প্রেমের বিয়ে, এক মাসেই রক্তাক্ত সমাপ্তি: স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটার অভিযোগ উঠে স্ত্রী বিরুদ্ধে
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার মানিকদহ ইউনিয়নের ব্রাহ্মণকান্দা এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী কর্তৃক স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি সোমবার (২৯ জুন) ভোরে ঘটে।
আহত ব্যক্তি মো. হানিফ শেখ (৩৪), পিতা মো. রফিউদ্দিন শেখ, উপজেলার মানিকদহ ইউনিয়নের ব্রাহ্মণকান্দা গ্রামের বাসিন্দা। অভিযুক্ত তার দ্বিতীয় স্ত্রী সুমাইয়া (২১), পিতা নুরুল ইসলাম শেখ, নগরকান্দা উপজেলার ফুলসুতি গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রেমের সম্পর্কের পর গত ২৯ মে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তারা ভাঙ্গা পৌরসভার হুগরাডাঙ্গী সদরদী এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। হানিফ শেখের আগের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। অন্যদিকে সুমাইয়ার আগের সংসারে একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
সুমাইয়ার দাবি, বিয়ের সময় তার কাছ থেকে প্রায় ৮ লাখ টাকা ও ৫ ভরি স্বর্ণালংকার দিয়েছিল। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ চলছিল এবং তিনি মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন।
সোমবার ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে পারিবারিক কলহের একপর্যায়ে ঘুমন্ত অবস্থায় সুমাইয়া ধারালো ব্লেড দিয়ে স্বামী হানিফ শেখের পুরুষাঙ্গ কেটে দেন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঘটনার পর সুমাইয়া পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় জনতা তাকে একটি কক্ষে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে থানায় নিয়ে আসে।
মো. হানিফ শেখে বাবা
মোঃ রফিউদ্দিন শেখ,এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি জানান এ বিষয়ে আমি কিছু জানি নাএবং খবর পেয়ে আসি।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।