1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. backupadmin@wordpress.com : backupadmin :
  3. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  4. system@openreplay.com : wp-backup :
মৎস্য অধিদপ্তরে আউটসোর্সিং নিয়োগে গাড়িচালক মোহাব্বতের ‘রাজত্ব’ - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
সাতক্ষীরায় ঐতিহ্যবাহী পি কে ইউনিয়ন ক্লাবের ৩ বছর মেয়াদী কমিটি গঠন, সভাপতি সান্টু চৌধুরী, সম্পাদক মিঠু খান ও যুগ্ম সম্পাদক অর্প মৎস্য অধিদপ্তরে আউটসোর্সিং নিয়োগে গাড়িচালক মোহাব্বতের ‘রাজত্ব’ কুলিয়ারচরে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণে ৩ একর জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু ধাওয়া করে ১২৫ কেজি চোরাই তার ও সিএনজিসহ গ্রেপ্তার ১ চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইব্রাহিম হাবিব মিলু ভাই, সুখে-দুঃখে মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু,বাড়ির পাশ্ববর্তী খাল থেকে তিনদিন পর লাশ উদ্ধার নাগরপুরে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি মাসুদ আলমের নজরে জেলা পুলিশের শৃঙ্খলা ও প্রস্তুতি কক্সবাজারে বিডিএস জরীপে আবু শাহীন আজাদের বিরুদ্ধে ঘুষের দাবির অভিযোগে বদলি চান ভূমিমালিকরা খাবারের রং এবার ফল-ফুল-সবজি থেকে, বরিশালের জান্নাতুলের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

মৎস্য অধিদপ্তরে আউটসোর্সিং নিয়োগে গাড়িচালক মোহাব্বতের ‘রাজত্ব’

– ৩১ নিয়োগের ২০টিতেই সুপারিশের অভিযোগ, জনপ্রতি ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা লেনদেনের দাবি

reporter শাহাদাৎ হোসেন সরকার
calendar প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আউটসোর্সিং জনবল নিয়োগকে কেন্দ্র করে মহাপরিচালকের গাড়িচালক মোহাব্বতকে ঘিরে নানা অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগ রয়েছে, শুধু গাড়িচালকের দায়িত্বে থাকা সত্ত্বেও অধিদপ্তরের আউটসোর্সিং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় তার প্রভাব ও সুপারিশ কার্যকর হচ্ছে। এমনকি ৩১ জনের নিয়োগের মধ্যে ২০ জনই তার সুপারিশে নিয়োগ পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট সূত্রের কয়েকজন।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, স্মারক নং ৩৩.০১.০০০০.১০১.১১.৯৩৯.২৫-১৭৮১-এর মাধ্যমে ৩১ জনকে আউটসোর্সিংয়ের আওতায় নিয়োগ দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, ওই নিয়োগে ২০ জনের ক্ষেত্রে গাড়িচালক মোহাব্বতের সুপারিশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে । তবে এ দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।নিয়োগকে ঘিরে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হলো, চাকরি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে জনপ্রতি ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেনের হয়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে ।অভিযোগকারীদের মতে, নিয়োগপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে অর্থ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে।তবে এসব অর্থ লেনদেনের সত্যতা নিশ্চিত করতে ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের লেনদেন, নিয়োগ-সংশ্লিষ্ট নথি, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্র এবং নিয়োগপ্রাপ্তদের বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন।

মোহাব্বতের বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতির অভিযোগও উঠেছে। তার ঘনিষ্ঠজন ও আত্মীয়স্বজনদের মধ্য থেকে একাধিক ব্যক্তিকে নিয়োগের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।এ বিষয়ে নিয়োগপ্রাপ্তদের সঙ্গে তার সম্পর্ক, সুপারিশের নথি এবং নিয়োগ কমিটির সিদ্ধান্ত যাচাই করলে প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসতে পারে।সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্যে রয়েছেন— মোঃ আলমগীর (পিতা—আবুল কালাম, পূর্ব এখলাসপুর, ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর), আলমগীর কবির (পিতা—মোকিত বিশ্বাস, দৌলতপুর, নড়াইল) এবং সামছুল হক (পিতা—ফজলুল হক, গেরুয়া, ডেইরি ফার্ম, সাভার, ঢাকা)। তবে এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো অনিয়ম প্রমাণিত হয়েছে—এমন দাবি করা হচ্ছে না; তাদের নিয়োগে সুপারিশ বা অনিয়ম ছিল কি না, সেটিই তদন্তের বিষয়।

আউটসোর্সিং কর্মী নিয়োগ সাধারণত সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নির্ধারিত প্রক্রিয়া, কমিটি ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়ার কথা। সেখানে একজন গাড়িচালকের সুপারিশ কীভাবে এতটা কার্যকর হলো—এ প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে।অভিযোগ সত্য হলে শুধু মোহাব্বতের ভূমিকা নয়, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, নিয়োগ কমিটি ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।মোহাব্বতকে ঘিরে এর আগেও চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ গ্রহণ ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ ছিল বলে কয়েকজন দাবি করেছেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মাস্টাররোলে চাকরি দেওয়ার কথা বলে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর তাকে চট্টগ্রামে বদলি করা হয়েছিল বলে দাবি রয়েছে।পরে তিনি আবার সাভার ডেইরি ফার্মে ফিরে আসেন বলে অভিযোগকারীদের বক্তব্য। এছাড়া সাভার ডেইরি ফার্মের সামনের মহাসড়কের পাশের ফুটপাতের জায়গায় দোকান ভাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রেও তার প্রভাব ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে ৩১ জন নিয়োগপ্রাপ্তের পূর্ণাঙ্গ তালিকা, নিয়োগ কমিটির কার্যবিবরণী, সুপারিশপত্র, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নথি, অর্থ লেনদেনের তথ্য এবং নিয়োগপ্রাপ্তদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পর্ক যাচাই করা জরুরি। একই সঙ্গে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে নিরপেক্ষ তদন্ত হলে অভিযোগগুলোর প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসতে পারে।

বিশেষ করে একজন গাড়িচালকের সুপারিশে ৩১ জনের মধ্যে ২০ জন নিয়োগ পেয়েছেন কি না—এই দাবিটি নথিপত্রের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।

অভিযোগের বিষয়ে মোহাব্বতের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি উক্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন।একইভাবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ। তবে তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com