প্রত্যাশার প্রহর যেন এক দীর্ঘ নদীর ধারা। সময় বয়ে চলে, কিন্তু অপেক্ষার মন থেমে থাকে সেই নির্দিষ্ট প্রান্তে—যেখানে দেখা হবে, কথা হবে, কিংবা কোনো কাঙ্ক্ষিত ঘটনার আবির্ভাব হবে। “অপেক্ষায় কাটে
আমার একটা নদী ছিল যখন তার ভরা যৌবন উপচে পরতো তখন তার অপরুপ সৌন্দর্য কতইনা মনোরম আর সুন্দর লাগতো সে দৃশ্য ! ভরা নদীতে তখন পাল তুলে কত বড় বড়
রাসুল ( সাঃ) আমার মাথার মুকুট স্মরণ করি তাঁকে , তাঁর নামে আজ ভালবাসি জন্ম ভুমি মা’কে । রাসুল আমার মনের মাঝে যিকির করার শক্তি , রাসুল আমার ইসলামী গান
কপাল যদি পোড়া… তাইতে হয়নি লেখাপড়া। কপাল যদি হয় পোড়া।। অদূরেই ছিল পাঠ্যশাল, দু’চোখ দেখতাম… পাঠ্যশালা…..খোলা, ভুঝ ছিলোন এক তোলা মূর্খ মতিরে বলবি তোরা। কপাল যদি হয় পোড়া।। সে কালে…
এ যে মম জ্ঞানের কপি। তোমার পান্ডুলিপিতে আমার লেখা স্বরলিপি। এযে মম জ্ঞানের কপি।। কথাকলি সবগুলি আমার স্বরচিত স্বপ্ন খচিত রত্ন লংকারের স্বর্ণ রুপি। এ যে মম জ্ঞানের কপি।। তুমি
কোকিল ডাকে ফাগুন মাসে কৃষ্ণ চূড়ার ঢালে , পদ্মা নদীর বুকে দেখ ইলিশ মাছ জালে । ঝিলের জলে পদ্ম ফুটে শাপলা ফুল ভাসে , জোৎস্না রাতে খোকা খুকু মনের সুখে
শ্রাবণে সতেজ নির্মল পরিস্ফুটিত ফুল নাম কাঠ গোলাপ গাছে যখন থাকে কত তার বাহার তুলে এনে মালা গাঁথে প্রয়োজন যাঁহার। নতুন প্রেমে পড়লে তরুন তরুনীরা যায় গাছের তলে, মনপ্রাণ দিয়ে
তুমি তোমার— তুমি গর্ভধারণী, সন্তান জননী, সংসার রমণী। তুমি ঘরের পূর্ণ চাঁদ, তোমার হাসিতে খোলে ভোরের প্রথম প্রভাত, তুমি সংসারে আলোর ঝংকার। তুমি তোমার।। তুমি মাটির মতো ধৈর্যধারী তুমি দীপ্তির
প্রিয় স্যার, আপনাকে জানাই— ভালোবাসার অন্তরের গভীর ঠাঁই, যেখানে স্নেহের আলো জ্বলে আশীর্বাদের অক্ষয় মঙ্গল বলে। আপনার হাসি যেন সকাল বেলার রোদ, চির শান্তির প্রতীক, অটুট অবিচ্ছেদ বন্ধন-চূড়ান্ত ছোঁব, জীবনের
বিস্ময়ে মরি যতটুকু দেখি ভরে মন প্রান , ফুলে ফলে রাখিয়াছ সাজিয়ে তুমি মহামহিয়ান । তোমার সৃষ্টি এ বিশাল ভূবণ করব যে ভোগ মিলে , এবাদত করিব শুধুই তোমার আর