1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
হারিয়ে যাওয়া গ্রামবাংলার ঐতিহ্য: হালুয়াঘাটে এখন আর বাজে না বিয়ের পালকির নতুন সুর চান্দিনায় আদালতের আদেশে অবৈধ দখল উচ্ছেদ, বাদীকে জমি বুঝিয়ে দিল প্রশাসন পূজায় গুজব ও উসকানি নিয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান ময়মনসিংহের এসপি কামরুল হাসান খুলনায় পুর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতাকে গুলি করে হত্যা মানিকগঞ্জের শিবালয়ে তালিমুল কুরআন বিভাগের প্রশিক্ষণ কর্মশালা নৈতিক অবক্ষয় ও অপরাধ প্রবণতা রোধে সামাজিক উদ্যোগ অপরিহার্য: ছাতকের ইউএনও সাংবাদিক আসাদ সবুজের জামিন শুনানি ৬ অক্টোবর ‘পুজো পুজো গন্ধ লেগেছে’ মণিরামপুরে সকল দুর্গাপূজা মন্দির সেজে উঠেছে দেবহাটায় পোল্ট্রি খামারে হামলা-লুটের মামলায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ডিএনসিসিতে নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ এর “বদলি”, ১৬ দিনের মাথায় পুনর্বহাল নেপথ্যে কি 

​তথ্য গোপন করে পাসপোর্ট তৈরির অভিযোগ: সুনামগঞ্জের সরকারি নারী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে তদন্তের আবেদন

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬
  • ০ দেখেছেন

​সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের গাইনি সার্জন ডা. লিপিকা দাসের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করে পাসপোর্ট গ্রহণের একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। একজন সরকারি কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও পাসপোর্টে নিজের পেশা বেসরকারি চাকরি (Private Service) উল্লেখ করে তিনি আইন ও বিধিমালা লঙ্ঘন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

​প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, গত ৮ জুন ২০২৬ তারিখে সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক বরাবর এই লিখিত অভিযোগটি পেশ করেন সুনামগঞ্জ পৌরসভার পূর্ব তেঘরিয়া ০৭ নং ওয়ার্ড এলাকার বাসিন্দা মো: মোছাদ্দেক আলী। অভিযোগটি
৭ জুলাই ২০২৬ পাসপোর্ট অফিস কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ ও স্বাক্ষর করা হয়েছে।

​অভিযোগপত্র সূত্রে জানা গেছে, ডা. লিপিকা দাস (আইডি নং- ১০০৭০৯১) সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে একজন নিয়মিত সরকারি চাকুরিজীবী চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত আছেন। তবে তাঁর ব্যবহৃত পাসপোর্টটিতে (নম্বর: A07623995) পেশার স্থানে Private Service’ বা বেসরকারি চাকরি উল্লেখ রয়েছে, যা একজন সরকারি কর্মকর্তার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ বেআইনি।

​অভিযোগকারী মো: মোছাদ্দেক আলী তাঁর আবেদনে উল্লেখ করেন, যদি প্রকৃতপক্ষে একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়েও পাসপোর্টের আবেদনকালে তিনি নিজ পেশা সম্পর্কে ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করে থাকেন, তবে তা পাসপোর্টের জন্য তথ্য গোপন বা মিথ্যা তথ্য প্রদান হিসেবে গণ্য হবে।

উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা তথ্য দেওয়া বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যেমন পেশা, জাতীয়তা, দ্বৈত নাগরিকত্ব বা ফৌজদারি অপরাধের ইতিহাস গোপন করা পাসপোর্ট আইন-১৯৭৩ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

​আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয় যে, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন অনুযায়ী তথ্য গোপন করলে সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। এছাড়া এটি সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ এবং বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস (বিএসআর)-এর সুস্পষ্ট পরিপন্থী।

লিখিত আবেদনে বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করার জন্য পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তিনটি মূল দাবি জানানো হয়েছে,
​১. পাসপোর্ট আবেদনপত্রে ডা. লিপিকা দাস প্রকৃতপক্ষে কী তথ্য প্রদান করেছিলেন তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করা।
২. প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা।
৩. তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে উক্ত চিকিৎসকের পাসপোর্টটি যাচাই-বাছাই করে তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

​এই বিষয়ে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয়, অভিযোগটি গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করা হয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী তদন্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডা. লিপিকা দাসের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ এটাই প্রথম নয়। তিনি সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে গাইনী বিভাগের সার্জন হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থাকলেও, হাসপাতালে সময়মতো ডিউটিতে না আসাসহ নানা অবহেলা ও অনিয়মের অভিযোগে এর আগেও একাধিকবার গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

​সরকারি হাসপাতালের একজন দায়িত্বশীল চিকিৎসকের বিরুদ্ধে নতুন করে এমন তথ্য গোপনের অভিযোগে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহল মনে করছেন, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.