1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
৬ মাসের জন্য স্থগিত এপিপি হযরত আলী হিরন খুলনার ডুমুরিয়ায় রাস্তায় রান্না, ঘরের মাচায় ঘুম ঢাকায় নিখোঁজ কলেজছাত্রের লাশ ডিমলায় উদ্ধার,জিজ্ঞাসাবাদে আরও দুজনের নাম আত্রাই উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক বৃদ্ধের মৃত্যু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মানবিক হাত: চুরি হওয়া মাইকের বদলে নতুন সেট পেল ধুরাইল মল্লিকবাড়ি জামে মসজিদ হালুয়াঘাটে সবজির বাজারে আগুন: আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সামঞ্জস্য হারিয়ে বিপাকে সাধারণ মানুষ ফরিদপুরে এসআরবি’র অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেপ্তার ১ ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়া উপজেলায় নামজারি বন্ধে চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সুনামগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালত ৮ মামলায় জরিমানা, ১৪ হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠায় নারীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে- এডভোকেট মাহবুব উল আলম

২ দশকে অবকাঠামোর পরিবর্তন হলেও বদলায়নি ছিন্নমূলের ভাগ্য: সরকারি ঘর পেয়েছিল কারা?

  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ১ দেখেছেন

​স্বাধীনতার ছয় দশক পেরিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। গত দুই দশকে দেশের অবকাঠামোগত ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হলেও এখনো ভাগ্য বদলায়নি ছিন্নমূল ও ভাসমান মানুষগুলোর। অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটছে হাজার হাজার শিশু ও বয়স্ক মানুষের।

​বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (BBS) ২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী, সারা দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্ত ছিন্নমূল বা ভাসমান মানুষের সংখ্যা ২২ হাজার ১৮৫ জন। তবে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার দাবি, গত চার বছরে এই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা অনুযায়ী, শুধু ঢাকা শহরেই প্রায় ৫০ হাজার ছিন্নমূল মানুষ বসবাস করে। যার একটি বড় অংশ কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন, সায়েদাবাদ, গাবতলী ও মহাখালী বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন জনবহুল স্থানে রাত কাটায়। এই ভাসমান মানুষগুলো প্রধানত রেলওয়ে স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম, বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট, ফুটপাত, ওভারব্রিজের নিচে এবং মাজারের আশপাশে খোলা আকাশের নিচে বা অস্থায়ী ঠিকানায় বসবাস করে।

​সরেজমিনে গত ২৪ আগস্ট ময়মনসিংহ রেলওয়ে জংশন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, রেললাইনের পাশেই অস্থায়ী পলিথিনের চালা ও জীর্ণ কাপড়ের বেষ্টনী দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছে একটি পরিবার। রোদ, বৃষ্টি ও ঝড়—সবকিছুই তাদের নিত্যদিনের সঙ্গী। খাদ্য নিরাপত্তা তো দূরের কথা, মৌলিক অধিকার সম্পর্কেও কোনো ধারণাই নেই তাদের। জীবনে ভালো খাবার, বাসস্থান কিংবা বস্ত্রের বালাই নেই; শিক্ষা ও চিকিৎসা তো তাদের কাছে বিলাসিতা মাত্র।

​পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা বিভিন্ন সময় স্টেশনে ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবনযাপন করেন। বিশেষ করে ৬ থেকে ৭ বছরের শিশুরা রেলগাড়িতে বাদাম, পানি, জুস কিংবা চানাচুর বিক্রি করে থাকে। সরকারি বা বেসরকারি অনুদান তাদের কাছে পৌঁছাতে যেন
সময় লাগবে কাল কেয়ামত পর্যন্ত।

অথচ, বিগত সরকারের আমলে আশ্রয়ণ প্রকল্প ও অন্যান্য গৃহায়ন কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় ৭ লাখ ৭১ হাজার ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ঘর ও পুনর্বাসন সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে ইতিপূর্বে উঠে এসেছে যে, এসব প্রকল্পে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের স্বজনপ্রীতির কারণে সচ্ছল পরিবারগুলোও সরকারি ঘর পেয়েছে। সরকারের কাছ থেকে ঘর বরাদ্দ পেলেও অনেকে সেখানে বসবাস করছেন না।
অন্যদিকে, প্রকৃত গৃহহীন ও ছিন্নমূল মানুষগুলো এখনো রাত কাটাচ্ছে রাস্তা কিংবা স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে।
​কবে উন্নয়ন হবে এই মানুষগুলোর? বর্তমান সরকার কি পারবে তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে? এমন প্রশ্নই এখন বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশে শিশুশ্রম নিষিদ্ধ থাকলেও প্রত্যক্ষভাবে দেখা যায়, কমলাপুর থেকে জামালপুর পর্যন্ত আসার পথে শত শত শিশু হকারি করে চানাচুর, বাদাম, সিঙ্গারা, পানি ও জুস বিক্রি করছে। সারারাত হকারির কাজ চালিয়ে সামান্য বিরতি দিয়ে আবার শুরু হয় তাদের জীবনযুদ্ধ।
​৫ থেকে ৬ বছরের এই কোমলমতি শিশুরা বাস, লঞ্চ ও ট্রেনে হকারি করছে। কবে বন্ধ হবে এই শিশুশ্রম? কবে বদলাবে তাদের ভাগ্য? পাশাপাশি প্রতিবছর পুষ্টিহীনতার কারণে নবজাতক মৃত্যুর ঘটনাও উদ্বেগজনক হারে রয়ে গেছে। এই সংকট উত্তরণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর ও দ্রুত পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.