1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. backupadmin@wordpress.com : backupadmin :
  3. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  4. system@openreplay.com : wp-backup :
আদালতের রায় অমান্য করে নির্মাণকাজ, লালমাইয়ে বিরোধীয় জমিতে ছাদ ঢালাইয়ের অভিযোগ - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
মোঃ আইয়ুব আলীকে ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী আদালতের রায় অমান্য করে নির্মাণকাজ, লালমাইয়ে বিরোধীয় জমিতে ছাদ ঢালাইয়ের অভিযোগ ভূল্লীতে প্রকাশ্যে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ২০ দিনের কারাদণ্ড বেতাগীতে বসতঘর থেকে ১৭ বছরের কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার বকশীগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা ও চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটির মাসিক সভা কালকিনির ইউএনও’র সঙ্গে ডি.কে ব্লাড ডোনার্স ক্লাবের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাতের আঁধারে আসছে জ্বালানি লাকড়ী,গাড়ি আটকে টাকা নিচ্ছে বন বিভাগ নাগরপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী পলের উঠান বৈঠক কুষ্টিয়া আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের বিক্ষোভ ৩৪ বিজিবির অভিযানে ৩ জন আটক, বিপুল পরিমাণ ওষুধ জব্দ

আদালতের রায় অমান্য করে নির্মাণকাজ, লালমাইয়ে বিরোধীয় জমিতে ছাদ ঢালাইয়ের অভিযোগ

– ‎১৪৫ ধারায় আনজুমার দখল ঘোষণা, পুলিশের নোটিশের পরও কাজ চালানোর অভিযোগ

reporter ‎মোঃ জহির হোসেন, কুমিল্লা
calendar প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৩ অপরাহ্ণ

কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভুলইন দক্ষিণ ইউনিয়নের জামুয়া মুন্সিবাড়ি এলাকায় আদালতের রায় বহাল থাকা সত্ত্বেও বিরোধীয় জমিতে ভবনের নির্মাণকাজ চালিয়ে ছাদ ঢালাই দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আবদুল খালেক গংয়ের বিরুদ্ধে। পুলিশের পক্ষ থেকে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার জন্য নোটিশ দেওয়ার পরও কাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগে এলাকায় নতুন করে বিরোধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
‎আদালতের নথি সূত্রে জানা যায়, লালমাই উপজেলার ৭৭ নম্বর জামুয়া মৌজার বি.এস. ১২ নম্বর খতিয়ানভুক্ত ২৮৮ ও ২৯৭ নম্বর দাগের জমি নিয়ে আনজুমা খাতুন ও আবদুল খালেক গংয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ ঘটনায় আনজুমা খাতুন ২০২২ সালে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারায় পি.আর. মামলা নম্বর ৪৫৪/২০২২ দায়ের করেন।
‎দীর্ঘ শুনানি শেষে ১২ আগস্ট ২০২৪ তারিখে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ বিরোধীয় সম্পত্তিতে আনজুমা খাতুনকে প্রকৃত দখলকার হিসেবে ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে দ্বিতীয় পক্ষকে নালিশী ভূমিতে প্রবেশে বিরত থাকতে এবং প্রথম পক্ষের দখলে কোনো ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
‎পরবর্তীতে আবদুল খালেক গং আদালতের ওই রায়ের বিরুদ্ধে রিভিশন মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর ২১৯/২৫-এর রায়ে রিভিশন আদালতও ১২ আগস্ট ২০২৪ সালের মূল রায় বহাল রাখেন বলে নথি সূত্রে জানা যায়।
‎অভিযোগ রয়েছে, পরবর্তী সময়ে বিবাদীপক্ষ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পি.আর. মামলা ৪৫৪/২২ এবং অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৪র্থ আদালতের রিভিশন মামলা ২১৯/২৫-এর রায় অমান্য করে বিরোধীয় জমিতে নির্মাণকাজ চালিয়ে যায়।
‎এ ঘটনায় প্রথম পক্ষ মূল আদালতে দণ্ডবিধির ১৮৮ ধারার বিধান অনুযায়ী প্রতিকার প্রার্থনা করলে আদালত রায় বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় আইনগত সহযোগিতা দেওয়ার জন্য লালমাই থানার অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
‎এরপরও অভিযোগ উঠেছে, আদালতের রায় বহাল থাকা এবং পুলিশের পক্ষ থেকে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার জন্য নোটিশ দেওয়ার পরও ভুলইন দক্ষিণ ইউনিয়নের জামুয়া মুন্সিবাড়ি এলাকার ওই বিরোধীয় সম্পত্তিতে ভবনের নির্মাণকাজ চালিয়ে ছাদ ঢালাই দেওয়া হয়েছে।
‎বিষয়টি নিয়ে লালমাই থানার (এসআই) রাকিব বলেন, “কোর্ট থেকে রায়ের কপি এসেছে। আমরা নোটিশ দিয়ে বলে এসেছি কাজ বন্ধ রাখার জন্য। কিন্তু তারা শুনছেন না, কাজ চালিয়ে গেছেন। এখন আমার কাজ হচ্ছে কোর্টে প্রতিবেদন জমা দেওয়া।”
‎এ বিষয়ে মামলার বিবাদীপক্ষ আবদুল খালকের কাছে গেলে আবদুল খালেকের ভাই আবদুল মান্নান বলেন ভাই বাড়িতে নাই যা বলার আমার কাছে বলেন পরে আবদুল মান্নান এর কাছে নির্মাণকাজ চালানোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, তাদের পক্ষেও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে। তবে প্রতিবেদকের কাছে ওই কাগজপত্র দেখাতে বলা হলে তিনি তা উপস্থাপন করেননি। ফলে তার দাবিকৃত কাগজপত্রের ধরন ও বৈধতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
‎এদিকে ভুক্তভোগী আনজুমা খাতুন অভিযোগ করে বলেন, “কোর্টের রায়ের কপি আমার কাছে থাকার পরও লালমাই থানা ও লালমাই উপজেলা প্রশাসনের কাছ থেকে আমি কোনো আইনি সহায়তা পাইনি। আদালতের রায় থাকার পরও যদি নির্মাণকাজ বন্ধ না হয়, তাহলে আমি কোথায় গিয়ে প্রতিকার পাব?”
‎অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, আদালতের রায় বহাল থাকার পরও নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়ায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তারা আদালতের আদেশ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন, নির্মাণকাজের অভিযোগ তদন্ত এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
‎তবে আবদুল মান্নানের দাবি করা কাগজপত্র কী এবং সেগুলোর সঙ্গে আদালতের বিদ্যমান রায়ের সম্পর্ক কী—তা এখনো স্পষ্ট নয়। সংশ্লিষ্ট আদালত, পুলিশ ও প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের মাধ্যমে বিষয়টির আইনগত অবস্থান আরও পরিষ্কার হতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com