদের পাশে মানবিকতার হাত বাড়ালেন আলহাজ্ব সাজ্জাদুর রহমান মামুন ঝিনাইগাতীতে মাদক সেবনের অপরাধে ৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ২০০ টাকা নিয়ে মাওয়া ঘুরতে গিয়ে বিপাকে ৪ শিশু, পুলিশের সহায়তায় ফিরল পরিবারের কাছে নেত্রকোনায় যুবলীগের আকস্মিক মশাল মিছিল : ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমের প্রতিবাদ

দুর্গাপুরে ওয়ার্ক অর্ডার ছাড়াই ১১.৫ কোটি টাকার সড়ক নির্মাণ কাজ চলমান প্রশ্নবিদ্ধ- এলজিইডি

reporter আলামিন হক বিজয়, রাজশাহী
calendar প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ণ

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় প্রায় ১১.৫ কোটি টাকার সড়ক নির্মাণকাজে অনিয়ম ও গুণগত মান নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ রাজশাহী জেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি)।

সূত্র মতে, দুর্গাপুর উপজেলা মোড় থেকে গগণবাড়িয়া মোড় পর্যন্ত ৭৪৯০ মিটার সড়ক নির্মাণের জন্য বরাদ্দ রয়েছে প্রায় ১০ কোটি ০৬ লাখ ৯০ হাজার ৩৭৭ টাকা। এছাড়া গুড়খাই থেকে সিরিপুর পর্যন্ত নতুন প্যাকেজের বাজেট ১ কোটি ৩৮ লাখ ৮৭ হাজার ৩৪০ টাকা। এর মধ্যে প্রায় ৬৫০ মিটার RCC কাজের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ২২ লাখ ৩০ হাজার ৬৮৬ টাকা।

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, নতুন সিডিউলের রিভাইজড ওয়ার্ক অর্ডার উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ে না আসা এবং নতুন সাইট অফিসার (SO) নিয়োগ না হওয়ার পরও তড়িঘড়ি করে সড়কের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে মোঃ গোলাম মোস্তফা, স্বত্বাধিকারী মেসার্স এম এ ইন্জিনিয়ারিং, খিলগাঁও, ঢাকা, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এতে কাজের স্বচ্ছতা ও গুণগত মান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।

স্থানীয়দের দাবি,তারা এই বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলীর সাথে কথা বলেছেন। নতুন সিডিউলের রিভাইজড ওয়ার্ক অর্ডার উপজেলা প্রকৌশলী বরাবর এখনো পৌঁছেনি এবং নতুন SO নিয়োগও হয়নি। এর মধ্যেই প্রায় ২০ দিন ধরে সড়কের কাজ চলমান রয়েছে। নির্মাণকাজে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা।

এদিকে সচেতন নাগরিক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রশ্ন—রিভাইজড ওয়ার্ক অর্ডার ও নতুন SO নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত না হওয়ার পরও কীভাবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ চালিয়ে যাচ্ছে? কাজের অনুমোদন, তদারকি এবং নির্মাণসামগ্রীর মান যাচাইয়ের দায়িত্ব কার—এ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, সড়ক নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রকল্পে কাজ শুরুর আগে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রক্রিয়া যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। কাজে শুভঙ্করের ফাঁকি ও সরকারের অর্থের যথাযথ ব্যবহার হচ্ছেনা বলে দাবি তাদের। একই সঙ্গে ব্যবহৃত নির্মাণসামগ্রীর গুণগত মান পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

সরেজমিনে, বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করতে ঠিকাদারের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের ‘ম্যানেজ’ করারও চেষ্টা করা হয়েছে।

দুর্গাপুর উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ রায়হানুল হক জানান, “আমি নতুন ওয়ার্ক অর্ডার সিডিউল এবং এসও নিয়োগের অফিসিয়াল ডকুমেন্টস পাইনি। এই বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।”

বিষয়টি নিয়ে রাজশাহী জেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আবুল কালাম আজাদ মোল্লার কাছে জানতে চাইলে, তিনিও রিভাইজড সিডিউল ও নতুন SO নিয়োগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেননি। প্রতিবেদকের উপস্থিতিতেই তিনি সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তাকে ফোন করেন। ফোনের অপর প্রান্ত থেকে জানানো হয়, “দুইদিন আগে ওয়ার্ক অর্ডার রেডি করা হয়েছে, SO নিয়োগ করা হয়নি। আমি বাইরে আছি, অফিসে গিয়ে ই-মেইল করবো।”

এ সময় নির্বাহী প্রকৌশলী আগামী দুই দিনের মধ্যে নিজে সরেজমিনে গিয়ে কাজ পরিদর্শনের কথা জানান এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। ওই প্রতিশ্রুতির পর তিন দিন পেরিয়ে গেলেও তিনি সরেজমিনে কাজ পরিদর্শনে আসেননি।

এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাইট দেখভালের দায়িত্ব থাকা মোঃ মাসুমের সাথে কথা বলতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আগামীকাল এসে আপনার সাথে বসবো বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান।

স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ২০ দিন ধরে চলমান কাজটি যথাযথভাবে তদারকি করা হচ্ছে কি না এবং সরকারি বরাদ্দের অর্থের বিপরীতে কাজের মান ও পরিমাণ ঠিক আছে কি না—তা দ্রুত তদন্ত করে দেখা হোক।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com