1. [email protected] : Ghoshana Desk :
  2. [email protected] : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. [email protected] : Masud Khan : Masud Khan
মালুমঘাটে দুই হাজার চারার সফল পরিচর্যায় প্রশংসিত বন কর্মকর্তা কামরুল হাসান রুবেল ও শাহরিয়ার আমিন - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
রাঙ্গামাটিতে গৃহবধূ হত্যা ও লুটপাট: গ্রেপ্তার ২, উদ্ধার ২ লাখ টাকা চট্টগ্রামে বিজেসির মতবিনিময় সভা ‎সিংগাইরে মোবাইল কোর্টের অভিযান, আইন লঙ্ঘনে দুই ব্যবসায়ী দণ্ডিত ‎বকশীগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান, ড্রেজার ও পাইপ ধ্বংস অসহায় মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন চরকালেখান ইউপির স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল হক খান মাদকের বিরুদ্ধে কোস্ট গার্ডের অভিযান চীনের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের জাতীয় স্মৃতিসৌধ পরিদর্শন বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন বাঙ্গালা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে সদস্য পদে দোয়া ও সমর্থন চাইলেন ফজলুল হক দিনাজপুর সেক্টরে মাদকদ্রব্য ধ্বংসকরণ-২০২৬ অবৈধ দখলমুক্তির দাবিতে চালিতাঘাটা হাট বাজারে মানববন্ধন

মালুমঘাটে দুই হাজার চারার সফল পরিচর্যায় প্রশংসিত বন কর্মকর্তা কামরুল হাসান রুবেল ও শাহরিয়ার আমিন

reporter নুরুল ইসলাম সুমন,চট্টগ্রাম
calendar প্রকাশিত: ২৫ জুন, ২০২৬, ২:৩১ অপরাহ্ণ

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার মালুমঘাট এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় রোপণ করা দুই হাজার দেশীয় প্রজাতির গাছের চারা সুরক্ষা ও পরিচর্যায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন ফাসিয়াখালী রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক ও রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ কামরুল হাসান রুবেল এবং ডুলাহাজারা বিটের ফরেস্টার ও বিট কর্মকর্তা মোঃ শাহরিয়ার আমিন।

বন বিভাগের সূত্রে জানা যায়, মালুমঘাট এলাকায় ১০ প্রজাতির প্রায় দুই হাজার গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে তেলি গর্জন, ঢাকিজাম, জাম, চাপালিশ, দারমারা, চম্পা, নিম, সিভিট, বৈলাম ও ছাতিয়ান। এসব চারার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর রোপণ করা তেলি গর্জন চারাটি বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

চারাগুলো রোপণের পর সেগুলোর যথাযথ বৃদ্ধি ও টিকে থাকা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে নিবিড় তদারকি করছেন মোঃ কামরুল হাসান রুবেল ও মোঃ শাহরিয়ার আমিন। তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী শ্রমিকরা নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার, মাটি ঝুরঝুরে করা, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা এবং চারার স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণের কাজ করছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর রোপণ করা তেলি গর্জন চারাটির চারপাশে বাঁশের সুরক্ষা বেষ্টনী নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে একটি তথ্যফলক স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে গাছটির বৈজ্ঞানিক পরিচিতি এবং রোপণকারীর নাম উল্লেখ রয়েছে। একই সঙ্গে গবাদিপশুর আক্রমণ ও মানুষের অসাবধানতাজনিত ক্ষতি থেকে রক্ষার জন্য নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

এলাকাটিতে মানুষের চলাচল এবং গরু-ছাগলের অবাধ বিচরণ থাকায় চারাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিন-রাত পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে। একটি উঁচু গাছে মাচা তৈরি করে রাতের বেলায় নজরদারির ব্যবস্থাও করা হয়েছে। বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে নিয়োজিত শ্রমিকরা পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করছেন।

স্থানীয়দের মতে, শুধু বৃক্ষরোপণ করাই নয়, চারাগুলোকে টিকিয়ে রাখা এবং বড় করে তোলার জন্য যেভাবে মাঠপর্যায়ে কাজ করা হচ্ছে, তা প্রশংসার দাবিদার। বিশেষ করে মোঃ কামরুল হাসান রুবেল ও মোঃ শাহরিয়ার আমিন নিয়মিত পরিদর্শনের মাধ্যমে পুরো কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছেন।

বন বিভাগ সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশীয় প্রজাতির বৃক্ষ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে সরকারের চলমান কর্মসূচির অংশ হিসেবে এসব গাছ রোপণ করা হয়েছে। এর সফল বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখছেন এই দুই কর্মকর্তা।

পরিবেশবিদদের মতে, তেলি গর্জনসহ দেশীয় প্রজাতির গাছ পাহাড়ি এলাকায় মাটির ক্ষয়রোধ, বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল সৃষ্টি এবং বনভূমির প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই এসব গাছের সঠিক পরিচর্যা ও সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি।

বন বিভাগের আশা, মোঃ কামরুল হাসান রুবেল ও মোঃ শাহরিয়ার আমিনের তত্ত্বাবধানে মালুমঘাটের এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ভবিষ্যতে একটি সফল সবুজায়ন প্রকল্পে পরিণত হবে এবং এলাকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. মারুফ হোসেন নুরুল ইসলাম সুমনকে জানান, প্রধানমন্ত্রীর রোপণ করা চারাসহ মালুমঘাটে রোপিত সব চারার নিরাপত্তা ও পরিচর্যায় সার্বক্ষণিক টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতিতে চারাগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা চলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com