মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চকমিরপুর ইউনিয়নের আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে দিনরাত গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন সাবেক যুবদল নেতা মোঃ আব্দুল রহিম। ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে ও হাট-বাজারে সর্বস্তরের মানুষের কাছে গিয়ে প্রবীণদের দোয়া এবং তরুণদের সমর্থন কামনা করছেন তিনি।
দীর্ঘদিন দৌলতপুর উপজেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন মোঃ আব্দুল রহিম। বিগত সরকারের সময় রাজপথের সক্রিয় নেতা হিসেবে দলের দুর্দিনে শক্ত হাতে হাল ধরেন তিনি। আন্দোলন-সংগ্রাম করতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক হয়রানি, জেল-জুলুম এবং দুটি মিথ্যা নাশকতার মামলার মুখোমুখি হলেও তাকে রাজপথ থেকে সরানো যায়নি। সকল প্রতিকূলতার মাঝেও দলের আদর্শ ধরে রেখে নেতাকর্মীদের পাশে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।
প্রচার-প্রচারণাকালে নিজের ভবিষ্যৎ পরিক্লপনার কথা জানিয়ে এই প্রার্থী জানান, চকমিরপুর ইউনিয়নকে একটি দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক ‘রোল মডেল’ হিসেবে গড়ে তোলাই তার প্রধান লক্ষ্য। ইউনিয়নের অবহেলিত রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন সম্পন্ন করার পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদকে সাধারণ মানুষের জন্য একটি সহজ ও দুর্নীতিমুক্ত সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
একই সাথে যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান তিনি। নির্বাচিত হলে চকমিরপুর ইউনিয়নে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হবে এবং মাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন। তরুণ প্রজন্মকে মাদকের হাত থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড চর্চার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন এই নেতা।
খেটে খাওয়া ও সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার অঙ্গীকার জানিয়ে মোঃ আব্দুল রহিম বলেন, এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে তিনি সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত। অবহেলিত এ জনপদের প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং চকমিরপুরকে একটি আধুনিক ও নিরাপদ ইউনিয়ন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চান তিনি।
এদিকে নির্বাচনকে ঘিরে চকমিরপুর ইউনিয়নের হাট-বাজার ও পাড়া-মহল্লায় সাধারণ ভোটারদের মাঝেও ব্যাপক উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। রাজপথের এই ত্যাগী ও আপসহীন নেতার গণসংযোগে সাধারণ মানুষ ও তরুণ সমাজের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।