1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
পূজায় গুজব ও উসকানি নিয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান ময়মনসিংহের এসপি কামরুল হাসান খুলনায় পুর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতাকে গুলি করে হত্যা মানিকগঞ্জের শিবালয়ে তালিমুল কুরআন বিভাগের প্রশিক্ষণ কর্মশালা নৈতিক অবক্ষয় ও অপরাধ প্রবণতা রোধে সামাজিক উদ্যোগ অপরিহার্য: ছাতকের ইউএনও সাংবাদিক আসাদ সবুজের জামিন শুনানি ৬ অক্টোবর ‘পুজো পুজো গন্ধ লেগেছে’ মণিরামপুরে সকল দুর্গাপূজা মন্দির সেজে উঠেছে দেবহাটায় পোল্ট্রি খামারে হামলা-লুটের মামলায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ডিএনসিসিতে নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ এর “বদলি”, ১৬ দিনের মাথায় পুনর্বহাল নেপথ্যে কি  এলপিজির মূল্য জনগণের ভোগান্তি বৃদ্ধি পাবে : বাংলাদেশ ন্যাপ রাঙামাটিতে কোতয়ালী পুলিশের বিশেষ অভিযান

এক দলিলেই লাখ টাকা পেকুয়ায় মোহরার সুমনের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

  • আপডেট সময় : সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ০ দেখেছেন

কক্সবাজারের পেকুয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল নিবন্ধনের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, চাপ প্রয়োগ ও হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মোহরার সুমন পাল নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন দলিল লিখক এম. কোরবান আলী।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০২৩ সালের শেষ দিকে পেকুয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সুমন পাল যোগদানের পর থেকেই জমি ক্রয়-বিক্রয়ের দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে দলিল লিখক ও তাদের সহকারীদের কাছ থেকে নির্ধারিত সরকারি ফি’র বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায় শুরু করেন।

অভিযোগকারীর দাবি, তিনি সাবেক এমপি জাফর আলমের ঘনিষ্ঠতার পরিচয় দিয়ে এতদিন নানাভাবে সেবাপ্রার্থী, দলিল গ্রহিতা ও লিখকদের হয়রানি করে আসছিলেন। সেই সময় এর প্রতিবাদ করতে গেলে জাফরের মাধ্যমে ফোন দিয়ে হুমকি দিতেন এবং নানা অজুহাতে ঘুষ আদায় করতেন। দেশ পটপরিবর্তন পরও তার এমন অপকর্ম ও ঘুষ বাণিজ্য অব্যাহত রেখেছে।

এম. কোরবান আলীর অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে তিনি মোট ১৪টি দলিল নিবন্ধন করলে প্রতিটি দলিলের বিপরীতে নির্ধারিত অঙ্কের চেয়ে বেশি টাকা আদায় করা হয়। ওইদিন বিভিন্ন খাতে মোট ২ লাখ ৮৪ হাজার ৫০০ টাকা আদায় করা হয়।

এছাড়া পেকুয়া মৌজার একটি দলিলে বাড়িসহ স্থাপনা থাকলেও তা স্থাপনাবিহীন দেখিয়ে এক লক্ষ টাকা ঘুষ আদায় করেন। সেই টাকা নেয়ার পর আরো বিশ হাজার টাকা দাবী করছেন মোহরার সুমন পাল। রাজাখালীর অপর একটি দলিলে বাড়ি না থাকলেও তার সাথে কথার অমিল হওয়ায় দলিলে বাড়ি লিখে দিয়ে অতিরিক্ত ৪২ হাজার টাকা সরকারি উৎস কর দিতে বাধ্য করায়। এসমস্ত টাকা আদায় করার কারণে প্রতিবাদ করতে গেলে যা নিয়ে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটির ঘটনাও ঘটে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ঘটনার পর ৫ ফেব্রুয়ারি রাতে তার এক সহকারীর মাধ্যমে তাকে ভয়ভীতি ও চাপ দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক, জেলা জজ ও জেলা রেজিস্ট্রারের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি পারিবারিক প্রভাব খাটিয়ে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
এছাড়া লিখিত অভিযোগে দাবি করা হয়, তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হলে চরম পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিয়ে তার দায়ভারও অভিযোগকারীর ওপর চাপানোর কথা বলা হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে এম. কোরবান আলী বলেন, লাগামহীন দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করাই যদি অপরাধ হয়, তবে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। তবে একজন নাগরিক হিসেবে যদি এটি আমার নৈতিক অধিকার হয়, তাহলে আমি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করছি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সুমন পালের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের মতে, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ থাকলেও প্রকাশ্যে খুব কমই কেউ প্রতিবাদ করার সাহস করেন। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.