1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
হারিয়ে যাওয়া গ্রামবাংলার ঐতিহ্য: হালুয়াঘাটে এখন আর বাজে না বিয়ের পালকির নতুন সুর চান্দিনায় আদালতের আদেশে অবৈধ দখল উচ্ছেদ, বাদীকে জমি বুঝিয়ে দিল প্রশাসন পূজায় গুজব ও উসকানি নিয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান ময়মনসিংহের এসপি কামরুল হাসান খুলনায় পুর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতাকে গুলি করে হত্যা মানিকগঞ্জের শিবালয়ে তালিমুল কুরআন বিভাগের প্রশিক্ষণ কর্মশালা নৈতিক অবক্ষয় ও অপরাধ প্রবণতা রোধে সামাজিক উদ্যোগ অপরিহার্য: ছাতকের ইউএনও সাংবাদিক আসাদ সবুজের জামিন শুনানি ৬ অক্টোবর ‘পুজো পুজো গন্ধ লেগেছে’ মণিরামপুরে সকল দুর্গাপূজা মন্দির সেজে উঠেছে দেবহাটায় পোল্ট্রি খামারে হামলা-লুটের মামলায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ডিএনসিসিতে নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ এর “বদলি”, ১৬ দিনের মাথায় পুনর্বহাল নেপথ্যে কি 

হোসেনপুরে ৭০টির বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয় চলছে ভারপ্রাপ্ত ও চলতি দায়িত্বে

  • আপডেট সময় : সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ০ দেখেছেন

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় দেখা দিয়েছে গুরুতর প্রশাসনিক সংকট। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌর এলাকার ১১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৭০টিরও বেশি বিদ্যালয়ে ২০১৮ সাল থেকে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।

শূন্য পদযুক্ত এসব বিদ্যালয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—হোগলাকান্দি, চর হাজিপুর, বীর হাজিপুর, ধলাপাতা, তারাপাশা, হারেঞ্জা, ধনকুড়া, মধ্য গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ প্রায় ৪৫টি বিদ্যালয় বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। অপরদিকে, হোসেনপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ধুলিহর, গড় মাছুয়া, কাওনা, কুড়িমারা, দক্ষিণ পিপলাকান্দি, বিল চাতল, বীর পাইকশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ প্রায় ২৫টি প্রতিষ্ঠানে সহকারী শিক্ষকরা চলতি দায়িত্বে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন।

ভারপ্রাপ্ত ও চলতি দায়িত্বে বিদ্যালয় পরিচালিত হওয়ায় ব্যবস্থাপনা, শিক্ষার গুণগত মান এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। স্থানীয়রা জানান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক থাকায় প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক সহকারী শিক্ষক ভারপ্রাপ্তদের পূর্ণাঙ্গ প্রধান শিক্ষক হিসেবে মানতে অনাগ্রহী। পাশাপাশি অতিরিক্ত প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের কারণে শিক্ষকরা শ্রেণিকক্ষের পাঠদানে প্রয়োজনীয় সময় দিতে পারছেন না।

একাধিক অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, “স্থায়ী প্রধান শিক্ষক না থাকায় বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও তদারকি দুর্বল হয়ে পড়েছে। নিয়মিত অভিভাবক সভা, শিক্ষার মানোন্নয়ন কার্যক্রম এবং শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ ব্যাহত হচ্ছে।”

শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি ও নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। দ্রুত স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ না দিলে প্রাথমিক শিক্ষার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ বিষয়ে হোসেনপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. এমদাদুল হক খান বলেন, “শূন্য পদের চাহিদা আমরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে মহাপরিচালক (ডিজি) মহোদয়ের কাছে পাঠিয়ে আসছি। কিছু ক্ষেত্রে চলতি দায়িত্বে নিয়োজিতদের মামলা থাকায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। তবে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। আশা করছি, শিগগিরই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শূন্য পদগুলো পূরণ করা সম্ভব হবে।”

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.