1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
৬ মাসের জন্য স্থগিত এপিপি হযরত আলী হিরন খুলনার ডুমুরিয়ায় রাস্তায় রান্না, ঘরের মাচায় ঘুম ঢাকায় নিখোঁজ কলেজছাত্রের লাশ ডিমলায় উদ্ধার,জিজ্ঞাসাবাদে আরও দুজনের নাম আত্রাই উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক বৃদ্ধের মৃত্যু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মানবিক হাত: চুরি হওয়া মাইকের বদলে নতুন সেট পেল ধুরাইল মল্লিকবাড়ি জামে মসজিদ হালুয়াঘাটে সবজির বাজারে আগুন: আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সামঞ্জস্য হারিয়ে বিপাকে সাধারণ মানুষ ফরিদপুরে এসআরবি’র অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেপ্তার ১ ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়া উপজেলায় নামজারি বন্ধে চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সুনামগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালত ৮ মামলায় জরিমানা, ১৪ হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠায় নারীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে- এডভোকেট মাহবুব উল আলম

বিশ্বের রাষ্ট্রবিহীন নাগরিকের এক-চতুর্থাংশেরও বেশী বাংলাদেশে

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬
  • ০ দেখেছেন

‎জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনারের তথ্য অনুযায়ী বিশ্বে ৪৫ লাখ এর ও বেশী নাগরিক রাষ্ট্রবিহীন অবস্থায় আছেন। তাদের এক-চতুর্থাংশেরও বেশি অন্তত ১৪ লাখ এ মুহূর্তে অবস্থান করছে বাংলাদেশে। এদের প্রায় সবাই রোহিঙ্গা, যাদের জন্মভূমি মিয়ানমার তাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না। ফলে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের শিবিরগুলো আজ বিশ্বের বৃহত্তম রাষ্ট্রবিহীন জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলে পরিণত হয়েছে।
‎রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর আগমনের ফলে কক্সবাজারের স্থানীয় হোস্ট কমিউনিটি (আশ্রয়দাতা সম্প্রদায়) যে ভয়াবহ মানবিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছে, তা এক দীর্ঘস্থায়ী কষ্টের উপাখ্যান। ২০১৭ সালের পর থেকে ১৪ লক্ষাধিক রোহিঙ্গার চাপ স্থানীয়দের দৈনন্দিন জীবনকে চরম অস্থিতিশীল করে তুলেছে।
‎বিশাল সংখ্যক শরণার্থীর উপস্থিতিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। স্থানীয়রা আগের চেয়ে অনেক বেশি দামে চাল, মাছ ও সবজি কিনতে হচ্ছে, যা স্থানীয় নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য অসহনীয়।
‎রোহিঙ্গারা কম মজুরিতে কাজ করায় স্থানীয় দিনমজুররা কাজ হারিয়েছে। স্থানীয় যুবকদের মধ্যে বেকারত্বের হার বেড়েছে, যা তাদের ভবিষ্যতের জন্য বড় হুমকি।
‎রোহিঙ্গা ক্যাম্প স্থাপন করতে গিয়ে হাজার হাজার একর সংরক্ষিত বন ও পাহাড় কাটা হয়েছে। অনেক চাষযোগ্য জমি এখন আর আবাদ করা যাচ্ছে না, যা স্থানীয়দের প্রধান আয়ের উৎস ছিল।
‎ক্যাম্পের ভেতরে ও আশেপাশে চুরি, ডাকাতি ও মাদক ব্যবসার মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অপরাধী চক্রের কারণে স্থানীয় এলাকায় সামাজিক অস্থিরতা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।
‎বিপুল মানুষের চাপে এলাকার রাস্তাঘাট, পানি ও স্বাস্থ্যসেবার ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা তাদের নিজস্ব জমি ও সম্পদ ব্যবহার করতে পারছেন না, যা তাদের জন্য চরম হতাশার কারণ।
