1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
রুহিয়ায় ২২পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির টাকা সহ দুই মাদক কারবারি আটক ডেঙ্গু মহামারী নিয়ন্ত্রণে সরকারের ভূমিকা মোটেও সন্তোষজনক নয়: মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান কালকিনিতে অতিরিক্ত মজুদ ১৪০ বস্তা সার জব্দ, ডিলারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা টঙ্গীতে র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার দেওয়ানগঞ্জের শীর্ষ ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসী ফারুক খান নওগাঁয় ভয়াবহ আগুনে পুড়ল চার পরিবারের ঘরবাড়ি, সর্বস্ব হারিয়ে দিশেহারা ক্ষতিগ্রস্তরা ঘোড়ঘাটে ইঁদুর মারার গ্যাস ট্যাবলেট সেবনে যুবকের মৃত্যু মির্জাপুরে পৃথক অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় মির্জাপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস ও নজরুল বর্ষ-২০২৬ উদযাপন জলঢাকায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত আশুলিয়ায় ভূমিদস্যু তাহের মৃধার বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

আলমডাঙ্গার যে হাটে একদিনেই বিক্রি ২৫০ মোটরসাইকেল

  • আপডেট সময় : শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৭০ দেখেছেন

এম.কামাল.তুহিন, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: সারিবদ্ধ করে বিভিন্ন মডেলের মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন শতশত বিক্রেতা। ক্রেতারা ঘুরে ঘুরে দেখছেন। পছন্দ হলেই দরকষাকষির পর কিনে নিচ্ছেন ক্রেতারা। এভাবেই প্রতি হাটে প্রায় ২০০-২৫০টি মোটরসাইকেল বিক্রি হচ্ছে৷ দেশের অন্যতম বৃহৎ পুরনো মোটরসাইকেলের হাটের চিত্র এটি। দূর দুরান্ত থেকে আসছেন ক্রেতারা।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা পৌর বাস টার্মিনালে অবস্থিত বিশাল জায়গাজুড়ে মোটরসাইকেলের হাট। শুক্রবার জুমার নামাজের আগে থেকেই হাটে মোটরসাইকেল আসা শুরু হয়। দেশের এই বৃহত্তম হাটে বিভিন্ন জেলা থেকে শতশত ক্রেতা-ব্যবসায়ীরা আসছেন। বিভিন্ন মডেলের ৫০-১৫০ সিসির পুরনো মোটরসাইকেল সারি সারিভাবে রেখেছেন বিক্রেতারা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই ক্রেতা-দর্শনার্থীদের জমজমাট শুরু হয়ে যায়। এই হাটে প্রায় ১৫০ এর অধিক ব্যবসায়ী রয়েছেন। তারা পুরনো মোটরসাইকেলগুলো কিনে মোটিফাই করে নিয়ে আসেন। আবার কেউ কেউ নিজের মোটরসাইকেলটি নিজেই নিয়ে এসেছেন। এভাবেই বেলা ২টা থেকে রাত ৭-৮ টা পর্যন্ত চলে পুরনো মোটরসাইকেলের কেনা-বেচা।

হাট কর্তৃপক্ষ সুত্রে জানা গেছে, প্রতি হাটে প্রায় ১১০০-১২০০টি পর্যন্ত মোটরসাইকেল উঠে। মাত্র ৩৫ হাজার টাকা থেকে শুরু করে তিন লাখ টাকা দামের মধ্যে মোটরসাইকেল পাওয়া যায় এ হাটে। প্রতি মোটরসাইকেল বাবদ ৩০ টাকা করে নেয়া হয়। আবার মোটরসাইকেল বিক্রি হলে ক্রেতা-বিক্রেতাকে গুনতে হয় ৭২০ টাকা। ব্যবসায়ী হলে ৫০০ টাকা দিতে হয় হাট কর্তৃপক্ষকে। প্রতি হাটে প্রায় এক থেকে দেড় কোটি টাকার মোটরসাইকেল বিক্রি হয়। ঢাকা, বরিশাল, নওগাঁ সহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এই হাটে আসছেন৷ এখানে কোনভাবেই প্রতারিত হবার সুযোগ নেই। নাম পরিবর্তনসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র খুব সহজেই সম্পন্ন করা হয়। ২০১২ সাল থেকে শুরু হওয়া হাটটি এখন দেশের মধ্যে বৃহৎ।

