1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
অফিসার ইনচার্জ রাজৈর এর নেতৃত্বে মাদক বিরোধী অভিযান। মাদক বিরোধী লাইভ দেওয়ার পর যুবদল নেতাকে কুপিয়ে জখম, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় স্থানান্তর নাগরপুরে চুড়ান্ত ফুটবল প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে ১২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কোরবান নগর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কালামের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। মিয়ানমার থেকে ইয়াবার চালান, তুমব্রুতে বিজিবির হাতে ৪ লাখ ২০ হাজার পিস উদ্ধার শাহজাদপুরে ওলামাদলের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত। বগুড়ায় ১৮ বোতল ফেয়ারডিলসহ নারী গ্রেপ্তার ভাঙ্গায় অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় পথচারী নিহত শার্শায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৫ পিস  ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেফতার

পটুয়াখালী ২ বাউফলের প্রতিটি ইউনিয়নে চলছে ইয়াবার রাজত্ব, নীরব প্রশাসনে ধ্বংসস্তূপে যুব সমাজ!

  • আপডেট সময় : সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ০ দেখেছেন

পটুয়াখালী ২ বাউফল উপজেলায় মাদক ব্যবসায়ীদের নিরাপদ স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে অবাধে ছড়িয়ে পড়েছে মরণঘাতী ইয়াবা। এই বিষাক্ত নেশার আগ্রাসনে প্রতিদিন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে একের পর এক তরুণ জীবন।

বাউফলের অলিগলি, বাজার, চরাঞ্চল, কোথাও ইয়াবা নেই এমন জায়গা খুঁজে পাওয়া কঠিন। দিনের আলোতেই চলে কেনাবেচা, রাত নামলেই যেন আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে কারবারিরা।

স্কুল-কলেজ পড়ুয়া কিশোর থেকে শুরু করে কর্মক্ষম যুবক, কেউই এই সর্বনাশা নেশার ছোবল থেকে রেহাই পাচ্ছে না।
একসময় যে যুবসমাজ ছিল বাউফলের শক্তি ও ভবিষ্যৎ, আজ তারাই ইয়াবার নেশায় বিবেকহীন হয়ে পড়ছে। নেশার টাকা জোগাতে চুরি-ডাকাতি, ছিনতাই, মারামারি এমনকি ভয়াবহ অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে তরুণরা। সর্বশান্ত নিঃস্ব হয়ে ভেঙে পড়ছে পরিবার, আতঙ্কিত হয়ে উঠছে পুরো সমাজ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ইয়াবা ব্যবসায়ীদের নাম-ঠিকানা প্রকাশ্য গোপন নয়, সবাই জানে। তবুও প্রশ্ন থেকে যায়, তারা কীভাবে দিনের পর দিন ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে? মাঝে মধ্যে দু-একজন ছোটখাটো বিক্রেতাকে ধরেই দায়িত্ব শেষ প্রশাসনের, মূল হোতারা থাকে অদৃশ্য। তাহলে কি প্রশাসনের কোনো অংশের নীরব মদদ ছাড়া এই ভয়াবহ সাম্রাজ্য টিকে থাকতে পারে?

অভিভাবকরা সন্তান নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। এক হতাশ বাবা বলেন, ছেলেকে স্কুলে পাঠাতে ভয় লাগে। কখন যে ইয়াবার জালে পড়ে যায়, তার নিশ্চয়তা নেই। সচেতন নাগরিকদের প্রশ্ন? এই ইয়াবার স্রোত কি হঠাৎ করে বাউফলে আকাশ থেকে পড়েছে? নাকি সীমান্ত পেরিয়ে, নদীপথে কিংবা স্থলপথে নিয়মিত প্রবেশ করেও কারও চোখে পড়ে না?

মাদক শুধু একজন তরুণকে হত্যা করে না, এটি একটি জাতির মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়। আজ যদি ইয়াবার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবে প্রয়োগ না করা হয়, তাহলে আগামী দিনে বাউফলের যুব সমাজ অপরাধ আর নেশার অন্ধকারে হারিয়ে যাবে, এটাই বাস্তবতা। এখনো সময় আছে। প্রশ্ন হলো? দায়িত্বশীলরা কি আদৌ জেগে উঠবেন? নাকি নির্বিকার নীরবতার আড়ালেই চলবে বাউফলে ইয়াবার রাজত্ব।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.