কথিত প্রেমের সম্পর্কের আড়ালে প্রতারণার ফাঁদ পেতে জাহানারা খাতুন লাকি,ও মেয়ে মিস্ সিনথিয়া আক্তার ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ম্যানেজার মোঃ জিয়াউল হক জিয়া ও সহযোগী সংঙ্গে যোগসাজশে প্রবাসী আব্দুর রহমান এর স্বর্ভস লুটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রেমিকা মিস্ সিনথিয়া আক্তার ও তাঁর অর্থ লোভী মা জাহানারা খাতুন লাকি এবং ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ম্যানেজার মোঃ জিয়াউল হক জিয়া এর বিরুদ্ধে। আর্থিকভাবে নিঃস্ব হয়ে চিকিৎসার অভাবে অবশেষে মৃত্যুবরণ করেছেন প্রবাসী আব্দুর রহমান। হৃদয়বিদারক এ ঘটনায় খিলগাঁও এলাকায় এলাকাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে গভীর শোক ও ক্ষোভ।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে রহমানের সঙ্গে এক নারীর পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে সেই সম্পর্ক ঘনিষ্ঠতায় রূপ নেয়। এই সুযোগে ওই নারী সিনথিয়া আক্তার ও তাঁর অর্থ রুমী মা জাহানারা খাতুন লাকি নানা অজুহাতে—কখনো অসুস্থতা, কখনো পারিবারিক সমস্যার কথা বলে—রহমানের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেন। এমনকি মিস্ সিনথিয়া আক্তার কে দ্রুত সম্ভব বিয়ে করতে প্রস্তাব দিয়েছেন। কিন্তু সরল মনের অধিকারী প্রবাসী আব্দুর রহমান এর মানুষিক দূর্বলতা কে পুঁজি করে ব্যাংকের ম্যানেজার কে ম্যানেজ করে সকল একাউন্টে নমীনি করে ১০০% অংশিদারিত্ত্য সুযোগ করে দিয়েছে ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের উৎকোচ গ্রহনকারী ম্যানেজার ও সহযোগী গন।মৃত্য আব্দুর রহমান এর স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে বিগত অনেক বছরের উমান প্রবাসের উপার্জনের সকল টাকা আত্মসাতের ঘটনায় ব্যাংকের ম্যানেজার ও সহযোগী জড়িত থাকার
অভিযোগ রয়েছে,পুরো ঘটনায় একটি ব্যাংকের ম্যানেজার মোঃ জিয়াউল হক জিয়া ও তাঁর সহযোগীরা মোঃ রিয়াদ কাজী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি ব্যাংকিং লেনদেন সহজ করে দেওয়া ও বিভিন্নভাবে প্রভাব খাটিয়ে এই প্রতারণাকে সহযোগিতা করেছেন বলে দাবি স্বজনদের। অর্থ আত্মসাতের পাঁয়তারা করছেন তারা এবং অসুস্থ অবস্থায় প্রবাসী আব্দুর রহমান এর অপারেশন করার জন্য
একপর্যায়ে সর্বস্ব হারিয়ে চরম আর্থিক সংকটে পড়েন রহমান। অসুস্থ হয়ে পড়লেও অর্থের অভাবে সঠিক চিকিৎসা নিতে পারেননি। পরিবার জানায়,চিকিৎসার অভাবেই তার মৃত্যু হয়েছে, যা এক ধরনের ‘নীরব হত্যার’শামিল।
রহমানের স্বজনরা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন,“আমাদের ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁদে ফেলে শেষ করে দেওয়া হয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে গত০৬/০৩/২০২৬ ইং তারিখে কোনাবাড়ি মেট্রো থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ দায়ের কিছু দিন পর গাজীপুর জেলা বিজ্ঞ আদালত এ ০৯/০৪/২০২৬ ইং তারিখে মৃত্যু আঃ রহমান এর বড় ভাবি বাদি হয়ে গাজীপুর জেলা জজ আদালতের মাধ্যমে মামলা দায়ের করেন, মামলার নং, অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এই প্রতারকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোড় দাবি জানিয়েছেন এলাকায় প্রত্যক্ষদর্শীরা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।