1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
সাত মাসেও তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে না পাঠানোর অভিযোগ আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে ঢাকার ধামরাইয়ে পূজামণ্ডপগুলোতে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর গাজীপুরে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ, শিরোপা অপরাধ উত্তর বিভাগের সাতক্ষীরার আলিপুরে নব-গঠিত জেলা যুবদল ও জেলা ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের সংবর্ধনা রুহিয়ায় ২২পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির টাকা সহ দুই মাদক কারবারি আটক ডেঙ্গু মহামারী নিয়ন্ত্রণে সরকারের ভূমিকা মোটেও সন্তোষজনক নয়: মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান কালকিনিতে অতিরিক্ত মজুদ ১৪০ বস্তা সার জব্দ, ডিলারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা টঙ্গীতে র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার দেওয়ানগঞ্জের শীর্ষ ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসী ফারুক খান নওগাঁয় ভয়াবহ আগুনে পুড়ল চার পরিবারের ঘরবাড়ি, সর্বস্ব হারিয়ে দিশেহারা ক্ষতিগ্রস্তরা ঘোড়ঘাটে ইঁদুর মারার গ্যাস ট্যাবলেট সেবনে যুবকের মৃত্যু

রামেকে ডেন্টাল ইউনিটে তাণ্ডব, কনস্টেবল-নার্সে হাতাহাতি

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১ দেখেছেন

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এক পুলিশ কনস্টেবল ও সিনিয়র স্টাফ নার্সের মধ্যে উত্তেজনা থেকে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের অর্থোসার্জারি ইউনিট-২-এর ডেন্টাল বিভাগে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনায় জড়িত পুলিশ কনস্টেবল আমিনুল ইসলাম রাজশাহী নগরের শাহমখদুম থানায় কর্মরত। তাঁর বাড়ি নাটোর সদর উপজেলার দিঘাপতিয়ায়। অপরদিকে সংশ্লিষ্ট সিনিয়র স্টাফ নার্স ব্রাদার রাকিব আহম্মেদ।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, কনস্টেবল আমিনুল ইসলাম তাঁর অসুস্থ মা নূরেসা বেগমকে দাঁতের সমস্যার কারণে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তবে চিকিৎসা শুরুর আগেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ। এ ঘটনায় চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তোলেন আমিনুল। যদিও এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নার্স রাকিব।

একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অন্য নার্সরা এগিয়ে আসেন এবং পরে হাসপাতালের পুলিশ বক্সে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ও আনসার সদস্যরা এসে কনস্টেবল আমিনুলকে সেখান থেকে সরিয়ে নেন।

কনস্টেবল আমিনুল ইসলামের দাবি, জরুরি বিভাগ থেকে তাঁর মাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হলেও পরে তাঁকে অন্য ওয়ার্ডে পাঠানো হয়। সেখানে তিনি দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসার অনুরোধ করেন, কিন্তু দায় এড়িয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ নিয়েই বিরোধের সূত্রপাত।

অন্যদিকে ব্রাদার রাকিব আহম্মেদের ভাষ্য, রোগী ওয়ার্ডে আনার আগেই মারা গিয়েছিলেন। বিষয়টি জানিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার পরামর্শ দিলে কনস্টেবল প্রথমে তাকে শারীরিকভাবে আঘাত করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শুরুতে মামলা করার চিন্তা করলেও পরে কনস্টেবল আমিনুল দুঃখ প্রকাশ করলে বিষয়টি আপাতত মীমাংসা হয়। মধ্যরাতে তিনি মায়ের মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফেরেন।

তবে ঘটনার পরদিন মঙ্গলবার সিনিয়র স্টাফ নার্স রাকিব আহম্মেদ নগর পুলিশের কমিশনার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এ বিষয়ে হাসপাতালের মুখপাত্র শংকর কুমার বিশ্বাস ছুটিতে থাকায় কোনো মন্তব্য করেননি। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পি কে এম মাসুদ-উল ইসলামকে ফোনে পাওয়া যায়নি। রাজশাহী নগর পুলিশের মুখপাত্র গাজিউর রহমানও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন বলে জানিয়েছেন।

শাহমখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, মায়ের মৃত্যুর পর উত্তেজিত হয়ে কনস্টেবল হাতাহাতিতে জড়িয়েছেন, যা অনুচিত। তিনি আরও জানান, যেহেতু অভিযুক্ত একজন পুলিশ সদস্য, তাই তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.