জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে সাম্প্রতিক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহছেন উদ্দিন। অগ্নিকাণ্ডের পরপরই তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছে ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নেন, তাদের নিরাপত্তা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করেন।কামরাবাদ ইউনিয়নের বড়বাড়ীয়া গ্রামের অগ্নিকাণ্ডে সবকিছু হারানো মোছাঃ মাফুজা বেগমসহ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ান ইউএনও মোহছেন উদ্দিন।তাঁর সঙ্গে ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শওকত জামিল।
ইউএনও ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ক্ষতিগ্রস্তদের তাৎক্ষণিকভাবে চাল, ডাল, তেলসহ প্রয়োজনীয় শুকনা খাবার পৌঁছে দেন। শুধু তাই নয়, তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলে তাদের বাস্তব অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারেন এবং দ্রুত সরকারি সহযোগিতা নিশ্চিতের পদক্ষেপ নেন।ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ইউএনও মোহছেন উদ্দিন দুইটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়তার আশ্বাস দেন— ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি পুনর্নির্মাণের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ ঢেউটিন দ্রুত বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি।গৃহ নির্মাণে সহযোগিতার জন্য সরকারি তহবিল থেকে নগদ অর্থ প্রদানের প্রক্রিয়া শুরুর ঘোষণা।তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরির নির্দেশ দেন, যাতে কোনো পরিবার সহায়তা পাওয়া থেকে বঞ্চিত না হয়।
ত্রাণ বিতরণকালে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহছেন উদ্দিন বলেন—আপনাদের এই বিপদের মুহূর্তে উপজেলা প্রশাসন সর্বতোভাবে পাশে আছে। ঘরবাড়ি পুনর্নির্মাণে প্রয়োজনীয় সহায়তা দ্রুত পৌঁছে দেওয়া হবে।ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বরাদ্দের কার্যক্রম শুরু হয়েছে—খুব শিগগিরই আপনারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারবেন।
স্থানীয়রা জানান,ইউএনও মোহছেন উদ্দিনের নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসনের এই ত্বরিত পদক্ষেপ স্থানীয় জনগণের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। দুর্যোগের মুহূর্তে তাঁর মানবিকতা, দায়িত্বশীলতা ও তৎপরতা প্রশাসনের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে উপজেলা প্রশাসনের এই আন্তরিক প্রচেষ্টা বারবার প্রমাণ করছে।মানবিকতা ও দায়বদ্ধতা থাকলে প্রশাসনই হতে পারে মানুষের শক্ত ভরসা।