বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সরকারি গৈলা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের লক্ষ্যে গঠিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ৫ সদস্যের একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ১৩ জুন রাত ৯টায় অনুষ্ঠিত এক অনলাইন সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যাচের বিপুল সংখ্যক সিনিয়র ও জুনিয়র প্রাক্তন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ধারাবাহিক কয়েকটি অনলাইন সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসব সভায় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ভবিষ্যৎ কাঠামো, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। চূড়ান্ত সভাটি সঞ্চালনা করেন ২০১০ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মো. শহিদুল ইসলাম।
সভায় উপস্থিত প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মতামতের ভিত্তিতে সংগঠনের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া এবং একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তি তৈরির লক্ষ্যে ৫ সদস্যের আহ্বায়ক দল গঠন করা হয়। মনোনীত আহ্বায়করা হলেন ১৯৯৩ ব্যাচের মো. মিলন খান, ১৯৯৫ ব্যাচের আহাদুল ইসলাম, ২০১০ ব্যাচের মো. শহিদুল ইসলাম, ২০১৪ ব্যাচের মো. তানজিম খান এবং ২০১৭ ব্যাচের রিফাত হোসেন।
সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী তিন মাসের মধ্যে আহ্বায়করা ১৯৯০ থেকে ২০২৬ সালের বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করবেন। এ কমিটিতে সকল ব্যাচের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
পরবর্তীতে গঠিত পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের গঠনতন্ত্র প্রণয়ন, কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ, সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা এবং সংগঠনের সার্বিক সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক বিষয়াদি চূড়ান্ত করবে।
এছাড়া ১৯৯০ সালের পূর্ববর্তী ব্যাচের সিনিয়র প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শের ভিত্তিতে সংগঠনের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলে সভায় আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
সভায় অংশগ্রহণকারী প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা নবমনোনীত আহ্বায়কদের প্রতি পূর্ণ আস্থা ও সমর্থন জানান। একই সঙ্গে সরকারি গৈলা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থীকে একটি ঐক্যবদ্ধ, কার্যকর ও কল্যাণমুখী প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, নবগঠিত আহ্বায়ক দলের নেতৃত্বে শিগগিরই একটি পূর্ণাঙ্গ ও সুসংগঠিত অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠিত হবে, যা বিদ্যালয়, প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।