1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
তজুমদ্দিনে ফুলকুঁড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রেখা ম্যাডামের বিদায় সংবর্ধনা ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদে ট্রেড লাইসেন্সের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ সচিব মাসুদ করিমের বিরুদ্ধে পাহাড়ের রামগড় থেকে নজরুল বর্ষের মঞ্চে দুই খুদে প্রতিভা রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ও শাহজাদপুর থানার যৌথ উদ্যোগে ইভটিজিং ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। ৬ মাসের জন্য স্থগিত এপিপি হযরত আলী হিরন খুলনার ডুমুরিয়ায় রাস্তায় রান্না, ঘরের মাচায় ঘুম ঢাকায় নিখোঁজ কলেজছাত্রের লাশ ডিমলায় উদ্ধার,জিজ্ঞাসাবাদে আরও দুজনের নাম আত্রাই উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক বৃদ্ধের মৃত্যু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মানবিক হাত: চুরি হওয়া মাইকের বদলে নতুন সেট পেল ধুরাইল মল্লিকবাড়ি জামে মসজিদ হালুয়াঘাটে সবজির বাজারে আগুন: আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সামঞ্জস্য হারিয়ে বিপাকে সাধারণ মানুষ

ভালোবাসার অনন্য নিদর্শন কমলা রানী দিঘি ‘বা সুতানাল দিঘি’

  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২ দেখেছেন

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার কাকরকান্দি ইউনিয়নে এখনো দাঁড়িয়ে আছে ভালোবাসার এক চিরন্তন নিদর্শন—ইতিহাসখ্যাত কমলা রানী দিঘি, যা স্থানীয়ভাবে সুতানাল দিঘি নামেও পরিচিত।প্রেম, ত্যাগ আর বিরহের গল্প বুকে নিয়ে এই দিঘি আজও মানুষের কাছে স্মৃতিচিহ্ন হয়ে আছে।

ইতিহাস বলে, মোগল আমলের স্থানীয় শাসক রাজা সামন্তলাল তাঁর প্রিয়তমা স্ত্রী কমলা রানীকে ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশের জন্য উপহার দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন রাজা । তখন রানী বলেছিলেন—ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে এমন কিছু দান করুন, যা যুগ যুগ ধরে মানুষ মনে রাখবে ।

রাজা তখন সিদ্ধান্ত নিলেন অবিরাম এক রাত এক দিন সুতা কাটা হবে। আর সেই সুতার সমান দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ মেপে খনন করা হয় দিঘি।রাজা সামন্তলাল ভালোবেসে ৬০ একরের এক দিঘি খনন করেছিলেন তাঁর প্রিয়তমা স্ত্রীর আবদার পূরণের জন্য। দীর্ঘদিন খননের পর বিশাল এই দিঘি তৈরি হলেও পানিশূন্য থেকে যায়। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েন রাজা ও রানী।

পরে কমলা রানী স্বপ্নে আদেশ পান—গঙ্গাপূজা ও নরবলি ছাড়া দিঘিতে পানি উঠবে না। কিন্তু তিনি নরবলি না দিয়ে মহাধুমধামে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে গঙ্গামাতার পূজার আয়োজন করেন। পূজার সময় গঙ্গামাতার কাছে প্রার্থনা জানিয়ে তিনি বলেন—কোন মায়ের বুক খালি করে আমি নরবলি দেব আমি সন্তানসম্ভবা, মাগো তুমি বর দাও।

হঠাৎ বজ্রপাতের শব্দে দিঘিতে পানি উঠতে শুরু করে। সবাই প্রাণে বাঁচলেও রানী আর বাঁচতে পারেননি। টইটুম্বুর জলে ভেসে গিয়ে তিনি তলিয়ে যান। এরপর থেকে এই দিঘি মানুষের কাছে ‘কমলা রানী দিঘি’ বা ‘সুতানাল দিঘি’ নামে পরিচিতি পায়।

আজও এলাকার প্রবীণরা বলেন, এটি শুধু একটি জলাধার নয়; বরং ভালোবাসা ও ত্যাগের এক ঐতিহাসিক নিদর্শন। যে নিদর্শন যুগ যুগ ধরে নতুন ভালোবাসার গল্পকে অনুপ্রেরণা দিয়ে আসছে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.