1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
হারিয়ে যাওয়া গ্রামবাংলার ঐতিহ্য: হালুয়াঘাটে এখন আর বাজে না বিয়ের পালকির নতুন সুর চান্দিনায় আদালতের আদেশে অবৈধ দখল উচ্ছেদ, বাদীকে জমি বুঝিয়ে দিল প্রশাসন পূজায় গুজব ও উসকানি নিয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান ময়মনসিংহের এসপি কামরুল হাসান খুলনায় পুর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতাকে গুলি করে হত্যা মানিকগঞ্জের শিবালয়ে তালিমুল কুরআন বিভাগের প্রশিক্ষণ কর্মশালা নৈতিক অবক্ষয় ও অপরাধ প্রবণতা রোধে সামাজিক উদ্যোগ অপরিহার্য: ছাতকের ইউএনও সাংবাদিক আসাদ সবুজের জামিন শুনানি ৬ অক্টোবর ‘পুজো পুজো গন্ধ লেগেছে’ মণিরামপুরে সকল দুর্গাপূজা মন্দির সেজে উঠেছে দেবহাটায় পোল্ট্রি খামারে হামলা-লুটের মামলায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ডিএনসিসিতে নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ এর “বদলি”, ১৬ দিনের মাথায় পুনর্বহাল নেপথ্যে কি 

মানব পাচারকারীর কবল থেকে বিক্রি করে দেয়া মেয়েকে উদ্ধার করলেন পিতা: ফিল্মি স্টাইলে আদম ব্যবসায়ী আটক

  • আপডেট সময় : বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬
  • ০ দেখেছেন

বিদেশ পাঠানোর নামে এক মেয়েকে বিক্রি করে দেওয়ার ৯ দিন পর, নিজের বুদ্ধিমত্তা ও সাহসিকতায় মানব পাচারকারীকে আটকে রেখে মেয়েকে উদ্ধার করেছেন এক বীর পিতা। সিনেমার গল্পকেও হার মানানো মতো এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর ও ছাতক এলাকায়।

স্থানীয় জনতার সহায়তায় আজ মঙ্গলবার দুপুরে মূল অপরাধীকে আটকে রেখে অপহৃত মেয়েকে উদ্ধার করায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ​ভুক্তভোগী মেয়ের নাম সুমনা বেগম। তার বাবার নাম সমুজ আলী, তিনি সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার বাসিন্দা। অভিযুক্ত পাচারকারী সিজুল মিয়া জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বীরগাও ইউপির ঠাকুরভোগ গ্রামের বাসিন্দা এবং এলাকায় ‘আদম ব্যবসায়ী’ হিসেবে পরিচিত।

​পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সুমনা বেগমকে ভালো বেতনে বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়েছিলেন আদম ব্যবসায়ী সিজুল। কিন্তু বিদেশ পাঠানোর নামে মূলত তাকে মোটা অঙ্কের টাকায় অন্য এক চক্রের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়। এরপর টানা ৯ দিন সুমনার কোনো খোঁজ না পেয়ে পরিবার চরম দুশ্চিন্তায় পড়ে। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও মেয়ের সন্ধান মেলাতে পারছিলেন না বাবা সমুজ আলী।

​মেয়ের কোনো হদিস না পেয়ে সমুজ আলী নিজেই অনুসন্ধানে নামেন। বিশ্বস্ত সূত্রে মানব পাচারকারী সিজুলের অবস্থান জানতে পেরে তিনি স্থানীয় জনতার সহায়তা নেন। সুকৌশলে ছাতক এলাকায় পাচারকারী সিজুলকে প্রথমে আটক করা হয়।

​পরবর্তীতে আটকে পড়া পাচারকারীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একদম সিনেমার কায়দায় জগন্নাথপুর উপজেলার একটি গোপন আস্তানায় অভিযান চালান সমুজ আলী। সেখান থেকে বন্দি ও আতঙ্কিত অবস্থায় মেয়ে সুমনা বেগমকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হন তিনি। উদ্ধার পর্ব শেষে মেয়েকে নিয়ে তিনি নিরাপদে ছাতকে নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন।

​ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ পুরো সুনামগঞ্জ জুড়ে সমুজ আলীর সাহসিকতার প্রশংসা করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, একজন সাধারণ বাবা হয়েও যেভাবে তিনি অপরাধী চক্রের হাত থেকে মেয়েকে ফিরিয়ে এনেছেন, তা সত্যিই এক বীরত্বগাথা। এই ঘটনায় অভিযুক্ত পাচারকারী সিজুলকে স্থানীয়রা আটকে রেখে পুলিশের হাতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন। মানব পাচারের মতো জঘন্য অপরাধের সাথে জড়িত এই চক্রের বাকি সদস্যদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.