ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া সুবর্ণা শিকদার-কে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
গতকাল (২০ এপ্রিল) দুপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কার্যালয় রাজধানীর নয়া পল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে ৩৬ জনের তালিকা উল্লেখ করে চূড়ান্ত মনোনয়ন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ন মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এই তালিকার ২০ নম্বরে রয়েছেন সুবর্ণা শিকদার (ঠাকুর)। তবে তাকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর নেত্রী হিসেবে দাবি করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
দলীয় সূত্র অনুযায়ী, তিনি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে তালিকা ভুক্ত ছিলেন। ২০২২ সালের সম্মেলনের পর প্রকাশিত কমিটিতেও তার নাম রয়েছে বলে জানা যায়। তবে এ বিষয়ে সুবর্ণা দাবি করেছেন, তার অনুমতি ছাড়াই ওই কমিটিতে নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল এবং তিনি কখনো আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না।
অন্যদিকে, স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার বক্তব্য ভিন্ন। তাদের দাবি, সুবর্ণা দলীয় পদে ছিলেন এবং এখন তা অস্বীকার করা ঠিক নয়। এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবি ও তথ্য ঘিরে বিষয়টি আরও আলোচনায় এসেছে। সুবর্ণ সিকদার (ঠাকুর) গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ওড়াকান্দি ইউনিয়নের শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর বাড়ির পদ্মনাথ ঠাকুরের স্ত্রী।