বৃহস্পতিবার(১২ই মার্চ) দুপুরে উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের চতলাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে জেলেদের হাতে সরঞ্জাম তুলে দেওয়া হয়। প্রতিটি ট্রলারে ১২ ধরনের নিরাপত্তা সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছে এবং বিতরণের আগে জেলেদের প্রশিক্ষণও প্রদান করা হয়।
সমুদ্রে মাছ আহরণের সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি মোকাবিলায় পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের ৭৩টি সমুদ্রগামী ট্রলারের জেলেদের হাতে নিরাপত্তা সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়েছে। এতে প্রায় ৭৫০ জন মৎস্যজীবী উপকৃত হবেন বলে আশা রাখেন।
উত্তরণের ফিসনেট প্রকল্পের এরিয়া ম্যানেজার অনিমেষ পাল জানান, উপকূলীয় মৎস্যজীবীরা প্রতিনিয়ত প্রতিকূল আবহাওয়া ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি মোকাবিলা করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তাই তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে জেলেদের মধ্যে নিরাপদ মৎস্য আহরণে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং সমুদ্রে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকটাই কমবে এবং পাশাপাশি সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ভূমিকা রাখবে।এ কার্যক্রমটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা উত্তরণের বাস্তবায়নে ফিসনেট প্রকল্পের আওতায়, ওশান গ্রান্টস প্রোগ্রাম এবং ইউকে ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের সহযোগিতায় পরিচালিত হয়েছে। বিতরণকৃত সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে- লাইফ জ্যাকেট, লাইফ বয়া, সিগন্যাল লাইট, ফ্ল্যাশ লাইট, পাওয়ার ব্যাংক, রেইন কোট, গামবুট, প্রাথমিক চিকিৎসা বাক্স, প্রয়োজনীয় ওষুধ, হ্যান্ড গ্লাভস, ইঞ্জিন মেরামতের যন্ত্রপাতি এবং ১২০ লিটার ধারণক্ষমতার ময়লা সংরক্ষণ পাত্র।
অনিমেষ পাল আরও জানান, ভবিষ্যতেও উপকূলীয় মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়ন, নিরাপদ মৎস্য আহরণ এবং সামুদ্রিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।