1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
৬ মাসের জন্য স্থগিত এপিপি হযরত আলী হিরন খুলনার ডুমুরিয়ায় রাস্তায় রান্না, ঘরের মাচায় ঘুম ঢাকায় নিখোঁজ কলেজছাত্রের লাশ ডিমলায় উদ্ধার,জিজ্ঞাসাবাদে আরও দুজনের নাম আত্রাই উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক বৃদ্ধের মৃত্যু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মানবিক হাত: চুরি হওয়া মাইকের বদলে নতুন সেট পেল ধুরাইল মল্লিকবাড়ি জামে মসজিদ হালুয়াঘাটে সবজির বাজারে আগুন: আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সামঞ্জস্য হারিয়ে বিপাকে সাধারণ মানুষ ফরিদপুরে এসআরবি’র অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেপ্তার ১ ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়া উপজেলায় নামজারি বন্ধে চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সুনামগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালত ৮ মামলায় জরিমানা, ১৪ হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠায় নারীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে- এডভোকেট মাহবুব উল আলম

কোম্পানীগঞ্জে দুর্ধর্ষ ‘কালা বাহিনী’র দাপট: যৌথ অভিযানে গুলি, তবু অধরা মূল হোতা

  • আপডেট সময় : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১ দেখেছেন

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ এলাকায় থানা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ দুর্ধর্ষ আসামি ‘কালা মিয়া’কে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় টানা উত্তেজনা বিরাজ করছে। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার ১০ দিন পার হলেও রহস্যজনক কারণে ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে কুখ্যাত কালা মিয়া ও তার বাহিনীর সদস্যরা। এদিকে তাকে গ্রেফতারে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) যৌথ অভিযান চালালেও ফল মেলেনি—উল্টো অভিযান চলাকালে ৪ রাউন্ড ফাঁকা গুলিও ছোড়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ২০ মার্চ শাহ আরফিন এলাকায় চিহ্নিত অপরাধী কালা মিয়াকে গ্রেফতার করতে যায় কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল। তাকে আটক করে হাতকড়া পরানোর পরপরই বেপরোয়া হয়ে ওঠে ‘কালা বাহিনী’। সংঘবদ্ধ হয়ে সশস্ত্র সহযোগীরা পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন এএসআই সাগর ও এসআই নোমান। পরে রক্তক্ষয়ী হামলা চালিয়ে কালা মিয়াকে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নেয় তারা।

ঘটনার পর থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে ধরতে একাধিক অভিযান চালায়। সর্বশেষ পুলিশ ও বিজিবির সমন্বয়ে একটি যৌথ অভিযান পরিচালিত হয় শাহ আরফিন ও আশপাশের এলাকায়। অভিযানের সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিজিবি সদস্যরা ৪ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে এত কিছুর পরও মূল হোতা কালা মিয়া ও তার সহযোগীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

এদিকে, আসামি ধরতে ব্যর্থ হয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে উল্টো নিরীহ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, কালা মিয়াকে গ্রেফতার করতে না পেরে তার ৭৮ বছর বয়সী বৃদ্ধা মাকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। পরর্বতীতে স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে পরিত্যক্ত অবস্থায় হাতকড়াটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, প্রকৃত অপরাধীদের ধরতে ব্যর্থ হয়ে পুলিশ ‘অপারেশন’-এর নামে দিনমজুর, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও নিরীহ মানুষকে গ্রেফতার করছে। শাহ আরফিন এলাকায় পাথরবিরোধী অভিযানের আড়ালে নিরপরাধ ব্যক্তিদের কারাগারে পাঠানোর ঘটনাও সামনে এসেছে। এতে করে পুরো এলাকায় গণগ্রেফতারের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

এই ঘটনার প্রতিবাদে গত রবিবার এলাকাবাসী বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা করে। বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রকৃত অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকলেও সাধারণ মানুষকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো হচ্ছে। অবিলম্বে কালা মিয়া ও তার বাহিনীর সদস্যদের গ্রেফতার এবং নিরীহদের মুক্তি না দিলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি বলেন, “পুলিশের ওপর হামলা ও আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা হয়েছে। কালা মিয়াকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যৌথ বাহিনীর সহায়তায় অভিযান জোরদার করা হয়েছে।”

সচেতন মহলের মতে, হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই এবং পরবর্তীতে যৌথ অভিযানে গুলি ছোড়ার পরও মূল হোতাকে গ্রেফতার করতে না পারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বড় ধরনের সমন্বয় ঘাটতির ইঙ্গিত দেয়। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা এবং নিরীহ মানুষের ওপর হয়রানি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.