– সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে গত কয়েক মাস ধরে আবেদনকারীদের মাঝে সন্তোষজনক সেবা প্রদান করা হচ্ছে। অনেক আবেদনকারী তাঁদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে জানিয়েছেন, পাসপোর্ট অফিসের কর্মচারীরা অত্যন্ত সদালাপী এবং দ্রুত সেবা প্রদান করছেন। এই কারণে তাদের পাসপোর্ট পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ হয়ে যাচ্ছে, যা সাধারণ নাগরিকদের জন্য একটি ইতিবাচক পরিবর্তন।
পাসপোর্ট অফিসে সেবার মান সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, ১০১ নম্বর পাসপোর্ট ডেলিভারির কক্ষে দায়িত্বে রয়েছেন তিনি বলেন, “আমি যতটুকু সম্ভব ভালো সেবা দিতে চেষ্টা করছি। যারা বৃদ্ধ ও অসুস্থ, তাদের জন্য বিশেষ সুবিধা প্রদান করছি।”
১০২ নম্বর কক্ষে পাসপোর্ট আবেদন জমার দায়িত্বে আছেন তারা জানান, “আমরা আবেদন জমা দেওয়ার সময় সবগুলো তথ্য খুব ভালো করে যাচাই-বাছাই করে জমা নিচ্ছি। যদি সন্দেহমূলক কিছু দেখিনা, তাহলে আমরা অফিসের সহকারী পরিচালক কিংবা উপ-পরিচালক স্যারের কাছে যাচাইয়ের জন্য পাঠাই। বৃদ্ধ ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ও অসুস্থ মহিলাদের জন্য আলাদা সেবা প্রদান করি।”
বায়োমেট্রিক ও ছবিতোলা ১০৩ নম্বর কক্ষে এবং ১০৪ নম্বর কক্ষে নেওয়া হয়। অসুস্থ মহিলা বা বৃদ্ধাদের জন্য আলাদাভাবে সহযোগিতা করা হয় বায়োমেট্রিক ও ছবি তোলা।
২০১ নম্বর কক্ষের সহকারী -পরিচালক বলেন, “আমরা যতটুকু সম্ভব ভালো সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। পাসপোর্ট আবদনে কিছু জটিল বিষয় দেখা দেয়, যেমন এক সন্তানের সঙ্গে অন্য সন্তানের ফিঙ্গার মিল, অথবা গোপন তথ্য দিয়ে নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন—এ ধরনের বিষয়গুলো আমি যাচাই-বাছাই করে সমাধান করি।” তিনি আরও জানান, “আমার অফিসের গেইটের সামনে বলেছি, যদি কোনো ব্যক্তিকে সন্দেহ হয়, তাহলে ধরে আমার কাছে নিয়ে আসার জন্য। আবেদনকারী ছাড়া অন্য কাউকে অফিসে ঢুকতে দেওয়া হয় না।”
আবেদনকারীদের মতে, সেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা এবং দ্রুততার জন্য তারা বিশেষভাবে প্রশংসা করছেন। একাধিক ব্যক্তি মন্তব্য করেছেন, “পাসপোর্ট অফিসে আসার পর আমাদের মনে হয়েছে যেন আমরা একটি পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশে আছি। কর্মচারীরা আমাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে সদা প্রস্তুত এবং তাদের সহযোগিতা সত্যিই প্রশংসনীয়।”
নাগরিক সেবার ক্ষেত্রে সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসকে একটি মডেল হিসেবে তুলে ধরছে।