‎‎দেশী বিদেশী দাতা সংস্থা তথা এনজিওদের প্রতি বাংলাদেশ সরকার ও শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কর্তৃক কক্সবাজারের স্থানীয় অধিবাসীদের (হোস্ট কমিউনিটি) জন্য ত্রাণ সহায়তার ২৫ শতাংশ বরাদ্দ রাখার জন্য বিধান থাকলেও বেশীরভাগ এনজিও এই নিয়ম মানেনা। নিয়ম অমান্যকারী এনজিওর বিরুদ্ধে সরকার ত্রাণ কার্যক্রম সাময়িক বা চিরস্থায়ীভাবে বন্ধ করে দিতে পারলেও এখনো কোন শাস্থির ব্যবস্থা খো যায়নি।
‎এনজিওগুলো মূলত এনজিও বিষয়ক ব্যুরো থেকে অনুমোদনের ভিত্তিতে কাজ করে। এই নির্দেশিকা না মানলে বা নিয়ম ভঙ্গ করলে এনজিও বিষয়ক ব্যুরো তাদের অনুমোদনের নবায়ন বন্ধ বা বাতিল করতে পারে।
‎এনজিওর প্রকল্প কার্যক্রমের বার্ষিক অডিট রিপোর্টে স্থানীয়দের ২৫ শতাংশ সহায়তার বিষয়টি না থাকলে অডিট আপত্তি উঠতে পারে, যা তাদের ভবিষ্যতে কাজ পাওয়ার সুযোগ কমিয়ে দেয়।
‎রোহিঙ্গাদের সাময়িক আশ্রয় দিলেও, এই দীর্ঘস্থায়ী অবস্থান হোস্ট কমিউনিটিকে তাদের নিজস্ব এলাকায় সংখ্যালঘু ও প্রান্তিক করে তুলছে। স্থানীয় জনগণের এই আত্মত্যাগ ও দুঃখের বোঝা দীর্ঘমেয়াদী, যার সুষ্ঠু সমাধান ও মানবিক প্রত্যাবাসনই কেবল এই অবস্থার অবসান ঘটাতে পারে
‎‎জাতিসংঘের ১৯৫৪ সালের কনভেনশন অনুযায়ী, ‘স্টেটলেস’ বা রাষ্ট্রবিহীন হলেন এমন ‘একজন ব্যক্তি যাকে কোনো রাষ্ট্র তার আইনের অধীনে নিজের নাগরিক হিসেবে গণ্য করে না’। অর্থাৎ তিনি একজন নাগরিকত্বহীন ব্যক্তি, কোনো দেশের নাগরিক নন, বিশ্বের কোনো রাষ্ট্রই তাকে নিজের নাগরিক বলে স্বীকার করে না। এ কারণে রাষ্ট্রবিহীন ব্যক্তিরা ভোটাধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, চাকরি ও ভ্রমণের স্বাধীনতার মতো মৌলিক অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন।
‎ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের বড় অংশ বাংলাদেশ, ভারত এবং দক্ষিণপূর্ব ও দক্ষিণপশ্চিম এশিয়ায় অবস্থান করছে। এর মধ্যে ৮৯ দশমিক ১ শতাংশের অবস্থানই এখন বাংলাদেশে। গত চার দশকে বিভিন্ন সময়ে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের বৈশ্বিক সংখ্যা বিবেচনায় এবং রক্ষণশীল আনুমানিক হিসাব অনুসারে বিশ্বের মোট রোহিঙ্গা শরণার্থীর অন্তত ৪৫ শতাংশ এখন বাংলাদেশে।
‎মিয়ানমারে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার রাষ্ট্রবিহীন রোহিঙ্গারা বিভিন্ন সময়ে নানা দেশে আশ্রয় নিয়েছেন। এ বাস্তুচ্যুতি শুরু হয় মূলত ১৯৭০-এর দশকে। ১৯৭৮, ১৯৯১-৯২, ২০১২ ও ২০১৭—এ চার পর্বে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে পালাতে বাধ্য হন। এভাবে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে রোহিঙ্গারা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছেন। তাদের সবেচেয়ে বড় গন্তব্য হয়েছে প্রতিবেশী বাংলাদেশ। এছাড়া তারা আশ্রয় নিয়েছেন পাকিস্তান, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, ভারত, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডে। থার্ড কান্ট্রি রিসেটলমেন্ট হওয়া কিছুসংখ্যক রোহিঙ্গা আছেন ইউরোপ, আমেরিকাসহ অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে। সৌদি আরব, পাকিস্তান ও থার্ড কান্ট্রি রিসেটলড রোহিঙ্গাদের সংখ্যা বহু ক্ষেত্রে সরকারিভাবে রেকর্ড হয়নি।
‎শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০১২ সালের পর থেকে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আসতে থাকেন। ২০১৬ সাল পর্যন্ত প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ছিলেন। ২০১৭ সাল থেকে এসেছেন আরো সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা। বাস্তুচ্যুত হয়ে আশ্রয় নেয়া ১৪-১৫ লাখ রাষ্ট্রবিহীন রোহিঙ্গা শরণার্থী এখন বাংলাদেশে বসবাস করছেন।
