বিশেষ প্রতিনিধি: ‘দৈনিক ঘোষণা’ সহ বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকার নিউজের পর প্রশাসনের টনক নড়ল। “সাংবাদিক” নামফলক এর আড়ালে অবৈধ ভাবে চলতে থাকা আলমগীরের ‘ ‘ফোর বি’ ইটভাটা অবশেষে স্থায়ীভাবে বন্ধ করলো জেলা প্রশাসন। ইতিমধ্যে এই ইটভাটার অবৈধ পরিচালনা নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করতে গিয়ে হামলা, মামলার শিকার হয়েছেন সাত জন সংবাদ কর্মী। এ নিয়ে জন মনে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র ক্ষোভ আর ঘৃণা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উঠে এসেছে নানামুখী মন্তব্য। কে এই ‘প্রফুল্ল’! যার ছায়ায় গজিয়ে উঠেছে, বেড়ে উঠছে ‘আলমগীর’র মতো বহু আইন অমান্যকারী!!
খাগড়াছড়িতে সফররত চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা দায়েরকারী সাংবাদিক নামধারী আলমগীরের ‘ফোর বি’ ইটভাটা এবার স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আজ খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে ওই ইটভাটা ভেঙে দেয় এবং স্থায়ীভাবে বন্ধের ব্যানার টানিয়ে দেয়। গত ২০ জানুয়ারি দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানেও ‘ফোর বি’ ইটভাটাকে জরিমানাসহ বন্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু, সাংবাদিক নাম ব্যাবহারকারী ভাটা মালিক আলমগীর কোনো কিছুর তোয়াক্কা করছিলেন না। তিনি জেলা প্রেসক্লাব’র সেক্রেটারি প্রফুল্লর প্রভাব খাটিয়ে মোটা অংকের মাসোহারার ভিত্তিতে ইটভাটা চালু রেখে আসছিলেন। এখন দেখার পালা, প্রশাসন কী ব্যাবস্থা নেয় এই সাংবাদিক হেনস্তার প্রতিবিধানে!
জেলা প্রশাসনের নির্দেশে খাগড়াছড়ি জেলা জুড়েই অবৈধ ইটভাটা বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।