ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহীদ আজিজুর রহমান মুসাব্বির–এর পরিবারের খোঁজখবর নিতে ১২ জানুয়ারি সন্ধ্যায় তাঁদের বাসায় যান বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা।
তিনি মুসাব্বিরের স্ত্রী ও সন্তানের সঙ্গে সময় কাটান এবং সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান। মুসাব্বিরকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করার পর থেকে পরিবারের ওপর নেমে আসা মানসিক বিপর্যয় ও নিরাপত্তাহীনতার প্রকৃত চিত্র তিনি প্রত্যক্ষ করেন।
“প্রকৃত খুনিদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত পাশে থাকবো” — ঈসা । পারিবারিক খোঁজ নেওয়ার সময় ঈসা বলেন—
“যতদিন প্রকৃত খুনিদের গ্রেপ্তার ও বিচার না হবে, ততদিন এই পরিবারের পাশে আছি। মুসাব্বির শুধু একটি রাজনৈতিক দলের নেতা ছিলেন না—তিনি ছিলেন মানুষের জন্য নিবেদিত একজন সাহসী সংগঠক। তাঁর হত্যাকাণ্ড জাতির বিবেকের ওপর আঘাত।”
তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ঈসা আরও জানান, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান মুসাব্বিরের পরিবারের সার্বিক দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
তিনি বলেন “মুসাব্বিরের স্ত্রী ও সন্তানকে সহায়তার আশ্বাস দিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে মানবিক ভূমিকা নিয়েছেন, তার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। এই পরিবার একা নয়—তাদের পাশে পুরো দল রয়েছে।”
ঢাকা–১২ আসনের প্রার্থী সাইফুল হকের ভূয়সী প্রশংসা ঈসা আরও জানান যে ঢাকা–১২ আসনের বিএনপি–সমর্থিত এবং বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মনোনীত প্রার্থী জননেতা সাইফুল হক নিয়মিতভাবে মুসাব্বিরের পরিবারের খোঁজখবর নিচ্ছেন।
তিনি বলেন “সাইফুল হক ভাই সার্বক্ষণিকভাবে এই পরিবারের পাশে আছেন। তাঁর মতো একজন মানবিক ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এলাকায় থাকায় পরিবারটি কিছুটা হলেও সাহস পাচ্ছে। আমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ।”
শোক ও দোয়া প্রার্থনা ।মুসাব্বিরের বাসায় অবস্থানকালে মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা মুসাব্বিরের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন।
তিনি বলেন “আল্লাহ যেন শহীদ মুসাব্বিরকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং তাঁর পরিবারকে এই কঠিন সময় অতিক্রম করার শক্তি দান করেন।”
গত ৮ জানুয়ারি রাতে কারওয়ান বাজার এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন আজিজুর রহমান মুসাব্বির। ঘটনাটি রাজনৈতিক অঙ্গনে নিন্দার ঝড় তোলে। মুসাব্বির স্বেচ্ছাসেবক দলের একজন নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। তাঁর মৃত্যুতে ঢাকা উত্তরসহ সারাদেশের বিএনপি–সমর্থক ও নেতাকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।
ন্যায়বিচার আদায়ের দাবি।
মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা বলেন,মুসাব্বিরের মতো একজন সংগঠকের হত্যাকাণ্ড দেশের জন্য কালো অধ্যায়
পরিবারকে সান্ত্বনা দেওয়ার পাশাপাশি বিচার ও তদন্তের ওপর জোর দেওয়া হবে জাতীয় মানবাধিকার সমিতি এ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করছে বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন ও আইনি সহায়তা অব্যাহত থাকবে।