1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
হারিয়ে যাওয়া গ্রামবাংলার ঐতিহ্য: হালুয়াঘাটে এখন আর বাজে না বিয়ের পালকির নতুন সুর চান্দিনায় আদালতের আদেশে অবৈধ দখল উচ্ছেদ, বাদীকে জমি বুঝিয়ে দিল প্রশাসন পূজায় গুজব ও উসকানি নিয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান ময়মনসিংহের এসপি কামরুল হাসান খুলনায় পুর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতাকে গুলি করে হত্যা মানিকগঞ্জের শিবালয়ে তালিমুল কুরআন বিভাগের প্রশিক্ষণ কর্মশালা নৈতিক অবক্ষয় ও অপরাধ প্রবণতা রোধে সামাজিক উদ্যোগ অপরিহার্য: ছাতকের ইউএনও সাংবাদিক আসাদ সবুজের জামিন শুনানি ৬ অক্টোবর ‘পুজো পুজো গন্ধ লেগেছে’ মণিরামপুরে সকল দুর্গাপূজা মন্দির সেজে উঠেছে দেবহাটায় পোল্ট্রি খামারে হামলা-লুটের মামলায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ডিএনসিসিতে নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ এর “বদলি”, ১৬ দিনের মাথায় পুনর্বহাল নেপথ্যে কি 

গাজীপুরে প্রধান শিক্ষকের নৃশংসতা,সহকারী শিক্ষককে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

  • আপডেট সময় : বুধবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৮২ দেখেছেন

