জামান ভূঁইয়া সংবাদ কর্মী আর সাংবাদিক মহান এক পেশা , দেশ ও জাতির কথা লিখতে হয়ে যায় নেশা । দিন রাত খাটা খাটুনি বিশ্রাম নাই যার , সংবাদ সংগ্রহ করতে
জামান ভূঁইয়া প্রাচীন কালে ছিল যেথা রাজধানী ঈশা খাঁর , একবার আসলে আসতে হবে যেথা আর একবার । আছে যেথা যাদুঘর আর আছে মসজিদ মাজার , আছে সেথা দেখার মত
জামান ভূঁইয়া মা’ আজ কাঁদেন শুধু ছেলে নির্দয় বলে , কেঁদে কেঁদে বুক ভাসে তাই চোখের জলে । জন্ম দিলেন হাসি মুখে কাঁদে শিশু তখন , মা’ কাঁদেন শিশুর কস্টে
জামান ভূঁইয়া চাঁদা নামের ডাকাতি হয় দিনে রাতে , লাঞ্চিত হতে হয় চাঁদাবাজের হাতে । ঘাটে চাঁদা রাস্তায় চাঁদা মোড়ে মোড়ে চাঁদা , চাঁদা দিতে না পারলে মার খাবি দাদা
জামান ভূঁইয়া জনগণের টাকা করে লুট বানালেন পদ্মা ব্রিজ , দেশবাসীকে দিলেন আরাম রাগ করবেনা প্লিজ । ঢাকা বাসীর যাতায়াতে হবে সহজ বলে , মেট্রোরেল করলেন তৈরী এখন সবাই চলে
জামান ভূঁইয়া কোকিল ডাকে ফাগুন মাসে কৃষ্ণ চূড়ার ঢালে , পদ্মা নদীর বুকে দেখ ইলিশ মাছ জালে । ঝিলের জলে পদ্ম ফুটে শাপলা ফুল ভাসে , জোৎস্না রাতে খোকা খুকু
মোঃ আতিকুর রহমান মিরন বিজয়ের রঙে ফুটেছে মোর লাল গোলাপের বাগান, বিজয়ের রঙে ফুটেছে ঐ পদ্ম শাপলার রং। বিজয়ের রঙে শিশির মাখা বেলি ফুলের পাপড়ি, বিজয়ে রঙে সেজেছে আজ বাঙালি
জামান ভূঁইয়া কস্টেরা কাঁদে এখন আড়ালে আবডালে নীরবে অশ্রু ঝরে শুস্ক বাস্পে , খুনিরা মাতাল ব্যাপরোয়া ধর্ষকরা কান্ডগ্ঙানহীন পশু, কস্টরা এখন কাঁদে তাই সর্তকতার সাথে জীবনের কোন মূল্য নেই কখন
মোঃ আতিকুর রহমান মিরন আমি হিন্দু কি মুসলিম বুদ্ধ কি খৃষ্টান, ধর্মকে হৃদয়ে রেখেছি আমি শুধু এক বাঙালি। বাংলাকে ভালোবেসে যুদ্ধে গিয়েছি হেসে, জীবনটা দিয়েছি বিলিয়ে স্বাধীন হলো দেশ,মুক্তি পেল
মুহাঃ মোশাররফ হোসেন: হৃদয় কেড়ে দেয় এনে ভূমর নাকে নাহি লাগে এর সৌরব, গোলাপে সৌরব না হয়েও কিন্তু আছে এর অনেক গৌরব। গোলাপ হলো সবার মনোমুগ্ধকর এক রঙ্গিন রূপ, সুগন্ধে