আর এ লায়ন সরকার নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি: আওয়ামী সরকারের আমলে নির্বাচিত ৩২৩ জন পৌর মেয়রকে অপসারণ করা হয়েছে। রোববার (১৮ আগস্ট) স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪ এর ধারা ৩২(ক) প্রয়োগ করে বাংলাদেশের নিম্নবর্ণিত পৌরসভার মেয়রদের নিজ নিজ পদ হতে অপসারণ করা হলো।
এই অপসারণের ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে তাৎক্ষণিক ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর ও তার দলবল নিয়ে ঘোড়াশাল পৌরসভা দখল করে নেয়, ভিতরে আনন্দ উল্লাস করে মিষ্টি বিতরণ একে অপরে মিষ্টি মুখে তুলে খাওয়াতে থাকেন।
বর্তমান প্রশাসকের চেয়ারে বসে থাকা ভিডিও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।
পৌরসভা দখল হওয়ার খবর মুহূর্তের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়লে ঘোড়াশাল পৌরসভার আশপাশসহ শুরু হয় গুঞ্জন।
অনির্বাচিত ভাবে জোরপূর্বক কিভাবে ঘোড়াশাল পৌরসভা দখল করে নেয় এরকম আলোচনা চায়ের দোকান পাড়া মহল্লাসহ সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌর কর্মচারী বলেন জাহাঙ্গীর চিৎকার করে বলতে থাকেন কাল থেকে আমার সইয়ে এ পৌরসভার সকল কাগজপত্র চলবে।
এ বিষয়ে জানতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও আইসিটি অঞ্জন দাস (বিপিএএ)
মোট ফোনে জানান বিষয়টি শুনেছি তবে দখল নয় তারা অফিসের ভিতরে ঢুকে মিষ্টি বিতরণ ও ছবি তুলেছে, আমি তাৎক্ষণিক খবর পাওয়ার সাথে সাথে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে অফিস তালা লাগিয়ে দিয়েছি।
পলাশ উপজেলা নিবার্হী অফিসা মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ আমাদের প্রতিবেদককে জানান বিষয়টি দখল নয় তারা অফিস খুলে ভিতরে ঢুকেছিল ছবি তুলেছে পরবর্তীতে আমরা পৌর কর্মকর্তার মাধ্যমে অফিস তালা লাগিয়ে দিয়েছি।
ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর জানান আমরা অফিস দখল করিনি আপনার সাথে পরে কথা বলব।