প্রিপেইড মিটারে অতিরিক্ত ও লুকানো চার্জ কর্তন, ব্যালেন্স দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়া, রিচার্জে জটিলতা এবং মিটার ক্রয়ে ও টেম্পারিংয়ে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে গ্রাহকদের আর্থিক ক্ষতি ও নানা হয়রানির শিকার হওয়ার খবর নিয়মিত গণমাধ্যমে উঠে আসে।
প্রিপেইড মিটারের প্রধান অনিয়ম ও সমস্যা হলো আর্থিক অনিম ও চার্জ কাটামিটার ভাড়া ও চার্জ সরকারি ঘোষণা বা অব্যাহতির আলোচনা সত্ত্বেও বাস্তবে অনেক সময় প্রতি মাসে মিটার ভাড়া, ডিমান্ড চার্জ ও ভ্যাট নিয়মিত কেটে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।এছাড়া অতিরিক্ত কর্তন: বিইআরসি (BERC)-এর নির্ধারিত নিয়মের বাইরে বিভিন্ন অজুহাতে গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে অতিরিক্ত অর্থ কেটে নেওয়া হয়।জরুরি ব্যালেন্স শেষ হওয়া কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই খুব দ্রুত ব্যালেন্স শেষ হয়ে যাওয়া এবং ছুটির দিনে বা রাতে রিচার্জ শেষ হলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার সংকট তৈরি হয়।কারিগরি ও সেবামূলক সমস্যাডিজিটাল ও কোডের জটিলতায় রিচার্জ কোড বা টোকেন ইনপুট দিতে গিয়ে ভুল হলে বা মিটার লক হয়ে গেলে তা আনলক করতে গ্রাহকদের ভোগান্তি পোহাতে হয়।মিটারের ত্রুটি: অনেক মিটারে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচ দেখানোর কারিগরি ত্রুটি বা সেন্সর সমস্যা দেখা দেয়।এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করলে কর্তৃপক্ষ জানান এটা সার্ভার সমস্যা স্যার আমাদের কিছু করার নাই। কিছুদিন পূর্বে আমি বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করার পরে ব্যালেন্স দেখিয়েছে ১৪৪ টাকা আমার অ্যাকাউন্টে জমা আছে কিন্তু পরের দিন সকাল বেলা আমি দেখতে পেলাম আমার ১৪৪ টাকা কেটে পুনরায় আমার নিকট ২৪৫ টাকা ৬৩ পয়সা বকে হয়েছে প্রশ্ন হল একরাত্রে অর্থাৎ ২৪ ঘন্টায় ৩৮৬ টাকা আমার বিল কেটে নিয়েছে আমি বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরে আমাকে উত্তর দিয়েছে এটা সার্ভার সমস্যা আমাদের কিছু করার নেই এভাবেই গ্রাহকদের কাছ থেকে বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলো সার্ভার সমস্যার দোহাই দিয়ে হাজার কোটি টাকা গ্রাফদের অজান্তেই নিয়ে যাচ্ছে এ ব্যাপারে সরকারের কোন পদক্ষেপ নেই বললেই চলে।
এরপর হল প্রশাসনিক ও ক্রয় দুর্নীতিকেনাকাটায় অনিয়ম: স্মার্ট প্রিপেইড মিটার আমদানিপূর্বক কেনাকাটা এবং টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদক কর্তৃক অভিযান পরিচালনার ঘটনাও রয়েছে। অতিরিক্ত চার্জের বিষয়ে সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে গ্রাহকদের সচেতনতা এবং বিদ্যুৎ বিভাগের নজরদারি বাড়ানোর মাধ্যমে এসব অনিয়ম রোধ করা সম্ভব।