জামান ভূঁইয়া খোকন সোনা জলদি ওঠ ভোর যে হয়েছে , পূব আকাশে সূর্য্যি মামা হেসে উঠেছে । নামাজ সেরে মুসুল্লি গন বাহির হয়েছে , রাখাল দেখ গরু নিয়ে মাঠে চলেছে
জাতীয় ফল কাঁঠাল খাইলে বাড়ে দেহে শক্তি , আমে আছে প্রচুর ভিটামিন তাই তাতে ভক্তি । জাম খাইলে ভারে দেহে অনেক অনেক রক্ত , কাঁচা পেয়ারা খাইলে পরে দাঁত হয়
জামান ভূঁইয়া তরী বাহিয়া চলছে মাঝি যাবে সে কত দূর জানা নাই ঠিকানা তার ছেড়া পাল ভাঙ্গা বৈঠা নড়বরে তরীর ঘুরা , কখন যে তরী যাবে ডুবে নাইতো মাঝির জানা
জামান ভূঁইয়া কোকিল ডাকে ফাগুন মাসে কৃষ্ণ চূড়ার ঢালে , পদ্মা নদীর বুকে দেখ ইলিশ মাছ জালে । ঝিলের জলে পদ্ম ফুটে শাপলা ফুল ভাসে , জোৎস্না রাতে খোকা খুকু
জামান ভূঁইয়া সোনার বাংলার মেঠো পথ গেছে হারিয়ে , গাড়ি চড়ে ঘুরে বেড়াই পাকা রাস্তা পেরিয়ে । সোনার বাংলায় নৌকা চড়ে কত বেড়াতাম , নৌকায় বসে দাদীর সাথে পান্তা মরিচ
জামান ভূঁইয়া নামাজ পড় ওরে মুসলিম আল্লাহকে যদি চাও , দরুদ পড় বেশি করে নবীর শাফায়াত নাও । মুসলিম আর কাফেরের মাঝে নামাজ হল ব্যবধান , নামাজ যদি না-ই পড়
জন্ম ভূমি মা’য়ের মুখ দেখি নয়ন ভরে , মনটা আমার পরে থাকে জন্ম ভূমির তরে । সকাল সন্ধ্যা মা যে আমার রাখে কোলে তুলে , থাকি আমি মা’য়ের কোলে সকল
কুসংস্কারের ভেড়াঝালে পরে আছি আটকা , মিথ্যাটারে সত্য বানিয়ে খবর ছড়ায় টাটকা । ময়না বিবির গর্ভে হল কাল বিড়াল ছানা , ছড়িয়ে দিল সারা গাঁয়ে মিথ্যা খবরখানা । কাক ডাকলে
জামান ভূঁইয়া আমায় স্বাধীনতা দাও স্বাধীন ভাবে কথা বলার সুযোগ করে দাও আমায় স্বাধীনতা দাও স্বাধীন ভাবে রাত কাটাতে স্বাধীন ভাবে পথ চলতে সুযোগ করে দাও আমায় স্বাধীনতা দাও স্বাধীন
জামান ভূঁইয়া জাতীয় ফল কাঁঠাল খাইলে বাড়ে দেহে শক্তি , আমে আছে প্রচুর ভিটামিন তাই তাতে ভক্তি । জাম খাইলে ভারে দেহে অনেক অনেক রক্ত , কাঁচা পেয়ারা খাইলে পরে