বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার বিহার ইউনিয়নের বাসিন্দা জাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি উন্নয়ন সংস্থার নামে প্রায় ২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, তিনি বগুড়া শহরের কালিতলা এলাকায় অফিস খুলে শতাধিক নারীকে প্রলোভন দেখিয়ে টাকা নেন, পরে হঠাৎ করে উধাও হয়ে যান।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জাহিদুল ইসলাম “অগ্রসর যুব উন্নয়ন সংস্থা” নামের একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতেন। তার সঙ্গে একজন ম্যানেজারও ছিলেন। তারা বগুড়া শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কালিতলা এলাকায় অফিস ভাড়া নেন।
ভুক্তভোগী নারীদের অভিযোগ, তাদের বলা হয়—সংস্থায় এক লাখ টাকা জমা রাখলে প্রতি মাসে দুই হাজার টাকা লাভ দেওয়া হবে। এই প্রলোভনে পড়ে প্রায় ২০০ নারী তাদের সঞ্চিত অর্থ জমা দেন। এভাবে আনুমানিক ২ কোটি টাকা সংগ্রহের পর জাহিদুল ইসলাম হঠাৎ করে অফিস বন্ধ করে পালিয়ে যান।
ঘটনা জানাজানি হলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই সংস্থার দুই কর্মচারীকে আটক করে বগুড়া সদর থানায় নিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী কয়েকজন নারী জানান, তারা গত রবিবার প্রতিকার চেয়ে বগুড়া সদর থানায় যান। তবে তাদের অভিযোগ, পুলিশ মামলা বা লিখিত অভিযোগ নিতে অনীহা প্রকাশ করে। ফলে তারা কোনো আইনি সহায়তা না পেয়েই হতাশ হয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হন।
এ বিষয়ে বগুড়া সদর থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও ভুক্তভোগীদের টাকা ফেরতের দাবি জানিয়েছেন।