‎বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের নিয়ে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হচ্ছে। মিয়ানমার জান্তার চালানো গণহত্যা ও বলপূর্বক বিতাড়নের পরিপ্রেক্ষিতে বিদেশে আশ্রয় নেয়া রাষ্ট্রবিহীন রোহিঙ্গাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছে বাংলাদেশে।
‎কিন্তু জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা এ শরণার্থী জনগোষ্ঠীর জন্য অর্থ বরাদ্দ কমিয়ে দেয়ায় পরিস্থিতি নাজুক হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় বেশি চাপে পড়ছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরগুলোয় পর্যাপ্ত খাবার, শিক্ষা, চিকিৎসাসেবা সংকটের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গাদের অবস্থানের কারণে স্থানীয় বাংলাদেশীরাও নানা সংকটে রয়েছে। এ সংকট আগামী দিনে আরো ঘনীভূত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
‎বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর কার্যালয় জানিয়েছে, তারা সরকার ও এনজিওগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে খাদ্য, স্বাস্থ্যসেবা, আশ্রয়, সুরক্ষাসহ জরুরি জীবনরক্ষাকারী সহায়তাকে অগ্রাধিকার দিতে কাজ করছে। পাশাপাশি বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের জন্য সহায়তা কমার আশঙ্কাসহ রাখাইন রাজ্যে মানবিক পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
‎বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের সুযোগ আরো জটিল হয়ে উঠেছে। কারণ রাখাইন এখন আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে। সেখানে জান্তা সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেই। ফলে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় জান্তার পাশাপাশি অন্যদের সম্পৃক্ততা জরুরি। কিন্তু গৃহযুদ্ধে মুখোমুখি দুটি পক্ষের মধ্যে সমন্বয় এবং প্রত্যাবাসনের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তে আসা সম্ভব হচ্ছে না। বাংলাদেশের ক্যাম্পগুলোয় সব মিলিয়ে এখন রোহিঙ্গার সংখ্যা ১৪ লাখেরও বেশি। রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে ২০১৭ সালের নভেম্বরে মিয়ানমারে তৎকালীন ক্ষমতাসীন অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন বেসামরিক সরকার বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছিল, যার মধ্যস্থতায় ছিল চীন। এর অংশ হিসেবে ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বরের মধ্যে রোহিঙ্গাদের প্রথম দলটিকে মিয়ানমারে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা থাকলেও তা আর হয়নি। বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের ১ লাখ ৮০ হাজার জনকে সম্প্রতি মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত করেছে দেশটি। তাদের ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়টিও নিশ্চিত নয়।
‎বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের সংরক্ষিত বন রোহিঙ্গাদের বসতি নির্মাণের কারণে ধ্বংস হয়েছে। আবার রোহিঙ্গাদের অবস্থান স্থানীয় বাংলাদেশীদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। অনেক রোহিঙ্গা ক্যাম্পে খাদ্য ও কাজের সুযোগের অভাবে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে। এতে স্থানীয় নিম্ন আয়ের অনেক মজুর কাজ হারাচ্ছেন। কারণ পরিস্থিতির কারণে রোহিঙ্গারা অনেক কম দামেও শ্রম বিক্রিতে আগ্রহী।
