1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
হারিয়ে যাওয়া গ্রামবাংলার ঐতিহ্য: হালুয়াঘাটে এখন আর বাজে না বিয়ের পালকির নতুন সুর চান্দিনায় আদালতের আদেশে অবৈধ দখল উচ্ছেদ, বাদীকে জমি বুঝিয়ে দিল প্রশাসন পূজায় গুজব ও উসকানি নিয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান ময়মনসিংহের এসপি কামরুল হাসান খুলনায় পুর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতাকে গুলি করে হত্যা মানিকগঞ্জের শিবালয়ে তালিমুল কুরআন বিভাগের প্রশিক্ষণ কর্মশালা নৈতিক অবক্ষয় ও অপরাধ প্রবণতা রোধে সামাজিক উদ্যোগ অপরিহার্য: ছাতকের ইউএনও সাংবাদিক আসাদ সবুজের জামিন শুনানি ৬ অক্টোবর ‘পুজো পুজো গন্ধ লেগেছে’ মণিরামপুরে সকল দুর্গাপূজা মন্দির সেজে উঠেছে দেবহাটায় পোল্ট্রি খামারে হামলা-লুটের মামলায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ডিএনসিসিতে নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ এর “বদলি”, ১৬ দিনের মাথায় পুনর্বহাল নেপথ্যে কি 

২৬০ বছরের ঐতিহাসিক ‘আওকরা মসজিদ’সংস্কারের অভাবে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ০ দেখেছেন

রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কারের অভাবে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়েছে দিনাজপুর জেলার ঐতিহ্যবাহী ‘আওকরা মসজিদ’। জেলার খানসামা উপজেলার পাকেরহাটে অবস্থিত মসজিদটি প্রায় ২৬০ বছরের পুরোনো এবং ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাগুলোর মধ্যে অন্যতম।

প্রাচীন এই মসজিদকে ঘিরে প্রচলিত রয়েছে নানা ধরনের কথা। এটির নামকরণের পেছনে রয়েছে ইতিহাস। ‘আওকরা’ শব্দের অর্থ কথা বলা। জনশ্রুতি আছে, এই মসজিদের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় কথা বললে প্রতিধ্বনি হতো। তাই স্থানীয়রা মসজিদটির নাম রাখেন ‘আওকরা’ বা কথা বলার মসজিদ। তবে নির্মাণের সময় মসজিদটি কি নামে পরিচিত ছিল তা স্থানীয়দের কেউ বলতে পারেননি।

জানা যায়, এক সময় মসজিদের আশপাশে ছিল মুসলিম জনবসতি। মির্জা লাল বেগ ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কথা ভেবে ১৭৬৬ সালে মসজিদটি নির্মাণ করেন। তৎকালীন সময়ে নামাজ আদায়ের পাশাপাশি ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করা হতো। এই মসজিদকে ঘিরে মির্জার মাঠেই একটি প্রাথমিক ও একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় আওকরা নামে স্থাপন করা হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, চিকন ইটে নির্মিত দেয়ালে নকশা করা মসজিদটি সবার নজর কেড়েছে। তবে সংস্কারের অভাবে প্রাচীরগুলোতে ধরেছে ফাটল। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যেকোনো মুহূর্তে মসজিদটি ধসে পড়তে পারে।

এদিকে কয়েক বছর আগে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় মসজিদটিকে ঐতিহ্যবাহী প্রত্নতত্ত্ব সম্পদ হিসেবে ঘোষণা করলেও তা কাগজ কলম আর সাইনবোর্ডের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। কর্তৃপক্ষ নেয়নি কোনো সংস্কারের উদ্যোগ। দ্রুত মসজিদটি সংস্কার করার দাবি জানায় এলাকাবাসী।

অত্র মসজিদের মোয়াজ্জিন মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘদিন মসজিদটি পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকার পর স্থানীয়রা পরিষ্কার করে নামাজ আদায় করা শুরু করে। আশা করছি, সরকার দ্রুত মসজিদটি সংস্কার করে দেবেন। তাহলে আমরা নিরাপত্তার সঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারব।’

অত্র মসজিদের সভাপতি মো. মফিজ উদ্দিন বলেন, ‘গ্রামবাসীর সহযোগিতায় আমরা মসজিদটি পরিষ্কার করে টিনের ছাউনি, মাইক ও নলকূপ স্থাপন করেছি। নামাজ আদায়ের উপযোগী করা হয়েছে মসজিদটি। তবে মসজিদটি দ্রুত সংস্কার না করলে এই ঐতিহ্যবাহী মসজিদটি ধ্বংস হয়ে যাবে।’

দিনাজপুর প্রত্নতত্ত্ব জাদুঘর ও কান্তজিউ মন্দিরের সহকারী কাস্টোডিয়ান হাফিজুর রহমান বলেন, মসজিদটি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় কর্তৃক ঐতিহ্যবাহী প্রত্নতত্ত্ব সম্পদ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব এই ঐতিহ্যবাহী মসজিদটি পরিদর্শন করে সংস্কার করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.