1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
নওগাঁয় ভয়াবহ আগুনে পুড়ল চার পরিবারের ঘরবাড়ি, সর্বস্ব হারিয়ে দিশেহারা ক্ষতিগ্রস্তরা ঘোড়ঘাটে ইঁদুর মারার গ্যাস ট্যাবলেট সেবনে যুবকের মৃত্যু মির্জাপুরে পৃথক অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় মির্জাপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস ও নজরুল বর্ষ-২০২৬ উদযাপন জলঢাকায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত আশুলিয়ায় ভূমিদস্যু তাহের মৃধার বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ শাহজাদপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাজস্থলী ৪টি পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিক্ষকরা মাথা উঁচু করে দাড়াতে না পারলে জাতি হিসেবে আমরা এগোতে পারব না : বিসিবি পরিচালক ‎বকশীগঞ্জে বিজিবির অভিযানে ৯৭১ পিস ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ

চট্টগ্রাম বিআরটিএ’র লাইসেন্স সেবায় এসেছে নতুন মোড়: দালালমুক্ত ও সহজলভ্য প্রক্রিয়া

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪ দেখেছেন

চট্টগ্রাম বিআরটিএ (বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ) ড্রাইভিং লাইসেন্সের প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে, যা লাইসেন্স প্রত্যাশীদের জন্য ভোগান্তি কমিয়ে দিয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় লাইসেন্স আবেদনকারীদের বাড়িতে লাইসেন্স পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে, ফলে লাইসেন্স পাওয়ার জন্য আগের মতো কোনও ঝামেলায় পড়তে হচ্ছে না।

পেশাদার চালকরা জানিয়েছেন, পূর্বে দালালদের মাধ্যমে নতুন লাইসেন্স ও নবায়নে নানা সমস্যা মোকাবিলা করতে হয়েছে এবং অনেকেই আর্থিক প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তবে, বর্তমানে অনলাইনে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করার ফলে দালালমুক্ত সেবা নিশ্চিত হয়েছে। এতে পেশাদার চালকদের নতুন লাইসেন্স ও নবায়নের প্রক্রিয়া বেশ সহজ ও সুবিধাজনক হয়েছে।

বিআরটিএ’র তথ্যমতে, পেশাদার চালকের লাইসেন্সের মেয়াদ পাঁচ বছর এবং অপেশাদার চালকের ১০ বছর। লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হলে তা নবায়ন করতে হয়।

বিআরটিএ চট্টগ্রাম মেট্রোর সহকারী পরিচালক মো. ওমর ফারুক বলেন, “ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্যক্রম আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে, লার্নার লাইসেন্সের জন্য এখন বিআরটিএ অফিসে যেতে হয় না। বিআরটিএর ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র ও নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর দিয়ে সার্ভারে রেজিস্ট্রেশন করে আবেদনকারীর পছন্দ অনুযায়ী ড্রাইভিং লাইসেন্সের ক্যাটাগরী নির্বাচিত করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিয়ে আবেদন করতে হবে।”

তিনি আরো বলেন, “আমাদের দুটি লাইসেন্স রয়েছে: পেশাদার এবং অপেশাদার। বর্তমান লাইসেন্স করতে ন্যূনতম অষ্টম শ্রেণীর সনদ প্রয়োজন হয়, পেশাদার লাইসেন্সের জন্য ড্রপ টেস্ট দেওয়া বাধ্যতামূলক, যা চট্টগ্রাম মেডিক্যাল হাসপাতালে গিয়ে এই পরীক্ষা করাতে হয়। লাইসেন্সের জন্য পরীক্ষায় কৃতকার্য হওয়ার পর মোবাইলে একটি খুদে বার্তা প্রেরণ করা হয়; খুদে বার্তা পাওয়ার পর আবেদনকারী অনলাইনে লাইসেন্স ফি জমা দিয়ে অস্থায়ী ড্রাইভিং লাইসেন্স গ্রহণ করতে পারবেন, মূল লাইসেন্স আবেদনকারীর ঠিকানা অনুযায়ী ডাকযোগে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।”

তিনি আরও বলেন, “আগে লাইসেন্স করতে খুব কষ্ট পোহাতে হতো, এখন আর সেই কষ্ট নেই—একদিনেই সব হয়ে যায়, বায়োমেট্রিকসহ অন্যান্য কাজ। যারা লাইসেন্স পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়, তারা অনলাইন থেকে পুনরায় পরীক্ষার তারিখ নিতে পারে। আমার কাছে অফিসে এসে যদি কেউ সরাসরি যোগাযোগ করে, আমি তার বিষয় নিয়ে সার্বিক সহযোগিতা করার চেষ্টা করি।”

দালালদের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “কেউ যদি ব্যক্তিগতভাবে অপরিচিত লোকের কাছে আর্থিক লেনদেন করে, তার দায় আমার অফিস নিবে কেন? এখানে দালালের কি কাজ? কোন আবেদনকারী যদি সমস্যায় পড়ে, তাহলে সরাসরি অফিসে এসে যোগাযোগ করতে পারবে। আমার অফিসের সেবার দরজা সবসময় খোলা।”

নতুন এই উদ্যোগগুলো বাংলাদেশের স্বরূপে এক নতুন বর্ষের সূচনা করেছে, যা চালকদের জন্য আরও নিরাপদ ও সুবিধাজনক অভিজ্ঞতা এনে দেবে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.