1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
এলাকার শান্তি বিনষ্টকারী যে দলেরই হোক ছাড় দেওয়া হবে না: হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল উজিরপুরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে মতবিনিময় সভা রাঙামাটিতে বিশেষ অভিযানে ছাত্রলীগ নেতা, মাদক কারবারি ও মাদকসেবীসহ গ্রেপ্তার ১২ কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা পালনের প্রস্তুতি সভা  আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে চাঁদপুরে প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বেতমোর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ সোলাইমান হোসেন পিন্জু ফরাজির মৃত্যু  চরকালেখান ইউনিয়নের উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করতে চান মোশাররফ হোসেন ঢালী দুর্গাপূজায় ড. অরূপ রতন চৌধুরীর ‘জয় মা দুর্গা’ বিনিয়োগ আকর্ষণে ২০ উদ্যোগের ৭টি বাস্তবায়ন, পাইপলাইনে ১৩০ কোটি ডলার মতপার্থক্য ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য: রাষ্ট্রপতি

পাটচাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন হালুয়াঘাটের কৃষকেরা: অনাবৃষ্টি আর পানি সংকটে কমছে ‘সোনালী আঁশ’

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৮ দেখেছেন

একসময় ভরা বর্ষায় চারদিক জলে থৈ থৈ করত। ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার মাঠের পর মাঠ জুড়ে দেখা যেত সোনালী আঁশ পাটের সবুজ সমারোহ। অথচ কালের বিবর্তনে অনাবৃষ্টি এবং আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে হালুয়াঘাটে দিন দিন বিলুপ্তির পথে পাটের আবাদ। পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়া এবং পাট পচানোর পানির অভাবে কৃষকেরা এখন আর পাট চাষে আগের মতো আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।
​স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, একসময় হালুয়াঘাট উপজেলার বাগাইতলা, ধারা ও ধুরাইল গ্রামে প্রচুর পরিমাণে পাটের আবাদ হতো। সে সময় পাট বিক্রি করে কৃষকেরা বেশ ভালো লাভবান হতেন। হাটে-বাজারে পাটের দাম ও চাহিদা দুই-ই ছিল তুঙ্গে। সোনালী আঁশ হিসেবে পরিচিত এই ফসলটিই ছিল অনেক কৃষক পরিবারের প্রধান আয়ের উৎস।
​বাগাইতলা এলাকার কয়েকজন প্রবীণ কৃষক জানান, আগে আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে প্রচুর বৃষ্টি ও বাদল হতো। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে বর্ষাকালেও আগের মতো বৃষ্টি হচ্ছে না। একদিকে পাট আবাদে খরচ বাড়ছে, অন্যদিকে পাট কাটার পর তা পচানোর জন্য খাল-বিল ও ডোবায় পর্যাপ্ত পানি মিলছে না। বাধ্য হয়ে অনেক দূরে নদী বা গভীর জলাশয়ে পাট নিয়ে পচাতে হয়, এতে পরিবহন খরচ বহুগুণ বেড়ে যায় এবং লাভের মুখ দেখা কঠিন হয়ে পড়ে।
​পানি সংকট এবং বৃষ্টির অনিশ্চয়তার কারণে অনেক কৃষকই এখন পাট চাষ ছেড়ে ধান বা অন্যান্য লাভজনক ফসলের দিকে ঝুঁকছেন। ফলে হালুয়াঘাটের ঐতিহ্যবাহী সোনালী আঁশের সোনালী দিন আজ শুধুই স্মৃতি।
​কৃষকদের মতে, যদি উপযুক্ত সেচ ব্যবস্থা, পাট পচানোর বিকল্প প্রযুক্তি এবং সরকারি অনুদান ও প্রণোদনা বাড়ানো যায়, তবে হালুয়াঘাটের এই এলাকাগুলোতে আবারও পাটের সুদিন ফিরিয়ে আনা সম্ভব হতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.