সিরাজগঞ্জ জেলার সংসদীয় আসন সিরাজগঞ্জ-৪, ৫ ও ৬ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। এই তিন আসনের মোট প্রার্থী ছিল ২৬ জন, এর মধ্যে থেকে ৭জনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। গতকাল সিরাজগঞ্জ-১,২ ও ৩ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পূর্ণ করা হয়েছিল।
গত রোববার (৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা ২০ মিনিট পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এ যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোঃ আমিনুল ইসলাম। যাচাই-বাছাই শেষে বিভিন্ন আসনে বেশ কয়েকজন প্রার্থীকে বৈধ এবং কাগজপত্রে ত্রুটির কারণে কয়েকজনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়।
সিরাজগঞ্জ-০৪ (উল্লাপাড়া) আসন, এই আসনে মোট ৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে ৪ জনকে বৈধ প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং কাগজপত্রে গড়মিল থাকায় ২ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। বাতিলকৃত প্রার্থীরা হলেন, মোঃ আলমগীর হোসেন (স্বতন্ত্র) ফরমে প্রস্তাবকারী স্বাক্ষর না থাকায় ও মোঃ আঃ হাকিম (সিপিবি) দলীয় প্রধানের স্বাক্ষরের অসামঞ্জস্যতার কারণে।
সিরাজগঞ্জ-০৫ (বেলকুচি ও চৌহালী) আসন ,এই আসনে ৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে ৫ জনকে বৈধ এবং ২ জনকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। বাতিলকৃত প্রার্থীরা হলেন মোঃ গোলাম মওলা খান (স্বতন্ত্র) সিএমপি মামলার তথ্যের গড়মিল, সমর্থনসূচক তালিকা না থাকা এবং ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর না থাকায় ও মোঃ মতিয়ার রহমান (সিপিবি) দলীয় মনোনয়নপত্রে দলীয় প্রধানের স্বাক্ষরের মিল না থাকায়।
সিরাজগঞ্জ-০৬ (শাহজাদপুর) আসন,এই আসনে সর্বাধিক ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে ১০ জনকে বৈধ এবং ৩ জনকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। বাতিলকৃত প্রার্থীরা হলেন মোঃ শফিকুল ইসলাম (বিএনপি) দলীয় মনোনয়ন না থাকায় ও মোঃ হুমায়ুন কবির (স্বতন্ত্র) ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনের সঠিক তথ্য না দেওয়ায়। মোঃ ওয়াসেক ইকবাল খান মজলিস (স্বতন্ত্র) ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনের সঠিক তথ্য না দেওয়ায়।
এ বিষয়ে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বিধি অনুযায়ী মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়েছে এবং পরবর্তী ধাপে বৈধ প্রার্থীরা নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন।