মহানগর যুবদলের নেতৃত্বের আলোচনায় রাজপথের পরীক্ষিতরা।
জাতীয়তাবাদী যুবদলের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে সংগঠনের অভ্যন্তরে এখন চলছে ব্যাপক আলোচনা, হিসাব-নিকাশ ও রাজনৈতিক মূল্যায়ন। দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয় থাকা, হামলা-মামলা, জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার ত্যাগী নেতাদের নেতৃত্বে দেখতে চান তৃণমূল নেতাকর্মীরা।
তাদের প্রত্যাশা—পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি, সাংগঠনিক দক্ষতা, রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা ও আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত হবে নতুন নেতৃত্ব।
বিশেষ করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়ে এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনা চলছে।
দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় থাকা সাবেক ছাত্রনেতা, রাজপথের লড়াকু সংগঠক এবং যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের নাম উঠে আসছে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
সভাপতি পদে যাদের নাম আলোচনায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সম্ভাব্য সভাপতি হিসেবে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে মহানগর দক্ষিণের বর্তমান সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম নয়নকে ঘিরে।
দলীয় একাধিক সূত্র বলছে, তিনি শুধু মহানগর দক্ষিণ নয়, কেন্দ্রীয় যুবদলেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেতে পারেন। অনেকেই মনে করছেন, তিনি যুবদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক পদেও যেতে পারেন। রবিউল ইসলাম নয়ন, তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলন এবং দীর্ঘ ১৭ বছর যারা ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের ব্যানারে থেকে রাজপথে লড়াই-সংগ্রাম করেছেন, তারেক রহমানের নির্দেশ পালন করেছেন, তাদের মূল্যায়ন করে কমিটি গঠন করলে ভালো হয়।
সভাপতি পদে আরও আলোচনায় রয়েছেন দক্ষিণ যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ গাফফার, যুগ্ম আহ্বায়ক নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফয়সাল আহমেদ সজল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক মুন্না, আমার কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। দলের প্রধান ও দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমার অভিভাবক। তিনি আমাকে দলের একজন সাধারণ সদস্য বানালেও আমি দলের হয়ে কাজ করব।
এবং বর্তমান আহ্বায়ক খন্দকার এনামুল হক এনাম।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফয়সাল আহমেদ সজলও সভাপতি পদে আলোচিত নাম। দীর্ঘদিন ছাত্রদল ও যুবদলের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা এই নেতাকে সভাপতি হিসেবে দেখতে চান তৃণমূলের একটি বড় অংশ।
ওমর ফারুক মুন্না বলেন, দীর্ঘদিন ছাত্রদলের রাজনীতি করেছি। ফ্যাসিস্ট আমলের ১৭টি বছর এবং জুলাই আন্দোলনসহ দীর্ঘদিন দলের জন্য আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে ছিলাম। দল যদি আমার ওপর আস্থা রাখে, তাহলে দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। তবে দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। দল যেখানে মূল্যায়ন করবে, সেখানেই দায়িত্ব পালন করব।