এদিকে, লাভজনক হওয়ায় পুরনো মোটরসাইকেল ক্রয়-বিক্রয় পেশায় জড়িয়ে পড়েছেন অনেক তরুণরা। এতে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন জায়গা থেকে মোটরসাইকেল ক্রয় করে এই হাটে নিয়ে আসেন বিক্রি করার জন্যে। অনেকে তাদের নিজের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি বিক্রয় করার জন্য অথবা বিক্রি করে অন্য মোটরসাইকেল কেনার উদ্দেশ্য নিয়েও আসেন।

ব্যবসায়ীরা জানান, পুরনো মোটরসাইকেল কেনা-বেচা মোটামুটি লাভজনক একটি পেশা। এ জন্য অনেক তরুণ যুবকরাও এই পেশায় ঝুকছেন। প্রতি হাটে এক একজন ব্যবসায়ীরা প্রায় ১০-১৫টি মোটরসাইকেল নিয়ে আসেন। বিভিন্ন এলাকা থেকে মোটরসাইকেল ক্রয় করেন। এরপর মোডিফাই করে নিয়ে আসেন।

নাঈম হোসেন নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, গত এক বছর যাবত পুরনো মোটরসাইকেলের ব্যবসা করে আসছি এই হাটে৷ আমার মত প্রায় ১৫০ এর বেশি ব্যবসায়ী রয়েছেন৷ এখানে প্রতি হাটে ২০০-৩০০ মোটরসাইকেল বিক্রি হয়। লাভজনক হওয়ায় এই পেশায় অনেকেই আগ্রহ হচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, গাড়ির কাগজপত্রের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নাম পরিবর্তন আমরা নিজেরা মূল মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে করে দিই। আর নতুন মোটরসাইকেল হলে (অন টেস্ট) ক্রেতা নিজেই শোরুমে গিয়ে নিজের করতে পারেন। এখানে কোন ভোগান্তি নেই।

পাশ্ববর্তী জেলা কুষ্টিয়া থেকে হাটে আসা যুবায়ের নামের এক ক্রেতা বলেন, তুলনামূলক কম হওয়ায় হাটে এসেছি। সাধ্যের মধ্যে থাকা একটি মোটরসাইকেলও কিনলাম। কাগজপত্র সবই ঠিকঠাক আছে। কোন ভোগান্তি ছাড়াই মোটরসাইকেল কিনলাম।

হাটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলমগীর চৌধুরী রনি বলেন, এই হাটে ১১’শ থেকে ১২’শ পর্যন্ত বিভিন্ন মডেলের পুরনো মোটরসাইকেল উঠে। এক কোটি টাকায় এই হাট সরকারিভাবে নেয়া৷ দুই লাখ থেকে দুই লাখ ৬০ হাজার টাকা এখানে প্রতি হাটে সরকারি রাজস্ব পায়। ক্রেতা-বিক্রেতাদের উভয়ের সুবিধাটা আমরা দেখি। এখানে কোনভাবেই প্রতারিত হবার সুযোগ নেই।

চুয়াডাঙ্গা চেম্বার অব কমার্স অ্যাণ্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মো. ইয়াকুব হোসেন মালিক বলেন, এই হাটকে কেন্দ্র করে অনেক বেকার যুবকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে৷ এলাকায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কমে এসেছে। এছাড়া চুয়াডাঙ্গার অর্থনীতিতে ভালো প্রভাব পড়ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.