জামান ভূঁইয়া আমায় স্বাধীনতা দাও স্বাধীন ভাবে কথা বলার সুযোগ করে দাও আমায় স্বাধীনতা দাও স্বাধীন ভাবে রাত কাটাতে স্বাধীন ভাবে পথ চলতে সুযোগ করে দাও আমায় স্বাধীনতা দাও স্বাধীন
জামান ভূঁইয়া জাতীয় ফল কাঁঠাল খাইলে বাড়ে দেহে শক্তি , আমে আছে প্রচুর ভিটামিন তাই তাতে ভক্তি । জাম খাইলে ভারে দেহে অনেক অনেক রক্ত , কাঁচা পেয়ারা খাইলে পরে
জামান ভূঁইয়া প্রাচীন কালে ছিল যেথা রাজধানী ঈশা খাঁর , একবার আসলে আসতে হবে যেথা আর একবার । আছে যেথা যাদুঘর আর আছে মসজিদ মাজার , আছে সেথা দেখার মত
দোয়া প্রার্থনা মুহাঃ মোশাররফ হোসেন হে প্রভু! তুমি শোনো আমার মনের আকুতি, এই অন্তর জুড়ে আছে শুধুই বেদনার স্মৃতি। জানি আছে তোমার করুণা বিশ্বভ্রমন্ডের আকাশের মতো, মায়ার চাদরে রাখিবে ঢেকে
” ওরে মুসলিম “ জামান ভূঁইয়া নামাজ পড় ওরে মুসলিম আল্লাহকে যদি চাও , দরুদ পড় বেশি করে নবীর শাফায়াত নাও । মুসলিম আর কাফেরের মাঝে নামাজ হল ব্যবধান ,
জামান ভূঁইয়া খোকন সোনা জলদি ওঠ ভোর যে হয়েছে , পূব আকাশে সূর্য্যি মামা হেসে উঠেছে । নামাজ সেরে মুসুল্লি গন বাহির হয়েছে , রাখাল দেখ গরু নিয়ে মাঠে চলেছে
মুহাঃ মোশাররফ হোসেন মনে যাহা চেয়েছিল পাইনি তাহা হারিয়েছে অনেক কিছু, সেই চাওয়াটা হয়ত ছিল আকস্মিক তাই পড়ে গেছে তার থেকে পিছু। মনের ক্ষুদা মনেই থাকে চোখের ক্ষুদায় লাগে তৃষ্ণা,
মোঃ আতিকুর রহমান মিরন খোকা তুমি যাচ্ছ কোথায়? এসো খুব তাড়াতাড়ি, আসবো রে আসবো মা ফিরে তৃষ্ণার্তদের তৃষ্ণা নিবারণে যাচ্ছি। রাস্তায় রাস্তায় অনেক আন্দোলন গুলি বোমার শব্দ শুনছি, কি যেন
জামান ভূঁইয়া জন্ম ভূমি মা’য়ের মুখ দেখি নয়ন ভরে , মনটা আমার পরে থাকে জন্ম ভূমির তরে । সকাল সন্ধ্যা মা যে আমার রাখে কোলে তুলে , থাকি আমি মা’য়ের
জামান ভূঁইয়া মা’ আজ কাঁদেন শুধু ছেলে নির্দয় বলে , কেঁদে কেঁদে বুক ভাসে তাই চোখের জলে । জন্ম দিলেন হাসি মুখে কাঁদে শিশু তখন , মা’ কাঁদেন শিশুর কস্টে