গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলাকে একটি সুপরিকল্পিত ও আধুনিক জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগোচ্ছেন মুকসুদপুর উপজেলা যুবদল নেতা কামরুজ্জামান স্বপন।
তিনি মনে করেন, কেবল অবকাঠামোগত উন্নয়নই নয়, বরং নাগরিকদের দৈনন্দিন সেবাপ্রাপ্তি সহজ ও হয়রানিমুক্ত করাই একটি আধুনিক উপজেলার মূল ভিত্তি। সেই লক্ষ্যে মুকসুদপুরের সার্বিক রূপান্তরে একটি দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা তৈরিতে জোর দিচ্ছেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, মুকসুদপুরের উন্নয়ন সম্ভাবনা অনেক হলেও পরিকল্পিত উদ্যোগের অভাবে এতদিন নাগরিক সুবিধার পূর্ণ বিকাশ ঘটেনি। রাস্তাঘাট সংস্কার, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের মানোন্নয়নের মতো জরুরি খাতগুলোতে যুগোপযোগী পরিবর্তনের দাবি দীর্ঘদিন ধরেই ছিল। এই প্রেক্ষাপটে কামরুজ্জামান স্বপন অবকাঠামোগত কাঠামোর পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানকে সমান প্রাধান্য দিয়ে একযোগে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনিতী থেকে উঠে আসা সম্ভাবনাময়ী এ নেতার উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে রয়েছে শক্ত ঘাটি এবং যুব সমাজে রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। উপজেলা ছাত্রদলের সভপতি কালিন থেকে বর্তমানে উপজেলার রাস্তাঘাটের মোড়ে মোড়ে ও গাছে গাছে চোখ বুলাতেই দেখাযায় তাঁর ব্যানার ফেস্টুন।
কামরুজ্জামান স্বপন বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো মুকসুদপুরের প্রতিটি নাগরিক যেন নিজ দোড়গোড়ায় আধুনিক সুবিধা নিশ্চিতভাবে পায়। উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা যেমন অর্থনৈতিক গতি বৃদ্ধি করবে, তেমনি ডিজিটাল সেবা ও নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি পেলে তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। মুকসুদপুরকে একটি মডেল ও জনবান্ধব উপজেলা হিসেবে দেখতে চাই।”
নাগরিক সমাজ মনে করছে, সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সদিচ্ছা থাকলে মুকসুদপুরের ভৌগোলিক গুরুত্বকে কাজে লাগিয়ে এটিকে উন্নত ও স্বাবলম্বী একটি উপজেলায় রূপান্তর করা সম্ভব। এ জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও তা বাস্তবায়নে আন্তরিক উদ্যোগ।