মোঃ সোহরাব উদ্দিন মন্ডল, গাজীপুর: গাজীপুরের কাশিমপুরে বারেন্ডা সবুজ কানন স্কুল এন্ড কলেজের সাবেক এক সহকারী শিক্ষককে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মনোয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধে।   মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন ৩নং ওয়ার্ডের বারেন্ডা এলাকায় অবস্থিত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোঃ আবু ইউসুফ (বাঁধন) নামের ব্যক্তি দীর্ঘদিন যাবত সহকারী শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।তার বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি থানার গোপালপুর গ্রামে।শিক্ষক বাঁধনের পিতা- মোঃ খোদাবক্স শেখ ও মাতা-মোছাঃ মরিয়ম খাতুন।গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে শিক্ষক বাঁধনের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের বাইরে ছাত্রীর সাথে দেখা করা,প্রতিষ্ঠানের ছাত্রীর ফেইক ফেসবুক একাউন্টে বার্তা আদান-প্রদান করার অভিযোগ তুলে নানা ভাবে চাপ প্রয়োগ করে প্রধান শিক্ষক মনোয়ারুল ইসলাম।এরপর ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ইং তারিখে শিক্ষক বাঁধন স্বেচ্ছায় প্রতিষ্ঠান থেকে নিজ দায়িত্ব থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। পরবর্তীতে তারা ভাড়া বাসার পাশেই একটি দোকান রুম ভাড়া নিয়ে সেখানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের স্বাধীনভাবে শিক্ষা দিয়ে আসছিলেন শিক্ষক বাধন।এতে শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার আশংকায় ক্ষিপ্ত হয়ে প্রধান শিক্ষক মনোয়ারুল রবিবার (১২ জানুয়ারি) মামুন হোসেন,আরমান হোসেন নামের আরও দুই শিক্ষকসহ প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন ছাত্রকে দিয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষক বাঁধনকে তার ভাড়া বাসা থেকে রাত আনুমানিক ৯টার সময় ডেকে আনেন।এরপর উক্ত প্রতিষ্ঠানের ভিতরে জোরপূর্বক টানাহেঁচড়া করে নিয়ে সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত অন্যান্য ছাত্র ও বহিরাগত কিছু লোক সংগবদ্ধ হয়ে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাঠিসোটা দিয়ে শিক্ষক বাঁধনকে মারতে থাকেন।এক পর্যায়ে তিনি অজ্ঞান হয়ে পরেন।কিছুক্ষন পর জ্ঞান ফিরলে নির্যাতনকারীরা আবারও তাকে এলোপাতাড়িভাবে মারতে থাকেন।এরপর জোরপূর্বক নানাবিষয়ে স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করার চেষ্টা করেন।এক পর্যায়ে শিক্ষক বাঁধনের কাছ থেকে একটি সাদা কাগজে অঙ্গীকারনামা লিখে নিয়ে তাতে স্বাক্ষর করতে বলেন।এতে ভয় ও আতংকে শিক্ষক বাধন অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষরও করেন।পরে তাকে কয়েকজন ধরে নিয়ে তার ভাড়া বাসায় দিয়ে আসে। আহত শিক্ষক বাধন আহত অবস্থায় পরের দিন গাজীপুরের শহীদ তাজ উদ্দিন মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা গ্রহন এবং কাশিমপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগে বারেন্ডা সবুজ কানন স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মনোয়ারুলসহ ঘটনায় জড়িত কয়েকজনের নাম উল্লেখসহ বাকিদের অজ্ঞাত দেখানো হয়। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী শিক্ষক মোঃ আবু ইউসুফ বাঁধন দৈনিক ঘোষণা কে বলেন,” আমার পড়াশোনার পদ্ধতি বেশিরভাগ শিক্ষার্থীদের ভাল লাগায় আমার কাছে অনেকেই প্রাইভেট পড়তে আসে।আর এতেই হিংসার বশবতী হয়ে প্রথমে আমাকে প্রতিষ্ঠান থেকে বের দেয়ার চেষ্টা করে।পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠান থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিয়ে স্বাধীনভাবে শিক্ষাদান করায় বারেন্ডা সবুজ কানন স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও অন্যান্য কয়েকজন শিক্ষকগণ কয়েকজন ছাত্রকে উস্কে দিয়ে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানে নিয়ে বৈদ্যুতিক বাতি নিভিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়।আমি আমার উপর এমন নৃশংসতার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।” ঘটনার ব্যাপারে জানতে চাইলে উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মনোয়ারুল ইসলাম বলেন,”আমাদের সাবেক শিক্ষক বাঁধনের ব্যাপারে নানাবিধ অভিযোগ আসায় তাকে প্রতিষ্ঠানে ডেকে এনে স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা করা হয়েছে।এতে উপস্থিত কয়েকজন শিক্ষক ও ছাত্র এবং বহিরাগতরা তাকে মারধর করে।কিন্তু আমি তাকে কোনভাবে আঘাত করি নি।” ঘটনার সময় বাসা থেকে ডেকে আনা শিক্ষক মামুন বলেন,”নানা কারণে তার প্রতি আমরা ক্ষুব্ধ ছিলাম।এতে করে সেদিন রাতে স্বীকারোক্তি আদায় করতে গিয়ে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গেছে।এজন্য আমরা দুঃখিত।আমরা বাঁধনকে খোজে মিমাংসার চেষ্টা করছি।” এ ব্যাপারে অনুসন্ধানে সাংবাদিকেরা গেলে উক্ত প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুন্ন হওয়ার দোহায় দিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করতে অনুরোধ জানান প্রধান শিক্ষক মনোয়ারুল ইসলামের আত্মীয় ও একটি বড় রাজনৈতিক দলের থানা পর্যায়ের এক নেতা।সেই নেতা বলেন,আপোষ-মিমাংসার চেষ্টা চলছে,এমতাবস্থায় সংবাদ প্রকাশ করলে প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি হবে। এ ব্যাপারে কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী একটি অভিযোগ দিয়েছেন।আমরা এ ব্যাপারে তদন্ত করছি।অভিযুক্ত ব্যক্তি যতই ক্ষমতাধর হোকনা কেন প্রমাণ স্বাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা অবশ্যই নেয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.