1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
নাগরপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত দুর্গাপূজায় নিরাপত্তায় কঠোর নেত্রকোণা প্রশাসন অধ্যক্ষের পদায়ন বাতিল ঘিরে পূর্বধলা সরকারি কলেজে উত্তেজনা, রাতে কম্পিউটার সেকশনে আগুন ঘরের মেঝে-আলমারিতে ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ পণ্যের স্তূপ, গ্রেপ্তার মূলহোতা’র ভাই জামালপুরে জমি লিখে না দেওয়ায় দাদিকে পিটিয়ে আহত : নাতির বিরুদ্ধে থানায় আভিযোগ ফুলবাড়ীতে বাক্‌প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, যুবক আটক নলডাঙ্গা আযান দেয়া অবস্থায় মোয়াজ্জেমকে ছুরিকাঘাত মা ইলিশ সংরক্ষণে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা বগুড়া নার্সিং কলেজে নবীন বরণ অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়া সদরে সারের কৃত্রিম সংকট: ডিলারের কালোবাজারিতে দিশেহারা সাব-ডিলার ও কৃষক

বগুড়ায় কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রায় ২ কোটি টাকা আত্নসাতের অভিযোগ

  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৪৯ দেখেছেন
এস.এম.জয়, বগুড়া : বগুড়ার সারিয়াকান্দির গণক পাড়া কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হুমায়ূন কবির মিল্টনের বিরুদ্ধে প্রায় দুই কোটি টাকা আত্নসাৎ, শিক্ষক নিয়োগ বানিজ্য, উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ, অবৈধ কমিটি তৈরি, কলেজের জায়গায় দোকান ঘর বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ সহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে ।
১৭ই নভেম্ব) এ-সকল অভিযোগ ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কলেজ প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ ও কলেজে তালা ঝুলিয়ে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হুমায়ূন কবির মিল্টনকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করে শিক্ষার্থী ও স্থানীয় এলাকাবাসী।
 ৫ই সেপ্টেম্বর নাদির শাহ নামে এক ব্যাক্তি এসকল বিষয় উল্লেখ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর এক অভিযোগ পত্র জমা দেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অধ্যক্ষ হুমায়ূন কবির মিল্টন দীর্ঘ ২০১৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় পাচ বছর যাবৎ আওয়ামী রাজনৈতিক ক্ষমতা বলে একই পদে বহাল আছেন। আর সেই ক্ষমতা বলেই অধ্যক্ষ পদপ্রার্থী অন্তত নয় জন শিক্ষককে পেছনে ফেলে মাস্টার্স পরীক্ষায় দ্বিতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ হবেন শর্তে পদায়ন হলেও পরবর্তীতে তিনি উত্তীর্ণ হতে পারেননি। তবুও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পদে বহাল আছেন।
দিনের পর দিন কলেজের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা বাবদ কলেজের ব্যাংক একাউন্ট থেকে আত্মসাৎ করেছেন নগদ ৩৮ হাজার টাকা। এছাড়া কলেজের উন্নয়ন, শিক্ষকদের টিউশন ফি বাবদ যে টাকা বরাদ্য আসে বছরে সে বরাদ্যের টাকাও গেল পাচ বছরে কোন শিক্ষক পাননি বলে অভিযোগ সূত্রে জানা যায়।
কোন ধরনের বিজ্ঞপ্তি ও কমিটি ছাড়াই টাকার বিনিময়ে পাচ জন শিক্ষক খাইরুল বাসার, হিরা আকতার (অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার), আবু সাঈদ (ল্যাব সহকারী, পদার্থ বিজ্ঞান), খোরশেদ আলম (ল্যাব সহকারী, জীব বিজ্ঞান), মেহেদী হাসান (ল্যাব সহকারী, রসায়ন) পদে নিয়োগ দিয়েছেন।
এছাড়া কলেজের এফডিআর একাউন্ট থেকে নগদ এক লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও আছে তার বিরুদ্ধে। এভাবে গত পাচ বছরে অন্তত এক কোটি ৯৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
সকল অভিযোগের প্রেক্ষিতে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হুমায়ূন কবির মিল্টনের সাথে যোগাযোগ করে হলে, তিনি সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং অর্থ আত্মসাতের বিষয়গুলো বর্তমান শিক্ষকদের উপর চাপিয়ে দেন। এছাড়া একই পদে বহাল থাকার বিষয়টি তিনি রাজনৈতিক ছত্রছাড়ায় থেকে দীর্ঘদিন পদে বহাল ছিলেন বলে উল্লেখ করেন। বিষয়গুলো নিশ্চিত করেছে কলেজে চাকুরিরত একাধিক শিক্ষক ও এলাকাবাসী।
গণক পাড়া কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে যাবতীয় অভিযোগ তদন্ত ও পর্যালোচনা করেন বগুড়া জেলা শিক্ষা অফিসার মো: হযরত আলী। তার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে কলেজে গিয়ে আমি তদন্ত করেছি। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর পক্ষে বিপক্ষের সকল তথ্য সংগ্রহ করে আঞ্চলিক পরিচালক স্যার বিশ্বজিৎ ব্যানার্জীর কাছে হস্তান্তর করেছি।
তবে যাবতীয় অভিযোগ পর্যালোচনা করে প্রাথমিকভাবে তিনি দোষী কি না তা জেলা শিক্ষা অফিসার মো: হযরত আলী জানাতে অস্বীকার করেন।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা রাজশাহী অঞ্চলের তৎকালীন পরিচালক বিশ্বজিৎ ব্যানার্জীর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি থাকাকালীন সময়ে কোন অভিযোগ পাইনি। বিষয়টি আমার জানা নাই।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.