‎সরজমিন তথ্যানুসন্ধানে দেখা যায়, কক্সবাজার অঞ্চলে গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ, লবণ চাষ, কৃষি বা নির্মাণসহ যেসব খাতে শ্রমিক প্রয়োজন, সেখানে রোহিঙ্গারা কাজে যুক্ত হচ্ছেন। এতে স্থানীয়রা বেকার হয়ে অমানবিকতার কারনে সামাজিক অসন্তোষ তৈরি হচ্ছে। সীমান্ত এলাকা হওয়ায় এখানে মাদক চোরাচালানের প্রবণতা দিনদিন বাড়ছে জ্যামিতিক হারে। জানা যায়, সীমানার ওই পাড়ে গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বর্তমান নিয়ন্ত্রণকারীদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ইয়াবার মতো মাদক বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। এক্ষেত্রে সস্তায় মাদক বহনকারী হিসেবে রোহিঙ্গারা ব্যবহৃত হচ্ছে।
‎২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১৪ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থী দেশের অর্থনীতি, পরিবেশ এবং নিরাপত্তার ওপর বিশাল চাপ সৃষ্টি করেছে। বর্দমান প্রেক্ষাপটে, জনগনের ভোটে নবনির্বাচিত সরকারের কাছে আমাদের দাবি ও প্রত্যাশা সরকার যেন মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ও আরাকান আর্মির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ও আলোচনার মাধ্যমে প্রত্যাবাসন রোডম্যাপ তৈরি করে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও ব্যবস্থাপনার জন্য জরুরি ভিত্তিতে একটি ‘বিশেষ কমিশন’ বা উচ্চপর্যায়ের দপ্তর গঠন করা। রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অপরাধ, মানব পাচার, মাদক চোরাচালান ও অস্ত্র ব্যবসা বন্ধে কঠোর আইন-শৃঙ্খলার ব্যবস্থা করা।
‎ রোহিঙ্গা আগমনের ফলে স্থানীয়দের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও জীবিকায় যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তা নিরসনে বিশেষ অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান।
‎ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকার স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।
‎২০২৫-২৬ সালের যৌথ প্রতিক্রিয়া পরিকল্পনা (ঔজচ) বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক দাতা ও জাতিসংঘকে (টঘঐঈজ) প্রয়োজনীয় অর্থায়নে বাধ্য করা।
‎ঘনবসতিপূর্ণ কক্সবাজার ক্যাম্প থেকে ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর প্রক্রিয়া আরও জোরদার ও নিরাপদ করা।
‎রোহিঙ্গাদের মৌলিক চাহিদা (খাদ্য, পানি, চিকিৎসা, শিক্ষা) নিরবচ্ছিন্ন রাখতে ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখা।
‎‎ক্যাম্প নির্মাণের ফলে যে পরিমাণ বনাঞ্চল ধ্বংস হয়েছে, তা পুনঃবৃক্ষায়নের মাধ্যমে পরিবেশ পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া।
‎কক্সবাজারের রাস্তাঘাট ও স্থানীয় অবকাঠামোর ওপর চাপ কমাতে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ করা। [১, ২]রোহিঙ্গা সংকট এখন কেবল মানবিক সংকট নয়, এটি একটি জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি। বর্তমান নির্বাচিত সরকারের উচিত হবে দীর্ঘমেয়াদী কৌশলের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়া এবং একই সাথে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ভোগান্তি লাঘবে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
‎

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.