1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. backupadmin@wordpress.com : backupadmin :
  3. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  4. system@openreplay.com : wp-backup :
গাজা পুনর্গঠনে কয়েক প্রজন্ম লেগে যাবে: জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
উন্নয়নের অঙ্গীকার নিয়ে ২নং কাশিরাম বেলপুকুরে মাঠে আরজু আরা মসলিম পরিচয়ে প্রেমের ফাঁদ, জলঢাকার কাঞ্চন রায়ের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ দুর্গাপুরে ভারতীয় মদসহ দুই যুবক আটক রুহুল কবির রিজভীকে বগুড়া জেলা বিএনপির ফুলেল শুভেচ্ছা মোঃ আইয়ুব আলীকে ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী আদালতের রায় অমান্য করে নির্মাণকাজ, লালমাইয়ে বিরোধীয় জমিতে ছাদ ঢালাইয়ের অভিযোগ ভূল্লীতে প্রকাশ্যে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ২০ দিনের কারাদণ্ড বেতাগীতে বসতঘর থেকে ১৭ বছরের কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার বকশীগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা ও চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটির মাসিক সভা কালকিনির ইউএনও’র সঙ্গে ডি.কে ব্লাড ডোনার্স ক্লাবের সৌজন্য সাক্ষাৎ

গাজা পুনর্গঠনে কয়েক প্রজন্ম লেগে যাবে: জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ

– দীর্ঘ যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপে উত্তর গাজা, জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞের সতর্কবার্তা

reporter ঘোষণা ডেস্ক
calendar প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর, ২০২৫, ২:১৮ অপরাহ্ণ

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর উত্তর গাজার বাস্তুচ্যুত বাসিন্দারা নিজ এলাকায় ফিরতে শুরু করেছে। টানা দুই বছর ধরে ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে তাদের ঘরবাড়ি ও আশপাশের এলাকা একেবারে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে জাতিসংঘের আবাসন অধিকারবিষয়ক বিশেষ র‍্যাপোর্টিয়ার বালাকৃষ্ণ রাজাগোপাল বলেছেন, ইসরায়েলকে অবিলম্বে গাজায় তাঁবু ও অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র (ক্যারাভান) পাঠানোর অনুমতি দিতে হবে। তাঁর মতে, উত্তর গাজার যেসব অঞ্চল থেকে ইসরায়েলি সেনারা সরে গেছে, সেখানে ফিরে ফিলিস্তিনিরা ধ্বংসস্তূপ ছাড়া কিছুই পাচ্ছেন না।

শনিবার (১১ অক্টোবর) আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাজাগোপাল বলেন,

“(যুদ্ধের) মানসিক আঘাতের মাত্রা ভয়াবহ। উত্তর গাজায় ফিরে আসা মানুষদের মধ্যেই তা স্পষ্ট।”

ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে গত শুক্রবার ইসরায়েলি বাহিনী গাজার বিভিন্ন এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু করার পর থেকেই লাখো ফিলিস্তিনি নিজ এলাকায় ফিরতে শুরু করেছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর শুরু হওয়া এ যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৬৭ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। জাতিসংঘের তথ্যমতে, গাজার ৯২ শতাংশ আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে।

রাজাগোপাল জানান, চলতি বছরের শুরুতে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির সময় গাজায় তাঁবু ও অস্থায়ী আশ্রয় পাঠানোর কথা থাকলেও, ইসরায়েলের কঠোর অবরোধের কারণে কিছুই প্রবেশ করতে পারেনি। তাঁর মতে, গাজার প্রবেশপথগুলোর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ইসরায়েল না ছাড়া পর্যন্ত প্রকৃত সহায়তা সম্ভব নয়।

তিনি ‘ডোমিসাইড (Domicide)’ শব্দটি ব্যবহার করে গাজাজুড়ে ঘরবাড়ি ধ্বংসের ঘটনাকে বর্ণনা করেন। যার অর্থ, গণহারে মানুষের বসতবাড়ি ধ্বংস করে তাদের বাস্তুচ্যুত করা। রাজাগোপালের মতে, এটি ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের জাতিহত্যার প্রধান উপাদানগুলোর একটি।
তিনি বলেন,

“মানুষকে উচ্ছেদ করে একটি অঞ্চলকে বসবাসের অযোগ্য করে তোলা জাতিহত্যার মূল বৈশিষ্ট্য।”

রাজাগোপাল আরও সতর্ক করেন, গাজার পুনর্গঠন সম্পন্ন হতে কয়েক প্রজন্ম সময় লাগবে। তিনি ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার সময় ফিলিস্তিনিদের ওপর চালানো নিধনের ঘটনাকে স্মরণ করে বলেন,

“গত দুই বছরে যা ঘটেছে, তা যেন আরেকটি নাকবা (মহাবিপর্যয়)-এর পুনরাবৃত্তি।”

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com