1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
এলাকার শান্তি বিনষ্টকারী যে দলেরই হোক ছাড় দেওয়া হবে না: হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল উজিরপুরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে মতবিনিময় সভা রাঙামাটিতে বিশেষ অভিযানে ছাত্রলীগ নেতা, মাদক কারবারি ও মাদকসেবীসহ গ্রেপ্তার ১২ কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা পালনের প্রস্তুতি সভা  আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে চাঁদপুরে প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বেতমোর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ সোলাইমান হোসেন পিন্জু ফরাজির মৃত্যু  চরকালেখান ইউনিয়নের উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করতে চান মোশাররফ হোসেন ঢালী দুর্গাপূজায় ড. অরূপ রতন চৌধুরীর ‘জয় মা দুর্গা’ বিনিয়োগ আকর্ষণে ২০ উদ্যোগের ৭টি বাস্তবায়ন, পাইপলাইনে ১৩০ কোটি ডলার মতপার্থক্য ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য: রাষ্ট্রপতি

এক যুদ্ধ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় বহু স্বপ্নের সমাধি হলো মাইলস্টোন ক্যাম্পাসে

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই, ২০২৫
  • ০ দেখেছেন

মানুষ বাঁচে স্বপ্নে। যদি স্বপ্ন না থাকতো তাহলে মানুষ বাঁচতো না। যেদিন পিতা -মাতা হয়ে সেদিন নিজের স্বপ্ন মরে যায় অনেকটাই। তখন স্বপ্ন শুধু সন্তানদের নিয়ে। সেই সন্তানদের স্বপ্ন যখন সমাধি হয় তখন আর বেঁচে থাকেনা। যদিও বেঁচে থাকে সেটা জ্যান্ত মরার মতো।
রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন কলেজে বিমান বিধ্বস্তে বহু স্বপ্নের সমাধি হয়েছে। ঐদিন থেকে শুর করে ২৫ জুলাই পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা ৩২ জন। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৭১ জন। তবে এদের মধ্যে গুরতর আহত ৮ জনের অবস্থা আশংকাজনক। মৃত ৩১ জনের মধ্যে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবক ও চর্তুথ শ্রেনীর কর্মীচারী রয়েছে।
এই কোমলমতি শিশুদের স্বপ্ন ছিল একদিন বড় হয়ে আলোকিত মানুষ হবে। বাবা-মায়ের মুখে হাসি ফুটাবে। দেশের সেবা করবে। কেউ ইন্জিনিয়ারি, কেউ ডাক্তার একেক জনের একেক স্বপ্ন। স্বপ্ন কি শুধু তারাই দেখেছিল? দেখেছিল বাবা-মা, শিক্ষক ও স্বজনরা। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্যই মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ভালো স্কুলে ( মাইলস্টোনে) ভর্তি করেছিল অভিভাবকরা।
বাগানের সব ফুল মালা হতে পারেনা, কিছু ফুল অজরে ঝরে যায়, ঠিক তেমনি মাইলস্টোন ট্রাজেডিতেও হয়েছে। যারা নিহত হয়েছে তাদের যে স্বপ্ন ছিল তা আর পূরন হবে না কোনদিন।
মৃত্যুর সাথে যারা পাঞ্জা লড়ছে তাদেরও কোন নিশ্চিয়তা নেই। আহতদের মধ্যে অনেকই অঙ্গ হারিয়েছে। অনেকই হয়তো বাঁচবে কিন্তু সাধারণআল জীবন-জকাপন করতে আর পাবে না।
মাইলস্টোন কলেজের প্রফেসার মো.আবু ইউসুফ নিজের সন্তান হারিয়ে কেঁদে কেঁদে বলেছেন, আমার ছেলে মেধাবী ছিল, ক্লাসের সবার চেয়ে ভালো ছিল। আমরা তাকে আদর করে আইনস্টাইন বলতাম। তাকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল। সেই স্বপ্ন মুহূর্তেই ধুলিসাৎ হয়ে গেল।এদেশ নিরাপদ নয়, আমরা আর এদেশে থবো্াহর না।
শুধু আবু ইউসুফ নয়, সন্তান হারা প্রত্যেক বাবা-মার কথা ছিল এরকমই। বুকের মানিক হারিয়ে পাগল প্রায় পিতা-মাতারা। এই শিক্ষার্থীরা শুধু আমাদের সন্তান না, দেশের সম্পদ ছিল।
নিহত রাইসা মনির মা বলেন, আমার বিয়ের পর সন্তান হচ্ছিলনা। আল্লাহর কাছে নামাজ রোজা করে, কান্নাকাটি করে বলছিলাম আল্লাহ, আমার ঘরে একটা সন্তান দাও? আমাকে মা বলে ডাকবে। আল্লাহ আমার ডাক কবুল করে ৯ বছর পর রাইসা মনির জন্ম হয়। ঘটনার দিন রাইসা স্কলে যাওয়ার সময় লিপ্টের কাছে ৩ বার আমার দিকে তাকিয়ে গেছে। আর কোনদিন আসবে না। তাকে নিয়ে আমাদের অনেক স্বপ্ন ছিল। কিভাবে পূর্ণ হবে সেই স্বপ্ন। কেউ কি বলতে পারো?
এমননি স্বপ্নের বীজ বুনছিল শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষকরা। সকলেরই বহু স্বপ্ন ছিল, কিভাবে পূর্ণ হবে সেই স্বপ্ন? এই প্রশ্নের নেই কোন উত্তর। নেই সান্ত্বনা দেওয়ার কোন ভাষা।
তবে সান্ত্বনা দেওয়ার মতো এতোটুকই বলা যায়, ওরা নিষ্পাপ, ওরা শহীদ। ওরা জান্তাতি পাখি,ওরা ভালো আছে, ভালো থাকবে।

উল্লেখ্য গত ২১ জুলাই সোমবার দুপুরে রাজধানীর উত্তরা মাইলস্টোন কলেজে ক্যাম্পাসে প্রশিক্ষণরত যুদ্ধ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে মর্মান্তিক দূর্ঘটনা ঘটে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.