1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
৬ মাসের জন্য স্থগিত এপিপি হযরত আলী হিরন খুলনার ডুমুরিয়ায় রাস্তায় রান্না, ঘরের মাচায় ঘুম ঢাকায় নিখোঁজ কলেজছাত্রের লাশ ডিমলায় উদ্ধার,জিজ্ঞাসাবাদে আরও দুজনের নাম আত্রাই উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক বৃদ্ধের মৃত্যু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মানবিক হাত: চুরি হওয়া মাইকের বদলে নতুন সেট পেল ধুরাইল মল্লিকবাড়ি জামে মসজিদ হালুয়াঘাটে সবজির বাজারে আগুন: আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সামঞ্জস্য হারিয়ে বিপাকে সাধারণ মানুষ ফরিদপুরে এসআরবি’র অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেপ্তার ১ ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়া উপজেলায় নামজারি বন্ধে চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সুনামগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালত ৮ মামলায় জরিমানা, ১৪ হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠায় নারীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে- এডভোকেট মাহবুব উল আলম

বন্ধ এতিমখানায় অনুদান লুট: ফ্যাসিস্ট সরকার আওয়ামী লীগের দোসর পরান, রনি মন্ডল ও মোহাম্মদ আলী (পর্ব–২)

  • আপডেট সময় : শনিবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ০ দেখেছেন

নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার বড় বারৈহাটি এলাকায় অবস্থিত বন্ধ এতিমখানা থেকে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি অনুদান আত্মসাতের অভিযোগে নতুন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক নীরবতা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতাধীন উক্ত এতিমখানাটি প্রতি বছর সরকার থেকে প্রায় ১ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা ক্যাপিটেশন গ্রান্ট পেয়ে থাকে। অথচ বাস্তবে প্রতিষ্ঠানটি গত প্রায় ১৫ বছর ধরে সম্পূর্ণ বন্ধ অবস্থায় রয়েছে এবং সেখানে কোনো এতিম শিশু অবস্থান করে না।
তবুও অভিযোগ উঠেছে, ফ্যাসিস্ট সরকার আওয়ামী লীগের দোসর এতিমখানার সভাপতি মোহাম্মদ পরান, সেক্রেটারি রনি মন্ডল ও সুপার মোঃ মোহাম্মদ আলী ভুয়া কাগজপত্র ও মিথ্যা তথ্যের মাধ্যমে বছরের পর বছর সরকারি অর্থ উত্তোলন করে আসছেন।
এলাকাবাসীর দাবি, অভিযুক্তদের সঙ্গে প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহলের সংশ্লিষ্টতা থাকায় এতদিন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে এতিমদের কল্যাণে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহারের সুযোগ পেয়েছে একটি চক্র।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “এতিমখানা বহু বছর ধরে বন্ধ। এখানে কেউ থাকে না। তবুও কীভাবে টাকা আসে, সেটা আমাদের বোধগম্য নয়। নিশ্চয়ই এর পেছনে বড় কোনো যোগসাজশ আছে।”
সচেতন মহলের মতে, এটি শুধু দুর্নীতির বিষয় নয়, বরং এতিম শিশুদের সঙ্গে নির্মম প্রতারণার শামিল। রাষ্ট্রের অর্থ লুটপাটের মাধ্যমে সমাজের সবচেয়ে অসহায় মানুষদের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে সিংড়া উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ আবু দাউত সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জানান, ইতিমধ্যে আমার উদ্বোধন কর্মকর্তাকে জানিয়েছি এ বিষয়ে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়েছে, এই অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে বড় বারৈহাটি এতিমখানায় কোন ধরনের ক্যাপিটেশন গ্রান্ড অর্থ ও কোন প্রকার সহযোগিতা পাবে না, এই বিষয়ে আমি আমার উদ্বোধন কর্মকর্তাকে সুপারিশ করেছি। অভিযুক্ত দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে এলাকাবাসীর প্রশ্ন—
১৫ বছর ধরে একটি বন্ধ প্রতিষ্ঠান কীভাবে নিয়মিত অনুদান পায়? এর দায়ভার কার? সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কেউ কি এর সঙ্গে জড়িত?
সচেতন নাগরিকরা অবিলম্বে— নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন গত ১৫ বছরের আর্থিক অডিট অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা
আত্মসাৎকৃত অর্থ উদ্ধার করার জোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সরকারি অর্থ লুটপাটের এই সংস্কৃতি আরও ভয়াবহ রূপ নেবে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.