লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ছুরিকাঘাতে ৩ নম্বর ভাদুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জহিরুল হক গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি সাবেক প্রতিমন্ত্রী মরহুম জিয়াউল হক জিয়ার ভাতিজা। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজু নামে এক যুবক তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ১১টার দিকে উপজেলার কেথুড়ী বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, এর আগে রাত ১০টার দিকে কেথুড়ী বাজার এলাকা থেকে ফজলে রাব্বী নামে এক ব্যক্তি ও তার এক সহযোগীকে ইয়াবাসহ আটক করে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে পুলিশের কাছে সাক্ষ্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে জাহাঙ্গীরের বড় ছেলে রানার সঙ্গে জহিরুল হকের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে রাজু ঘটনাস্থলে এসে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জহিরুল হকের বুকে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে পালিয়ে যান।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা জহিরুল হককে উদ্ধার করে প্রথমে রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত রাজু দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তিনি কেথুড়ী বাজারের ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীরের ছেলে এবং রানার ছোট ভাই। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা তার পরিবারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর স্থানীয় বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির নেতারা হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে হামলাকারী ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, “জহিরুল হকের ওপর হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের হয়নি। তবে হামলাকারী ও সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।”
তিনি আরও বলেন, “জনতার হাতে আটক হয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ হওয়া দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।”
ছবির ক্যাপশন: রামগঞ্জে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত বিএনপি নেতা মোহাম্মদ জহিরুল হক।
এই সংস্করণটি জাতীয় দৈনিকের প্রতিবেদনেজর ধাঁচে লেখা হয়েছে—লিড, তথ্যের ক্রম, ভাষা ও উদ্ধৃতি আরও সংবাদধর্মী রাখা হয়েছে। তবে “বুকে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত” অংশটি কেবল তখনই রাখুন, যদি সেটি নিশ্চিতভাবে জানা থাকে; না হলে “শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত” বা শুধু “ছুরিকাঘাত” লিখে দেওয়াই যথাযথ।