1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
পূজায় গুজব ও উসকানি নিয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান ময়মনসিংহের এসপি কামরুল হাসান খুলনায় পুর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতাকে গুলি করে হত্যা মানিকগঞ্জের শিবালয়ে তালিমুল কুরআন বিভাগের প্রশিক্ষণ কর্মশালা নৈতিক অবক্ষয় ও অপরাধ প্রবণতা রোধে সামাজিক উদ্যোগ অপরিহার্য: ছাতকের ইউএনও সাংবাদিক আসাদ সবুজের জামিন শুনানি ৬ অক্টোবর ‘পুজো পুজো গন্ধ লেগেছে’ মণিরামপুরে সকল দুর্গাপূজা মন্দির সেজে উঠেছে দেবহাটায় পোল্ট্রি খামারে হামলা-লুটের মামলায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ডিএনসিসিতে নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ এর “বদলি”, ১৬ দিনের মাথায় পুনর্বহাল নেপথ্যে কি  এলপিজির মূল্য জনগণের ভোগান্তি বৃদ্ধি পাবে : বাংলাদেশ ন্যাপ রাঙামাটিতে কোতয়ালী পুলিশের বিশেষ অভিযান

​গাইবান্ধায় ১০৯টি ইটভাটাই অবৈধ: হুমকির মুখে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ

  • আপডেট সময় : রবিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ০ দেখেছেন

​গাইবান্ধা জেলায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে অবৈধ ইটভাটার সংখ্যা। সরকারি সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জেলায় বর্তমানে সচল ১২৫টি ইটভাটার মধ্যে মাত্র ১৬টি বৈধ, আর বাকি ১০৯টিই চলছে কোনো প্রকার অনুমোদন ছাড়া। আইন অমান্য করে গড়ে ওঠা এসব ইটভাটা এখন স্থানীয় জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
​আইনের তোয়াক্কা নেই ভাটা মালিকদের ​পরিবেশ অধিদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী, লোকালয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা কৃষি জমির নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে ইটভাটা স্থাপন নিষিদ্ধ। কিন্তু গাইবান্ধার অধিকাংশ ইটভাটাই গড়ে উঠেছে জনবসতি ও ফসলি জমির বুক চিরে। ​মোট ইটভাটা: ১২৫টি, ​বৈধ ভাটা: ১৬টি ​অবৈধ ভাটা: ১০৯টি (প্রায় ৮৭%) ​অভিযোগ রয়েছে, উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা ও প্রশাসনের কড়াকড়ি থাকা সত্ত্বেও প্রভাবশালী মালিকরা বছরের পর বছর ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে নামমাত্র জরিমানা দিয়ে আবারও চালু করা হচ্ছে চিমনি।

​সংকটে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ ​অবৈধ ইটভাটার বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় দূষিত হচ্ছে বাতাস। ফলে আশেপাশের গ্রামগুলোতে বাড়ছে শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি ও চর্মরোগসহ নানা জটিল ব্যাধি। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা সবচাইতে বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। ​এছাড়া, ইটভাটার জন্য উপরিভাগের উর্বর মাটি (Topsoil) কেটে নেওয়ায় আশঙ্কাজনক হারে কমছে কৃষি উৎপাদন। ধোঁয়ার কারণে নষ্ট হচ্ছে ফলজ ও বনজ গাছপালা। স্থানীয় কৃষকরা জানাচ্ছেন, আগে যেসব জমিতে বাম্পার ফলন হতো, এখন সেখানে ধানের শিষ শুকিয়ে যাচ্ছে এবং ফলের গুটি ঝরে পড়ছে।

​প্রশাসনের ভূমিকা ​পরিবেশবাদী সংগঠনের দাবি, কেবল জরিমানা বা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এই সংকট সমাধান সম্ভব নয়। স্থায়ীভাবে এসব অবৈধ ভাটা বন্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ প্রয়োজন। ​সচেতন মহলের মতে, সরকারি তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান নিয়মিত না হওয়ায় মালিকরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে গাইবান্ধার প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও জনস্বাস্থ্য অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়বে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.