গত ১৪ দিন ধরে নিখোঁজ থাকা মারিয়ামকে অবশেষে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের মাধ্যমে তাকে ইমাম মুসলিম মাদ্রাসার ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয় এবং পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে বেশ কিছু গুরুতর প্রশ্ন উঠে আসছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দিকে।
দীর্ঘ ১৪ দিন ধরে মারিয়াম নিখোঁজ থাকার পর যখন তাকে মাদ্রাসার অভ্যন্তর থেকে উদ্ধার করা হলো, তখন প্রশ্ন উঠেছে:
বিভ্রান্তিমূলক তথ্য কেন ? মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ প্রথমে টাকা দিয়ে বিভ্রান্তিমূলক খবর ছড়ায় যে মেয়েটিকে ‘অমুক জায়গায় সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে’। এর মাধ্যমে পুরো কক্সবাজারবাসীকে ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়।
১৪ দিন কোথায় ছিল মারিয়াম ? মেয়েটি যদি মাদ্রাসার ভেতরেই ছিল, তবে এতদিন তাকে কেন নিখোঁজ বলা হলো ? এই ১৪ দিন তাকে কোথায় রাখা হয়েছিল এবং কেন পরিবারের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল ? প্রতারণার উদ্দেশ্য কী ? মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ কেন মারিয়ামের পরিবারের সাথে এমন বড় ধরনের প্রতারণা করল ? এর পেছনে তাদের উদ্দেশ্য কী ছিল ?
নিখোঁজ মারিয়ামকে মাদ্রাসার ভেতর থেকে উদ্ধারের ঘটনা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের সততা ও স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর সন্দেহের সৃষ্টি করেছে।যা-ই হোক, শেষ পর্যন্ত নিখোঁজ মারিয়ামকে মাদ্রাসার ভিতর থেকে উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ।এই উদ্ধার অভিযানে সদর থানার এসআই অজিত-এর ভূমিকা ছিল অতুলনীয় এবং প্রশংসার যোগ্য।
নিখোঁজ থাকার এই ১৪ দিনে মারিয়ামের সাথে ঠিক কী ঘটেছিল, সেই পুরো ঘটনাটি অচিরেই জাতির সামনে তুলে ধরা হবে।