সিলেট কোম্পানীগঞ্জের বরম ছড়া ধুপড়ির খালে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও লুটপাট বানিজ্য চলছে। সরেজমিনে গিয়ে ও প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা যায়, নেতৃত্ব দিচ্ছেন গাছগর গ্রামের বর্তমান মেম্বার আবুল বাশার, যুবদলের আবুল কাশেম ধুপড়ির পার। বতুমারা গ্রামের মাসুক মিয়া, আব্দুল মুতলিব, জামিল মিয়া, ইউসুফ আলী, জুয়েল মিয়া, আনসার আলী, ইসমাইল আলী, দুলাল মিয়া, সাহেল মিয়া, আব্দুল হান্নান, শহীদ মিয়া, নুরুল আমিন মেম্বার, আজাদ মিয়া, জালাল মিয়া, তৈয়্যব মিয়া প্রমুখ। এখানে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা রহস্যময় কারণ, প্রকাশ্য দিবালোকে দিনের আলোয় ছোট্ট নদী বরম ছড়া থেকে বালু উত্তোলন ও লুটপাট বানিজ্য করে যাচ্ছেন।
স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ বালু উত্তোলনের ফলে বর্ষা মৌসুমে নদীর পাড় ভেঙে নদীতে তলিয়ে যাবে এবং চাষের যোগ্য দু ফসলা আমন ও বোরো ধানের জমিও রয়েছে। এমনকি নদীর পাড়ে বসবাসকারী মানুষের ঘরবাড়ি, মসজিদ, সরকারি রাস্তাঘাট, স্থানীয় ধুপড়ির পার বাজার ও রয়েছে। বতুমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিণ দিক থেকে তোলা বালুর বিশাল মওজুদ রয়েছে ও বালু বিক্রয় করা হচ্ছে। বাড়িঘর নির্মাণ বসতভিটা করার কৌশল করে এসব বিশাল আকারের বালুর মওজুদ করেছে। মূলত এসব বাণিজ্যিক ভাবে বিক্রি করার জন্য এই সিন্ডিকেট সক্রিয় বালুখেকো চক্রের তান্ডবে অসহায় বরম ছড়া নদীর তীরবর্তী জনসাধারণ। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এসব বন্ধ না হলে ব্যাপক ভাবে ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে এবং পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়বে।
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ভূমি সহকারী কমিশনার পলাশ তালুকদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন পরিবেশের জন্য হুমকি। বালুখেকো সিন্ডিকেট বন্ধে শীগগির-ই অভিযান পরিচালনা করা হবে। আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং বালু উত্তোলনে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এবং গাছগর এলাকায় তুলা অবৈধভাবে মওজুদকৃত সকল বালু জব্দ করা হবে।